১টি উড়োজাহাজ কিনতে বিমানের চুক্তি স্বাক্ষর

১টি উড়োজাহাজ কিনতে বিমানের চুক্তি স্বাক্ষর

সুকুমার সরকার: বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গভীর সম্পর্কের  আরেক ধাপ অগ্রগতি হলো।   বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের মধ্যে আরো ১১টি উড়োজাহাজ কেনার একটি সম্পূরক চুক্তি সই হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ এবং ছয়টি বোয়িং ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ রয়েছে।

চুক্তির পর বোয়িং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
   যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমানে দেশটিতে অবসথান করেছেন। অধিবেশনের  সাইডলাইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন এবং বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন‌ –বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদেশল প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের উপ বিদেশমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ।
   যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ১১টি বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি উপলক্ষে বাংলাদেশ ও বোয়িংকে  অভিনন্দন জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন। অভিনন্দন বার্তায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বিশ্বসেরা বাণিজ্যিক উড়োজাহাজের আরও ১১টি কেনার চুক্তি করায় বোয়িং ও বিমানকে অভিনন্দন! যুক্তরাষ্ট্র -বাংলাদেশ সম্পর্কের জন্য এটি আরেকটি দারুণ অর্জন, যেখানে লাভবান হবে দুই দেশই। 
     এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের  উপদেষ্টা মাহদি আমিন নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলের লবিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সরকার দেশের বিমান পরিবহন খাত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি নতুন বিমান কেনার চুক্তি করেছে। 
তিনি বলেন, মার্কিন সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা, মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক, উপ বিদেশমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লান্ডাউ, আন্ডার সেক্রেটারি অব কমার্স উইলিয়াম কিমিট এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী বিদেশমন্ত্রী পল কাপুরসহ সংশ্লিষ্ট আধিকারীকরা এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
  মাহদি আরও বলেন, বোয়িংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ভবিষ্যতে এয়ারবাসের সঙ্গেও প্রয়োজন অনুযায়ী আলোচনা হতে পারে।
  মাহদি আমিন বলেন, ‘বাংলাদেশের  অ্যাভিয়েশন  সেক্টর সম্প্রসারণ হচ্ছে, নতুন নতুন রুট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।