বাংলাদেশ নেপাল ভারত সংস্কৃতি মৈত্রী কল্যাণ সংঘর পক্ষ থেকে, শিশু ও নারী গবেষক, কথা সাহিত্যিক, কবি, গীতিকার সৈয়দা রাশিদা বারী সম্মাননা পাচ্ছেন

টাইমস ২৪ ডটনেট : আগামী ২৫ শে জুলাই ২০২৬ শনিবার, বিকাল ৫ ঘটিকায় রাজধানী ঢাকার সাংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্র, পরিবাগ এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। কবি নজরুলের বিদ্রোহী কবিতার শতবর্ষ উত্তোলন ও গীতিকবি ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান স্মরণে, কথা আবৃত্তি সংগীত এ অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে নারীর আর্থসামাজিক উন্নয়নে লেখালেখির ভূমিকা অপরিসীম, নারী উদ্যোক্তা এবং শিশু ও নারী গবেষক সৈয়দা রাশিদা বারীকে নারীর আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা থাকায় এবং লেখালেখিতে একনিষ্ঠ অবদান রাখাই বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মারক সম্মাননা- ২০২৬ দেওয়া হবে। কে সেই কবি সৈয়দা রাশিদা বারী? নিম্নে তার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরা হলো।
সৈয়দা রাশিদা বারী: একজন বহুমাত্রিক লেখক। যাঁর রচনার পরিমাণ বিপুল। তিনি একাধারে কবি, কথাশিল্পী, সাংবাদিক ও গীতিকার। বাংলাভাষা ও সাহিত্যের গবেষক এবং বিজ্ঞানী। তিনি নারী ও শিশু নিয়ে গবেষণা এবং কাজ করার পাশাপাশি প্রকৃতির উপরেও কাজ করেন এবং প্রকৃতি প্রেমিক। প্রকৃতি প্রেমিক প্রকৃতির গবেষক বলতে, আকাশ, মাটি, গাছ, মাছ, ফুল, ফল, পশুপক্ষী ও জীব জানোয়ার কীটপতঙ্গ প্রেমিক এবং গবেষক। নারী, বৃদ্ধ অসহায় বাবা মা এবং অনাথ শিশু গবেষক এবং মানবিক দিক থেকে, মানব অধিকারের প্রশ্নে সংস্কারক। সৈয়দা রাশিদা বারী তিনি একজন মা বাবার পরিসরে ভাই-বোন সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার প্রবক্তা, মুক্তচিন্তক ও লেখক। রাশিদা তিনি মেয়ের বাবার যৌতুক দেবার পক্ষে নন বরং ঘোররিবোধী। দিলমহর যেটা বরপক্ষ নগদ পরিশোধ করতে পারবেন, সেটাই ধার্য করতে তার পরামর্শ এবং তিনি সেটাই গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেন। তবুও ঘর বাঁধতে দিলমোহরই নিয়ে বিক্রি হতে হবে কেন! বরং আর্থসামাজিক উন্নয়নে সমাজের উপরে পুরুষের পাশাপাশি নারীরও অবদান রাখতে সমান মর্যাদাশীল হয়ে কাজ করতে হবে। তাই সে ভাবেই গড়তে হবে পিতা মাতাদের তাদের সন্তান পুত্র কন্যা উভয়কে বৈষম্য না রেখে। তাহলেই তো দিলমোহর নেওয়া লাগেনা। দিলমোহরেও তো অনেক ভেজাল। দেখা যাচ্ছে লাখ টাকা কোটি টাকা দেনমোহর বেঁধে, শোধ দেওয়ার খোঁজ নেই। এগুলো বেদনার বিস্ফোরক বলেও তিনি মনে করেন। বিয়ের রাত্রে, বর স্ত্রীর কাছ থেকে মাপ চেয়ে নেওয়া অথবা দেনমোহর দেওয়ার পরে স্বামী ওই টাকা ফিরিয়ে নিয়ে ব্যবসা করা ইত্যাদি এসবেরো তিনি পক্ষে নন। কেননা সমাজে একটি নারীর সন্তান প্রজন্ম রক্ষার ক্ষেত্রে দায়িত্ব অনেক যেমন, তেমন মাত্রা ছাড়া এবং জটিল! তাই তিনি নির্ভেজাল ভেজাল মুক্ত মাতা পিতার সহায় সম্পদ ভাইয়ের অর্ধেক কন্যা পান, মানসিক দর্শন ক্ষেত্রে এটাতে পরিষ্কার নন। কন্যার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বিবেচনায় আর একজন নারীর নানাবিধ জটিল সমস্যার অর্থে দিলমহরের অর্থ, অন্য কোন বাবদ ব্যয় হওয়ারও তিনি ঘোরবিরোধী। রাষ্ট্রীয় কাজ এবং সামাজিক মূল্যবোধের জায়গা থেকে, নারীর ক্ষমতায়ন মূল্যায়ন ও বাস্তবায়নে পুত্র-কন্যাকে বিভেদ বা আলাদা দেখেন না। গবেষণা বিশ্লেষণে তিনি মা-বাবার ঘরে প্রাপ্ত অংশ অর্থ-সম্পদ ও অধিকারের ক্ষেত্রেও, বৈষম্য চান না। তিনি মহান আল্লাহ ও বিশ্বনবী (সাঃ) এর সম্মাননায় পবিত্র হজ্জ পালনের ক্ষেত্রেও বৈষম্য চান না। নীতি জ্ঞানে বিশ্বাসী এই লেখক, ধর্ম দরিদ্রতার শীর্ষে সমঅধিকার গণতান্ত্রিকতা মানবিক মানসিক মূল্যবোধ চান! ধনী গরীব নির্বিশেষে ধর্ম নিরপেক্ষতা তিনি চান। এখানেও তিনি আল্লাহর পাওয়ার সমঅধিকার চান মেধা যোগ্যতা জ্ঞান অর্জনের বিবেচনা বোধ মূল্যায়নে। আল্লাহর উপর দরদী থাকার মূল্যবোধে। টাকার জোরে আল্লাহর পাওয়ার থেকে মনের জোরের যোগ্যতার অধিকারকে বড় করে ভাবেন এবং দেখেন তিনি। তিনি আল্লাহর রাস্তার খাঁটি বান্দা প্রেমিক ও নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খাঁটি বান্দা বান্দি ও প্রেমিককে হৃদয়ে লালন এবং ধারণ করেন। ইসলাম ভিত্তিকসহ তার রচিত গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় ৪শতটি। তবে প্রকাশিত গ্রন্থ ১শতটির উপর। বেশ কিছু গ্রন্থ প্রকাশ হওয়ার পথে কাজ চলছে। তিনি ৭হাজারের অধিক গান লিখেছেন। প্রবচন/কথোপকথান লিখেছেন ৫হাজারের অধিক। নিউজ এবং প্রতিবেদন লিখেছেন প্রচুর অগণিত। সৈয়দা রাশিদা বারী এ পর্যন্ত সাহিত্য ও সাংস্কৃতির উপরে সংবর্ধনা, সম্মাননা, পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন এওয়ার্ড, ক্রেস্ট, মেডেল, উত্তরীয়, সার্টিফিকেট, মানপত্র, অভিজ্ঞাত নামা ইত্যাদি স্থানীয়, জাতীয়, আন্তর্জাতিকসহ ৯৫টিরও অধিক। তার দাদা শিক্ষাবিদ শিল্পপতি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলকদের স্পন্সার ও শিল্পী সাহিত্যিকদের পৃষ্ঠপোষক- সৈয়দ নাসির উদ্দিন ওয়াহিদ আলী মিয়া (১৮৭৪-০৩.০৩.১৯৩৭ইং) তার পিতা: বীর ভাষাসৈনিক, সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা- হাজী প্রয়াত সৈয়দ রফিকুল ইসলাম ওরফে সৈয়দ জালাল উদ্দিন ওয়াহেদ আলী-পুনু মিঞা (১৯২৬-০৩.০৬.২০০৮ইং)। মাতা: সৌদি আরবের সিটিজেনশিপ, বীর ভাষাসংগ্রামী ও সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব ( হজ করেছেন ১৪ বার) মরহুমা সৈয়দা রোকেয়া রফিক ওরফে সৈয়দা রোকেয়া জালাল- তোতা (২৭.০২.১৯৪০- ২৭.১২.২০২০ইং)। উভয়ে অত্যান্ত ইসলামিক মাইন্ডের- ধর্মভীরু ছিলেন। কবি সৈয়দা রাশিদা বারী’র জন্ম: তথা কথিত সংস্কৃতির রাজধানী কুষ্টিয়া। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও চলচ্চিত্রের গীতিকার। সম্পাদক-প্রকাশক জাতীয় সচিত্র মাসিক পত্রিকা ’স্বপ্নের দেশ’ ঢাকা। বহুগুণে গুণান্বিত এই লেখক নানা সময় নানা উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন কর্তৃক সাহিত্য-সাংস্কৃতির উপর পুরষ্কৃত ও উপাধি প্রাপ্ত হয়েছেন। নিম্নে তার কর্মপরিধি এবং অর্জন থেকে স্বল্প কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো: সাংবাদিকতায় অবদান: ১. দৈনিক আজকের সংবাদ (ঢাকা) এর বিশেষ প্রতিনিধি; ২. সাপ্তাহিক বাংলার ধারা চিত্র (ঢাকা) এর সাহিত্য সম্পাদক; ৩.দৈনিক মুক্ত খবর (ঢাকা) এর বিশেষ প্রতিনিধি; ৪. দৈনিক জনপদ (ঢাকা) এর সাবেক বিশেষ সংবাদদাতা; ৫. দৈনিক আল আমীন (ঢাকা) এর সাবেক বিভাগীয় সম্পাদক/নারী ও শিশু বিভাগের প্রধান এবং পূর্বে কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি ছিলেন। ৬. দৈনিক নিরপেক্ষ (ঢাকা) এর সাবেক বিশেষ সংবাদদাতা; ৭. মাসিক ডাকপিয়ন (ঢাকা) এর চীফ রিপোর্টার- সাবেক প্রধান প্রতিবেদক, এছাড়াও পূর্বে অন্যান্য দৈনিকে ছিলেন।
সাংগঠনিক ক্ষেত্রে: ১. প্রতিষ্ঠাতা-সাধারণ সম্পাদক: শতাব্দী সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র (বৃহত্তর কুষ্টিয়া)। ২. প্রতিষ্ঠাতা প্রধান/ ভ‚তপূর্ব সাধারণ সম্পাদক: বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ (কুষ্টিয়া জেলা শাখা)। ৩. প্রতিষ্ঠাতা-সাধারণ সম্পাদক: আধুনিক সাহিত্য পরিষদ (বৃহত্তর কুষ্টিয়া-বাংলাদেশ)। ৪. প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি: বাংলাদেশ আধুনিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ, ঢাকা (বাংলাদেশ)। ৫. প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি: বাংলাদেশ ভাষাসৈনিক প্রজন্ম সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ, ঢাকা (বাংলাদেশ)। ৬. প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি: ভাবনায় বাংলাদেশ, ঢাকা (বাংলাদেশ)। ৭. প্রতিষ্ঠাতা-সহ সভাপতি- ঐতিহ্যবাহী কুমারখালী প্রেসক্লাব। ৮. প্রতিষ্ঠাতা- নির্বাহী সদস্য: ড. মযহারুল ইসলাম স্মৃতি পরিষদ, ঢাকা, (বাংলাদেশ); ৯. প্রতিষ্ঠাতা সহসভাপতি বাংলাদেশ-ভারত নেপাল সংস্কৃতি মৈত্রী কল্যাণ সংঘ (ভারত বাংলাদেশ); ১০. সহ-সভাপতি: বাউল তরী শিল্পী গোষ্ঠী (ঢাকা)। ১১. উপদেষ্টা: ‘বন্ধন’ কালচারাল ফোরাম, (ঢাকা)। ১২. উপদেষ্টা: ‘শুদ্ধচিত্র বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’, (ঢাকা)। ১৩. প্রতিষ্ঠাতা/ সাধারণ সম্পাদক- আন্তর্জাতিক গাউসুল আজম সাংস্কৃতিক একাডেমী, কুষ্টিয়া-ঢাকা (বাংলাদেশ)। ১৪. সাবেক সহ-সম্পাদক: বাংলাদেশ জাতীয় লেখক ফোরাম, ঢাকা। ১৫. বিভাগীয় সচিব: জাতীয় গীতি কবি পরিষদ, ঢাকা। ১৬. সহ-সভাপতি কবি সংসদ বাংলাদেশ, ঢাকা; ১৭. নির্বাহী সদস্য: বাংলাদেশ টেলিভিশন শিল্পী সমিতি, ঢাকা। ১৮. প্রাক্তন নির্বাহী সদস্য: জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা- ঢাকা, কেন্দ্রীয় পরিষদ ইত্যাদি। স্থায়ী সদস্য/জীবন সদস্য/সম্মানীত জীবন সদস্য: ১. বাংলা একাডেমি (ঢাকা); ২. লালন একাডেমী (কুষ্টিয়া); ৩. জেলা শিল্পকলা একাডেমী (কুষ্টিয়া); ৪. বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (কুষ্টিয়া শাখা); ৫. বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ (ঢাকা); ৬. ঢাকাস্থ কুষ্টিয়া জেলা সমিতি (ঢাকা); ৭. কুষ্টিয়া পাবলিক লাইব্রেরী (কুষ্টিয়া); ৮. কুমারখালী পাবলিক লাইব্রেরি, কুমারখালী (কুষ্টিয়া); ৯. কবি সংসদ বাংলাদেশ (ঢাকা); ১০. বাঁশআড়া কাশিমপুর ভান্ডারিয়া দরবার শরিফ, কুমারখালী (কুষ্টিয়া); ১১. আন্তর্জাতিক গাউসুল আজম সাংস্কৃতিক একাডেমী কুষ্টিয়া, ঢাকা, (বাংলাদেশ); ১২. ভারত-বাংলাদেশ সাহিত্য সংস্থা (ভারত-বাংলাদেশ); ১৩. ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী পরিষদ (ঢাকা-কলকাতা); ১৪. আর্ন্তজাতিক আলো আভাস সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংস্থান (ভারত); ১৫. সার্ক কালচারাল ফোরাম এবং ১৬. বিশ্ববঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন (ভারত); ১৭. ড. এম. এ ওয়াজেদ মিঞা মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন ফরিদপুর, ঢাকা (বাংলাদেশ) ইত্যাদি।
প্রাপ্ত উপাধি: ১. কাব্যশ্রী, ২. কাব্যরতœ, ৩. কবিরতœ, ৪. বাংলাদেশরতœ, ৫. ভারতরতœ, ৬. সাহিত্যরতœ, ৭. সাহিত্য পদ্মভ‚ষণ, ৮. সাহিত্য বিষারদ, ৯. সাহিত্য সাগর, ১০. সাহিত্য রানী, ১১. রাধা রাণী দেবী, ১২.সাহিত্য স্বরসতী, ১৩. সাহিত্য বিদ্যা বিনোদন, ১৪. সাহিত্যেশ্বর, ১৫. সরস্বতীর মানস কন্যা, ১৬. সরস্বতী মায়ের মানস কন্যা, ১৭. মা সরস্বতীর মানস কন্যা, ১৮. বঙ্গেশ্বর, ১৯. ভাষা সৈনিক কন্যা, ২০. সব্যসাচী লেখক, ২১. ভাষা বিজ্ঞান, ২২. রাবেয়া বসরী (রহঃ), ২৩. সামস তাবরিজি (রহঃ) ২৪. শেখ সাদী (রহঃ), ২৫. মাওলানা জালালউদ্দিন রুমী (রহঃ) ২৬. ‘ধ্রæপদি’ ২৭, বিবি মরিয়ম, ২৮. জ্ঞানপীঠ ২৯. মহাকবি, ৩০. জীবন্ত কিংবদন্তী।
অন্যান্য প্রাপ্ত সম্মাননা/পুরস্কারের মধ্যে: ১. নব যুগ সাহিত্য সংঘ সংবর্ধনা ও সম্মাননা (মধুপুর কুষ্টিয়া); ২. বাংলাদেশ জাতীয় লেখক ফোরাম (ঢাকা) বেগম রোকেয়া পদক; ৩. বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ (ঢাকা) সাহিত্য সংবর্ধনা; ৪. বাংলাদেশ কবিতা সংসদ (পাবনা) বাংলা সাহিত্য পদক; ৫. সুললনা স্বাধীনতা পদক (রাজশাহী); ৬. নোঙর সাহিত্য পুরষ্কার (ঈশ্বরদী); ৭. আরশী নগর বাউল সংঘ সাহিত্য পুরস্কার (রাজবাড়ী); ৮. কুষ্টিয়া উন্নয়ন পরিষদ এর স্বর্ণপদক ও নাগরিক সংবর্ধনা (কুষ্টিয়া); ৯. রাগশ্রী শিল্পীগোষ্ঠী কর্তৃক সাহিত্য পুরস্কার. (ঢাকা); ১০.জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা (ঢাকা); ১১. মুক্তি খেলাঘর আসর-জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন (ঢাকা); ১২. সাপ্তাহিক বিচিত্র সংবাদ পত্রিকার সাহিত্য সম্মাননা (ঢাকা); ১৩. জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি (ঢাকা); ১৪. বাউল তরী সাংস্কৃতিক পরিষদ, উত্তরীয়, মেডেল, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট, নাগরিক সংবর্ধনা, উত্তরা, (ঢাকা) ১৫. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী সাহিত্য পুরস্কার (সিরাজগঞ্জ); ১৬. কবি জীবনানন্দ দাশ সাহিত্য পুরস্কার (কুয়াকাটা, পটুয়াখালী); ১৭. কবি জসীমউদ্দীন স্বর্ণপদক, কবি জসীমউদ্দীন পরিষদ (ফরিদপুর) ১৮. পল্লীকবি জসীম উদ্দীন স্মারক সম্মাননা-(ঢাকা); ১৯. কবি বে-নজীর আহমদ সাহিত্য পুরস্কার (ঢাকা) ২০. কবি আজিজুর রহমান স্বর্ণপদক; কবি আজিজুর রহমান পরিষদ, (কুষ্টিয়া-ঢাকা); ২১. ড. এম. এ ওয়াজেদ মিয়া আন্তর্জাতিক স্বর্ণপদক (ঢাকা); ২২. আন্তর্জাতিক গাউসুল আজম সাংস্কৃতিক একাডেমী কুষ্টিয়া, (ঢাকা- বাংলাদেশ); ২৩. কবি ফররুখ আহমেদ- সাহিত্য পুরষ্কার ঢাকা, (বাংলাদেশ); ২৪. কবি গোলাম মোস্তফা পুরষ্কার ও স্মারক সম্মাননা, (ঢাকা); ২৫. বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম পুরস্কার ও স্মারক সম্মাননা, ঢাকা-বাংলাদেশ- নেপাল সংস্কৃতি মৈত্রী কল্যাণ সংঘ, ঢাকা, (বাংলাদেশ ভারত) ২৬. শব্দের সন্ধানে পুরস্কার আন্তর্জাতিক পত্রিকা (কলকাতা); ২৭. অক্ষর প্রকাশনী সাহিত্য পুরস্কার (পশ্চিমবঙ্গ); ২৮. পশ্চিমবঙ্গ সাহিত্য মঞ্চ (হাওড়া বাগনান); ২৯. দৈনিক দুরন্ত বাংলা টিভি ও ইউটিউব মিডিয়া (ভারত); ৩০. সৃষ্টি টিভি বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার (ভারত); তাছাড়াও ভারত থেকে ৩১. আন্তর্জাতিক আলো আভাষ; ৩২. আন্তর্জাতিক বিশ্ব বঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন এর আন্তর্জাতিক সাহিত্য পুরস্কার, ৩৩. ‘এবং বাউল’ পত্রিকা ও ৩৪. ‘কুশুমে ফেরা’ সংস্থার যৌথ উদ্দ্যোগে দেওয়া নেতাজি সুবাস স্মৃতি পুরস্কারসহ ভারতেরও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান থেকে ২১টি সংবর্ধনা ও সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে। এছাড়াও ভারতের হিন্দু সম্প্রদায় কর্তৃক ভারত রত্নসহ ৭টি উপাধি পেয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায় ৫টি সংগঠন কর্তৃকও ৫টি উপাধীতে ভূষিত হয়েছেন। সৈয়দা রাশিদা বারী’র সাহিত্য কবিতা চর্চা, গান, সংবাদ পরিবেশন গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নিবন্ধন, প্রহসন, প্রতিবেদন, স্মৃতিকথা, জীবনী, নাটক, হাইকু, ছড়া, গান, গজল ও অন্যান্য ক্ষেত্রে অনন্য অবদান রয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হলো- তিনি মানব সম্প্রদায়ে বিশ্বাসী। বাস্তবধর্মী লেখক। ধনী গরিব তাতী, খুলু, দিনমজুর, কৃষক দলমত জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সবাইকে একরকম শ্রদ্ধা, সম্মান করেন, ভালোবাসেন। একজন মায়ের জাতি মানুষ হিসেবে সেকাল থেকে একাল অবধি- আজ পর্যন্ত সংস্কৃতি ও সাহিত্য পরিবেশনে নানান বাধা পেরিয়ে সম্পৃক্ত বা আবদ্ধ রেখেছেন যা সহজসাধ্য নয়। সাহিত্য প্রণেতা সৈয়দা রাশিদা বারী আজ আমাদের অতি কাছের। নিঃসন্দেহে তিনি সকল পর্যায়ের মানুষের অহংকার। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক উজ্জল নক্ষত্র সূর্যসন্তান। কালজয়ী গর্ব গৌরব গাঁথা ঐতিহ্য। সৈয়দা রাশিদা বারী আরো বড় হউন। তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। আমাদের মিডিয়া… পরিবারের সবার পক্ষ থেকে তার জন্য দোয়া রইলো।



