মতামত

লাইলাতুল কদরের ভাগ্য রাতকে ঘিরে তথা সামনে রেখে পুত্রহীন ৩ভায়ের কথপকথণ

সৈয়দা রাশিদা বারী : বড় ভাই আরিফ: আকাশের দিকে চেয়ে ভাইদের উদ্দেশ্যে বললেন, তোদেরও শুধু ১ কন্যা, আমারও শুধু ১ কন্যা! ৩ ভাইয়ের ৩ কন্যা আর কোন সন্তান হলো না আমাদের ৩ ভাইয়ের!!

মেজ ভাই শরিফ: কেন ভাই এমন হলো? তবে এটাও বলা যায়, ওরা একসাথে জন্ম নেওয়া তিন বোন যেন ৩ বান্ধবী! বিশ্ববিদ্যালয় পড়তে পড়তে যা যুক্তি করেছিল, সেই যুক্তি মোতাবেক, আমাদের একসাথে জন্ম নেওয়া ৩ ভাইয়ের স্ত্রী হয়েছেন, একসাথে মিলেমিশে থাকবেন বলে! এই স্ত্রীদের কোন দোষ নাই। আমাদের স্ত্রীরা তো সর্বোচ্চ শিক্ষিত হয়েছেন ইনশাল্লাহ। এদিক থেকে ধরলে শিক্ষা অর্জন করতে করতে প্রাপ্তবয়স্ক কাটিয়েও, ওরা ১টা করে কন্যা সন্তান দিয়ে আমাদের ৩ ভাইয়ের মুখ উজ্জ্বল না করলেও, নিঃসন্তানের হাত থেকে রেহাই দিয়ে ইজ্জত বাঁচিয়েছেন, এটাই অনেক! এর উপরে আরো বাচ্চার আশা করা, আর তাদের দোষারোপ দেওয়া, বোধ করি এটা আমাদের অন্যায় হবে। যেহেতু ভাইয়া আমরা তো ৩ ভাইয়ের কেউ কাপুরুষ নয়। এটাতে আমাদের অন্যায় আবদার হবে। সব দিক কিন্তু অর্জন করা যায় না। ওরাও তো বড় চাকরিই করছে। সেটা কি আমাদের হেল্প করা নয়? আমাদের সম্পত্তির উপরে, হাদিস আইন অনুপাতে তো, ভবিষ্যতে কাকাতো ফুফাতো মামাতো শরিক ও অনান্যদের থাবা বা হামলা অবধারিত নিশ্চিত সেটাও ঠিক আছে! তাই এত কিছু করেই আর কি করবো? এটা ভেবে মনটা থেকে উৎসাহ হারিয়ে যাচ্ছে শুধু! আমাদের জীবদ্দশায় কন্যাদের সবটুকু
লিখে দেওয়া ছাড়া কি, এর ব্যতিক্রম পথ নেই? কেননা জীবদ্দশায় লিখে দিলেও নানান রকম সমস্যা ঘটে। দপের পাড়ার ফজলু মিয়ার মত অবস্থা হয়। দেখো না কাপুরুষ জামাই সব ফজলু মিয়ার কন্যার থেকে মানে স্ত্রীর থেকে ব্যবসা করার নামে, মেরে ধরে লিখে নিয়ে, তার মেয়েকেও ত্যাগ করে, তালাক দিয়ে, অন্য বেগানা এক নারীকে নিয়ে সংসার করছে! তাই কন্যাকে লিখে না দেওয়াই নিরাপদ। এছাড়াও আরো অনেক সমস্যা হয়। করিম পাটোয়ারীর জামাই তো এখন করিম পাটোয়ারীর ভাত দেয় না। সে ভিক্ষা করে খায়। কন্যাকে লিখে দিয়েছিলো ভাইদের সন্তানদের নিজের সম্পত্তির অংশ না দেওয়ার জন্য। কন্যাও গেলো মরে! দুই কন্যা রেখে। জামাই স্ত্রীকে চিকিৎসা করার সময় অর্ধেক বেঁচে ছিলো। পরবর্তী দুই কন্যার বিয়ে দিতে বাকিটা বিক্রি করে দিয়েছে। নিকে করা বউকে নিয়ে মাছের ব্যবসা করে খায় কিন্তু শশুরকে ভাত দেয় না। নিকে করা বউ নাকি সহ্য করতে পারে না, তা ভাত দেবে কি? থাকতে জায়গা দেবে কি? আমার কন্যার নিয়েও তাই আমি চিন্তায় আছি। আচ্ছা যুগ তো চেঞ্জ হচ্ছে। আপডেট হচ্ছে। কত কিছুর পরিবর্তন ঘটেছে, ঘটছে তবু ভবিষ্যতে কন্যা না হওয়ার দায়ে, যে অন্যায় অত্যাচার করে, ইসলামের দোহাই দিয়ে কাপুরুষের জাত বা দল যেটাই বলি! এটার থেকে মুক্তির সুস্থ স্বাভাবিক পথ কি আদৌ তৈরি হবেনা? পশ্চিম পাড়ায় গতকাল দেখলাম, জলিল সরদারের উঠানে। বেচারা মারা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কবর না দিতেই, ৫ মেয়ের ঘর থেকে নামিয়ে দিয়ে, ঘর ভেঙে পর্যন্ত দিয়ে, দখল করে নিতে! ২০ রোজা তো পারই হয়ে গেছে। আর কটা দিন অপেক্ষা কর। ঈদটা বের হয়ে যাক, তখনই দিস। তা অপেক্ষা না করে।জমির আইল ঠিক করে নিলো চাচাতো মামাতো খালাতো ফুপাতো ভাইরা!! কি অবস্থা!!! এর নামই পুত্রকে সম্মান করা আর কন্যাকে অপমান করা! কন্যাকে অবজ্ঞা অপদস্থ হেয় প্রতিপন্ন করা! এখন আপাতত এইটা নিয়েই আমি ভাবছি। ইসলাম ধর্মর উপরে প্রেম ভালোবাসা রেখেই, ভাবছি। কি করে এর থেকে বেরিয়ে আসা যায়, কাটিয়ে ওঠা সম্ভব, মুক্তি আসবে, একমাত্র এই ভাবনাটাই আমার মাথায় ঘুরপাক খায়! দেখো না কাজে যাচ্ছি না আর!! সব যেন এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে! জীবদ্দশায় জামাই মেয়েদের লিখে দেওয়ার জন্য সবকিছু খোয়াইয়ে শূন্য অসহায় হয়ে যাওয়া, শূন্য হারি কুকুর চাটে না, আমাদেরও বেঁচে থাকতে তাই হবে, এই ভবিষ্যৎবাণী ভাবতে কেমন লাগে বলো?! আর এটাই আমার চিন্তাভাবনার জায়গা থেকে একমাত্র কাজ বা চিন্তার শিরোমনি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মনটার মধ্যে এমন হলে, ভাইয়া আমি কাজকাম কিভাবে করবো বলো? নামাজ পড়তে গেলেও নামাজ ভুল হয়ে যাচ্ছে, নামাজের মধ্যে এই চিন্তা উঠে! সেহরি খেতে গেলে পেট ভরে খেতে পারি না, বমি আসে চিন্তায়!!! মাথা ঘুরায় নারীকে এত ছোট করা হয়েছে ইসলাম ধর্মে, যখন ভাবি তখন আর ঠিক থাকতে পারিনা! তারাবি পড়তে গেলেও ২০ রাকাত পড়া হয়না এখন। কম পড়লেও হয় ঠিক আছে। কিন্তু আমি তো কত রাকাত পড়েছি সেটাও ইদানিং গুলিয়ে ফেলি! বাবার সম্পত্তির উপরে কন্যাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, সন্তানকে ধরে আমাদের মালিকানা নিশ্চিত থাকতে, অন্যের থাবা বন্ধ করতে, আমাদের তিন ভাইয়ের জীবদ্দশায় সব আমাদের কন্যা ও কন্যা জামাইদের লিখে দিলেও তো ইসলাম ধর্মের উপরে যুক্তি-তর্কে অমান্য অবজ্ঞা অন্যায় করা হয়‌! আবার শেষ জীবন ভালো কাটবে সেই নিরাপত্তাও থাকে না!? এটাও তো অন্যায় করা যখন, তখন পরকালও হারানোর প্রশ্ন! চুল চিড়ে ইসলাম ধর্ম মানা হয় না মনের দোষে। গুজামিল হয়ে পড়ছে সবকিছুতে! তাহলে কি আমাদের তাসবিহ ইবাদত নামাজ-কালাম গুলো বরবাদ হবে?! পরকাল হারাবো?! যতই আমরা ইবাদত বন্দেগী করি! চিল্লা দিই আর হজ করি!! এমন কাজ করলে, ইহকালেও সুখ থাকবে না! পরকালও হারাবো! ধর্ম জ্ঞানে ইবাদত বন্দেগীর বিশ্লেষণে আমাদের ঘাপলা গুজামিল থাকবেই! ধর্মের দ্বারপ্রান্তে সেখানে তো একটা নীতিমালা যখন আছে, সেটা অমান্য করা হবে যখন। মানসিক প্রশান্তি কিভাবে থাকবে? এতক্ষণে মুখ খুলল সেজো ভাই স্মার্ট সাইফ: শোন তুই এত ূূঘাবড়াস না। আমরা উল্টাপাল্টা করলেও এতে ইসলাম ধর্মের কোন ক্ষতি হবে না কারণ মুল ইসলাম ধর্ম আমাদের এটা দেই নাই। এটা এই নিয়ম নীতি মালা, সমাজে নারীকে হেয় প্রতিপন্ন অপদস্ত ছোট করার জন্য তৈরি করেছে পরবর্তীতে পুরুষ নামের কাপুনুষদের জাত। এটা আল্লাহর তৈরি করা নয়। আমার নবীর নিয়ম নয়। নবীজির মাধ্যমে প্রেরণ করা আল্লাহর তৈরি করা মূল নীতিমালা নষ্ট করে দিয়েছে আলীর মৃত্যু বা হাসান হোসেনের পতন ঘটানোর পর! পৃথিবীতে যা মানুষের দ্বারা সংস্কার করা সম্ভব তা পুরুষদের তৈরি। উল্টানো এবং পাল্টানো যায়। এটা আল্লাহর আবিষ্কৃত নয়। আল্লাহর আবিষ্কৃত সেটাই যেটাতে মানুষের কোন হাত থাকে না। যেমন আমাদের পুত্র না হয়ে কন্যা হয়েছে। এইটা আল্লাহর দেওয়া। যেমন নারী-পুরুষের তৈরি সুরত। চেহারা ও আকৃতি ইত্যাদি। দেহের গঠন কন্ঠের উচ্চারণ ধ্বনি সরলতা, গড়ণ চোখের সৌন্দর্য নানান ভঙ্গি এবং সাইজ। মাথার চুল কিন্তু পুরুষ নারী উভয়েই বড় করা এবং ছোট করা যায়। এটা রয়েছে মানুষের হাতে। মানুষের হাতেই পরিচালিত। কিন্তু মোচ দাড়ি নারীর হয় না, নারীর গজাই না। এটা মানুষের হাতের নয়। এটাই আল্লাহর হাতের। অতএব নারী-পুরুষের যে আসল গঠন, আর হঠাৎ চেঞ্জ হয় ইত্যাদি সময় এবং ঋতু অনুপাতে! এইটা কি মানুষের হাতে আছে? নাই। এমনও আছে হঠাৎ একজন কন্যা থেকে পুত্র হয়ে যাচ্ছে! পুত্র থেকে কন্যা হয়ে যাচ্ছে! এটাও মানুষের হাতে নাই। কই কোনো ডাক্তার কি সেটা ঠিক করতে পারছে? পারছেনা! এইটাই হলো আল্লাহর কুদরত! আল্লাহ প্রাপ্ত! আল্লাহর দান! আল্লাহর সৃষ্টি! আল্লাহর সীমারেখা! আল্লাহর সীমারেখা কেউ ছাড়িয়ে যেতে পারে না! কখনো খন্ডন করতে জানেনা! হয় না যায় না সেটা করা! কোন ডাক্তার কি আমাদের ৩ ভাইয়ের গ্যারান্টি দিয়ে পুত্র দিতে পারবে? মায়ের পেটের ভিতর পুত্র কন্যা সৃষ্টি করেন আল্লাহ। যদি মানুষের হাতে এই ক্ষমতা থাকতো, তাহলে পুত্রকন্যা মানুষ প্রয়োজন বুঝেই নিতো। আল্লাহর কাছে চাইতো না বা ডাক্তারের সিদ্ধান্ত অনুপাতে নিতো। কই সেটা তো ডাক্তার পারেননা?! ডাক্তার যদি পারতেন, দেশের ডাক্তার তাহলে মরতেন না। মৃত্যু যদি মানুষের হাতে থাকতো, তাহলেও দুনিয়া থেকে কেউ মারা যেত না। সবাই বেঁচে থাকতো যেকোনো বিনিময়ে বেঁচে থাকা নিশ্চিত করে। সমাজের যে ব্যবস্থা, এটা মানুষের তৈরি মানুষের হাতের। রাজনীতির স্থলে যেমন রাষ্ট্রনায়ক দেশের নীতি রীতি আদর্শ চেঞ্জ করেন। যখন সরকার চালান, তার মত সেটাপ করে নেন। ইসলামী যত পদ্ধতি, ইসলামিক চিন্তাবিদ দ্বারা পরিচালিত হয়েছে, শতাব্দীর পর শতাব্দী। তাই নানান নবীর নানান ধরন লক্ষ্য করার বিষয়। এবং আমাদের শেষ নবী মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। উনার নীতিমালার পরিবর্তন চেন্স নাই। তারপরও অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা করার যে রীতিমালা, সেই অনুপাতে শাস্ত্রের দিক থেকেও সংস্কার করা সম্ভব এবং করা যায় আপডেট শতাব্দী অনুসারে। চিন্তাবিদগণ, ইসলামীনায়ক সেটা করেনও। যেমন বর্তমান যানবাহন ওই যুগের মতন এখন নাই। সূর্য আলো বাতাস মাতার ব্যবস্থা অন্যভাবে এখন আছে। পূর্বে তো এমন ভাবে ছিল না। উলামা গণ তো এ যুগের মতন মানিয়ে নিয়েই চলছেন। তাদের একপেক্ষি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নেই। ইলেকট্রিক মিডিয়া পদ্ধতি মোবাইল ইমেইল ইমু ফেসবুক ইউটিউব ইন্টারনেটের যাবতীয় ব্যবহার করছেন। শুধু চেঞ্জ করছেন না নারীর উপরে জারি করা, চাপিয়ে দেওয়া নির্মম পাষণ্ড পদ্ধতি গুলো। যা পুরুষ নিয়ন্ত্রিত পুরুষ একপেক্ষি পুরুষবাদী খারাপ মন্দ বিষয়গুলো! যা কাপুরুষের দলের সৃষ্টিই। হচ্ছে তো, নারী ধর্ষণ হচ্ছে না? হচ্ছে! ইসলামে নিষেধ আছে পর নারীর উপর চক্ষু রাখা! তারপরও পর নারীর উপর চক্ষু রাখছে কাপুরুষদের জাত। স্ত্রী থাকতে পরনারীর নিয়ে পিপাসা মিটাচ্ছে এই ভর রমজানেও! যেটা ইসলামে নিষেধ আছে, সেটা এরা রমজানেও করছে। তাহলে রমজানের যে সংযমের প্রশ্ন, সেটা কাপুরুষ জাতির কোথায় গিয়ে ঠেকলো! কোন স্থানে দাঁড়ালো!? কাপুরুষদের জাত স্বামী থাকা, স্বামী থাকাকালীন স্বামীকেও কাপুরুষ সতীন বানাচ্ছে! সেটা গোপনে প্রকাশ্যে নয়! তো একই কাজ গোপনে আর প্রকাশ্যে পার্থক্য কোথায়? কোন পার্থক্য নাই! যেহেতু সংযম মানছে না, ইসলাম ধর্মের বাধ্যবাধকতা রাখছে না! হ্যাঁ হ্যাঁ ইসলাম ধর্ম কড়াকরি পালন করছে! ভালো ভাবে মানছে! সেটা হচ্ছে দুইটা ক্ষেত্রে এবং নারীর ব্যাপারে। এই যে একজন নারীকে দুইজন পুরুষ বিয়ে করে স্ত্রী বানাচ্ছে না। কিন্তু সুযোগে ৫/১০ জন ভোগ ঠিকই করছে। এতে কি কোন পার্থক্য আছে?! নিশ্চয় পার্থক্য নাই। যেহেতু পয়জন বিশ গোপনে খাওয়া, প্রকাশ্যে খাওয়া, পার্থক্য নাই একই। তাই মানুষের তৈরি এর নাম সমাজ। মানুষের হাতের মানে চোখে ধুলো মারার নাম সমাজ। নারীকে ঠকানো নারীকে কষ্ট দেওয়া শাস্তি দেওয়া এটাই যদি ইসলাম হবে, তবে ইসলামে বৈষম্য আছে। প্রত্যেকের শ্রদ্ধেয় জিনিস সেই ধর্মে কি কখনো বৈষম্য থাকে? থাকেনা! যেটা সর্বজনীন শ্রদ্ধার জিনিস সেখানে কখনো বৈষম্য থাকতে পারে না! বৈষম্য বানিয়ে নেওয়া হয়েছে মানুষ কর্তৃক মানুষের হাতের বা মানুষের সাধ্যের আওতার জিনিসগুলোকে কাপুরুষের জাত নিজের সুবিধা মতন সেটআপ করে। নিষেধ থাকা সত্ত্বেও ধর্ষণ করছে শিশুকে! এটা মানছে না! কিন্তু পুরুষ দুইভাগ নারী এক ভাগ বাবা মায়ের সম্পত্তি! এই ভাগ বাটোয়ারা কাুপুরুষের দলের দ্বারা মিস যায়না। মিসটেক হয় না। এটা সিলিপ করছে না! এটা খুব ভালো করে মানছে!! দুইজন পুরুষ একজন নারীকে বিয়ে করছে না কি সুন্দর অটুট রেখে! এটাও খুব ভালো করে মানছে!! কিন্তু পালাবদল করে ধর্ষণ করছে স্বামীর সামনে। স্বামী বর্তমান থাকা নারীকে। যেটা নারীকে ঠকানো হচ্ছে, নারীকে কষ্ট দেওয়া হচ্ছে, সেটা মানছে জোর পাল্লা দিয়ে কাপুরুষদের জাত! তাই বরং আই ভাই আমরা নারীর পক্ষ নিয়ে তিন ভাই কথোপকথন সাজায়। চ্যাট করে শান্তি মিলাই। আমরা নারীর পক্ষ নিয়ে কথা বলি। কারণ আমাদের তো পুত্র নাই! পুত্রের পক্ষে না হয়ে, কাপুরুষদের জাতের পক্ষে না হয়ে, পুরুষ হলেও আমরা নারীর পক্ষে থাকি। আমরা এক এক করে প্রশ্ন করবো, নারীর পক্ষ নিয়ে, নারীর পক্ষে। কেউ কেউ প্রশ্ন করবো, প্রশ্নের শুদ্ধ জবাব নির্ভয়ে একে অপরের দেবো। এইভাবে এসো নারীর ভালো কাজে সুযোগ দেই। কারণ আমাদের কন্যা। এই সমাজে আজকের যুগে, ৩ ভাই আমারা কন্যার পক্ষেই থাকবো। লিগাল যা আমরা ভালো মনে করবো, আমাদের মত করে, একেবারেই দৈ চক্ষ্মতা ও চক্ষু লজ্জা পিছনে ঠেলে, জবাব দিবো। ঠিক আছে ভাই এসো প্রশ্ন করো। তবে প্রথমেই আমরা ইরানের সদ্য প্রয়াত মুসলিম নেতা, নবীজির বংশধর সাইয়্যিদ আলী হুসাইনী খামেনিকে ( ১৯.৪.১৯৩৯-২৮.২.২০০২৬ ইং) ঘিরে শুরু করি। তার আত্মার মাগফেরাত এবং বেহেস্ত নসিব কামনা করে। ‌কেননা পুরুষ কর্তৃক নারীকে ঠকানোর সকল নিয়ম-নীতি তো নবীজির থেকেই গৃহীত। যেহেতু কাপুরুষের জাত সেটাই ভাঙ্গায়। এখানেও শেয়া সুন্নি দুই ভাগে বিভক্ত। দুইটি ভাগ আছে অবশ্য মতভেদ একই, নারীর ঠকানোর ক্ষেত্রে। নবীজির থেকে যেহেতু উৎপত্তি বলে দাবি আছে সমাজে। সেহেতু নবীজির বংশধর কর্তৃকই এর একটা সুস্থ সুরাহা এলে সেটাই ভালো হবে। এদিকে আমাদের বাংলাদেশের মাননীয় নতুন প্রধানমন্ত্রী, নির্ভেজাল খাঁটি মানুষ, মানব দরদী সার্বিক পর্যায়ের জনগণের বন্ধু। তিনি বাংলাদেশের সাবেক সামরিক, রাষ্ট্র প্রধান রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী, জনগণের প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য পুত্র তারেক রহমান, সেটাকে বিবেচনা করলে, নারী জাতির সবকিছু থেকে উপশম হবে। সমস্যা বলতেও থাকবে না ইনশাল্লাহ। আই ভাই আমরা শুধু কন্যার বাবা মানসিক বিপদগ্রস্থ, আমরা ৩ জন ৩ ভাই, এই লাইলাতুল কদরকে ঘিরে, নাজাতের রাতকে তলবের মাধ্যমে, আত্মায় মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করতে, দয়াল আল্লাহর কাছে প্রার্থনাই নুইয়ে পড়ি। এই প্রস্তাব ঘোষণা ৩ভাই উর্ধ্ব-কন্ঠে সর্বোচ্চে একসঙ্গে আল্লাহর রাহে, রমজানের দৃঢ় প্রত্যয় মর্যাদা সম্মান সংযম সাপেক্ষ খামিনির জন্য প্রার্থনা করলেন। এক মতবাক্য পেশ করলেন। বললেন: আচ্ছা ভাই যা খুশি করো প্রশ্ন আমাকে। আল্লাহর শখের এবং ভালোবাসার বান্দা নারীর পক্ষেই পুরুষ হয়েও জবাব দিব আমরা। রমজানের এই শেষ ১০দিনের বেজোর দিন অঢেল গুরুত্বপূর্ণ, লাইলাতুল কদর, নাজাতের রাত, তলবের প্রক্রিয়াধীন ভাগ্যরাত! আমাদের খালি হাতে ফেরাবে না এই প্রত্যয় আশা ভরসা বিশ্বাস আমাদের আছে, হ্যাঁ আছে দোজাহানের মালিক মহান আল্লাহর উপর।

১২.৩.২০২৬ ইং, বেলা ১১টা, বৃহস্পতিবার।

Related Articles

Back to top button