টাইমস ২৪ ডটনেট: ভারত মহাসাগরে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা বাড়াতে ১৩ দিনের যৌথ মিশনে অংশ নিয়েছে ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া। ২০২৬ সালের ‘কোয়াড-অ্যাট-সি শিপ অবজারভার মিশন’-এর অংশ হিসেবে চার দেশের কর্মকর্তারা এ কার্যক্রমে অংশ নেন। অস্ট্রেলিয়ার বর্ডার ফোর্সের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অন্য তিন দেশের প্রতিনিধিরা ভারতীয় কোস্টগার্ডের একটি জাহাজে যাত্রা করেন। জাহাজটি গত ২৫ সেপ্টেম্বর চেন্নাই থেকে যাত্রা শুরু করে ৭ অক্টোবর পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার ফ্রিম্যান্টলে পৌঁছায়। যাত্রাপথে চার দেশের কর্মকর্তারা একসঙ্গে প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেন। এর মধ্যে ছিল সমুদ্রে অনুসন্ধান ও উদ্ধার, সামুদ্রিক দূষণ মোকাবিলা, সামুদ্রিক আইন প্রয়োগ এবং জাহাজে উঠে তল্লাশি চালানোর অনুশীলন। এ মিশনের উদ্দেশ্য ছিল চার দেশের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো, পারস্পরিক বোঝাপড়া উন্নত করা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সামুদ্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যৌথ সক্ষমতা বাড়ানো।
অস্ট্রেলিয়ার মেরিটাইম বর্ডার কমান্ডের প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল ব্রেট সন্টনার বলেন, অস্ট্রেলিয়ার সামুদ্রিক নিরাপত্তার জন্য আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতে, এ মিশনের মাধ্যমে চার দেশের কর্মকর্তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময়, পারস্পরিক আস্থা তৈরি এবং পেশাগত সম্পর্ক জোরদারের সুযোগ পেয়েছেন। এ ধরনের প্রশিক্ষণ সমুদ্রে বিভিন্ন ঘটনায় কার্যকরভাবে একসঙ্গে কাজ করার সক্ষমতাও বাড়ায়। ভারতীয় কোস্টগার্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বর্ডার ফোর্সের মেরিটাইম বর্ডার কমান্ডের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ধারাবাহিকতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে দুই সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা জোরদারে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। কোয়াডের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবে চার দেশ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপদ ও স্থিতিশীল সামুদ্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সহযোগিতা বাড়াচ্ছে। এ মিশন সেই সহযোগিতাকে বাস্তব প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পর্যায়ে নিয়ে গেছে।
ভারত মহাসাগরে যৌথ মিশনে ভারত