শেখ উমর ফারুক আল হাদী : বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতার গণ্ডি পেরিয়ে এখন বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের বিস্তৃত অংশীদারত্বের দিকে এগোচ্ছে। গত ৬ ফেব্রুয়ারি দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে এ সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। বাংলাদেশের প্রথম ইপিএ হিসেবে বিবেচিত এই চুক্তি বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানোর নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।
বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে শিল্পায়ন, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে ব্যবসা পরিচালনার প্রক্রিয়া সহজ করা, প্রশাসনিক জটিলতা দূর করা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা দেওয়া হবে।
স্বাধীনতার পর থেকেই জাপান বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। সময়ের সঙ্গে দুই দেশের সম্পর্কের পরিধি বেড়েছে। উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নের পাশাপাশি জাপানের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ, শিল্প উৎপাদন, প্রযুক্তি ও দক্ষ জনশক্তি উন্নয়নে সহযোগিতার গুরুত্বও বাড়ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৩৫০টি জাপানি প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
বাংলাদেশ–জাপান অর্থনৈতিক সম্পর্কে নতুন দিগন্ত