টাইমস ২৪ ডটনেট: বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। এক সময় অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনাও করতেন এই পর্দাকন্যা। আর এ কারণেই বাড়ি বন্ধক পর্যন্ত রাখতে হয়েছিল তাকে।ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে তিনি ২০১৪ সালে দিয়া মির্জা তৈরি করেছিলেন ‘ববি জাসুস’ নামের সিনেমা।আর্থিক সমস্যা সত্ত্বেও বিদ্যা বালানের পারিশ্রমিক দিতে এতটুকুও অতিরিক্ত সময় নেননি এই অভিনেত্রী-প্রযোজক।‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন দিয়া মির্জা।
২০১৪ সাল নাগাদ ‘ববি জাসুস’ তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দিয়া। বিদ্যাও রাজি ছিলেন অভিনয়ের জন্য। তবে মাঝপথেই সরে যান সিনেমাটির পেছনে থাকা বিনিয়োগকারীরা।মহিলা প্রযোজক হওয়ার কারণেই হয়তো নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে বলে মনে করেন দিয়া। এক সাক্ষাৎকারে দিয়া জানান, প্রযোজনায় আসার পরে তাকে বলা হয়েছিল, অভিনেত্রী হিসাবে তিনি আর কাজ পাবেন না।তার কথায়, ‘প্রথম কেনা বাড়িটি আমি বন্ধক রেখেছিলাম। বিদ্যা বালানের মতো অসাধারণ অভিনেত্রীকে নিয়েও কাজ করতে পেরেছি। তবে এমন ঘটনা যে ঘটতে পারে এমনটা কল্পনাও করিনি কখনও।’এমন একটা সময়ে দিয়া সিদ্ধান্ত নেন- যেভাবেই হোক সিনেমাটি তৈরি করবেন। এ কারণে ব্যাংক থেকে লোন নেন, নিজের বাড়িও বন্ধক রাখেন।
দিয়ার কথায়, ‘আমি কখনও বিদ্যাকে বলিনি পারিশ্রমিক কমাতে। ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা পারিশ্রমিকটা ওকে আমিই দিয়েছিলাম। সিনেমাটা যেভাবে বানাতে চেয়েছিলাম, সেই ভাবেই বানিয়েছিলাম।’
উল্লেখ্য, ‘ববি জাসুস’ সিনেমাটি পরিচালনা করেছিলেন সমর শেখ। দিয়া মির্জার সঙ্গে এটি প্রযোজনা করেছিলেন সাহিল সাঙ্ঘা। এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন বিদ্যা বালান। এছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে ছিলেন আলি ফজল , অর্জন বাজওয়া , সুপ্রিয়া পাঠক , রাজেন্দ্র গুপ্ত ও তানভি আজমি।
সিনেমার জন্য বাড়ি বন্ধক দিতে হয়েছিল অভিনেত্রীকে?