প্রযুক্তি ও যুবসমাজকে কাজে লাগানোর তাগিদ ড. খলিলুর রহমানের

 প্রযুক্তি ও যুবসমাজকে কাজে লাগানোর তাগিদ ড. খলিলুর রহমানের

নিউ ইয়র্ক থেকে সোহেল হোসাইন: চলমান বৈশ্বিক নানা সংকট মোকাবিলায় সাধারণ মানুষকে সমস্যা হিসেবে না দেখে তাদেরকেই সমাধানের প্রধান অনুঘটক ও শক্তি হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ‘সামাজিক ব্যবসা, যুবসমাজ ও প্রযুক্তি’ শীর্ষক এক বিশেষ সেশনে বক্তব্যদানকালে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান তার বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, যেকোনো বিশ্বমানের জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাময়িক বা ক্ষণস্থায়ী ব্যবস্থার পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত পরিবর্তনের দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। নতুন ও টেকসই সমাধান বের করার মূল কারিগর মানুষ নিজে—তাই তাদের উপযুক্ত প্রযুক্তি, কার্য উপযোগী দক্ষতা এবং সমান সুযোগের নিশ্চয়তা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
যুবসমাজের ভূমিকার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, যুবসমাজকে কেবল যেকোনো কর্মসূচির সাধারণ অংশগ্রহণকারী ভাবলে চলবে না। বরং সমাজ ও বৈশ্বিক পরিবর্তনের অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো পূর্ণ সুযোগ ও পরিবেশ তরুণদের জন্য তৈরি করতে হবে।
 টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) অর্জনের পথকে সুগম ও গতিশীল করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-সহ আধুনিক প্রযুক্তিকে কার্যকর উপায়ে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
জাতিসংঘের ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণের নির্ধারিত সময়সীমা ২০৩০ সাল উল্লেখ করে ড. খলিলুর রহমান মনে করিয়ে দেন যে, লক্ষ্য অর্জনে হাতে আর মাত্র চার বছর সময় অবশিষ্ট রয়েছে।
এছাড়াও  সাধারণ জনগোষ্ঠীকে প্রয়োজনীয় পরিবেশ, উপযুক্ত সক্ষমতা ও সুযোগ দেওয়া হলে তারা স্বউদ্যোগে নিজেদের নানা জটিল সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের পথ বের করে নিতে সক্ষম হবে বলে জানান ড. খলিলুর রহমান ।