নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে গোপনে সংগঠিত করা এবং অনুসারীদের নিয়ে এলাকায় মহড়া দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে ধানমন্ডি থানা ছাত্রলীগের নেতা ইউসুফ রানার বিরুদ্ধে।
ইউসুফ রানা ধানমন্ডি থানা ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বাইরে আত্মগোপনে থাকার পর তিনি আবারও রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছেন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, ইউসুফ রানা আড়ালে থেকে অনুসারীদের মাধ্যমে মোটরসাইকেল শোডাউন, মিছিল ও সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা তাঁর অনুসারীদের বিরুদ্ধে এলাকায় অস্ত্র প্রদর্শনেরও অভিযোগ করেছেন।
তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে ইউসুফ রানার বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদনে ধানমন্ডি থানার এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের গোপন তৎপরতা চালানো ও সংগঠিত করার অভিযোগে ইউসুফ রানাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে অভিযোগগুলো তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, বিএনপির ছাত্রদল নেতা আমান দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ছাত্রদলের এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের দেশে ফেরা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার বিরোধিতা করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি তাঁদের কর্মকাণ্ড দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।