দিন যায় কথা থাকে

সৈয়দা রাশিদা বারী
গত ১৯ শে জুন, কবি আল মুজাহিদী মারা গেলেন! ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। সেই দরাজ কণ্ঠের মানুষটি, লম্বা স্মার্ট কি সুন্দর চলন বলন লিখার ধরণ অথচ নিরহংকার নির্ভেজাল প্রাকৃতিক সাদা মনের মাটির মানুষ প্রিয় ব্যক্তিত্ব কবি আল মুজাহিদী আর নেই! উফ ভাবতেই হৃদয় কেঁপে উঠছে! গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং তার শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসী নসিব করুন। এক ব্যথার উপরে আরেক ব্যাথা, এক স্মৃতির উপরে আরেক স্মৃতি, আমাকে বেশ পেয়ে বসছে! একেই বলে কষ্টের উপরে কষ্ট, আঘাতের উপর আঘাত! উল্লেখ্য আমার ছোট বোন ডা: সৈয়দা সুরাইয়া বেগম মিনি, কণ্ঠশিল্পী নিত্য শিল্পী লেখক। ও উচ্চশিক্ষিত সব গুনেই গুণান্বিত ছিলো। কিন্তু অসম্ভব আল্লাহ প্রেমিক আল্লাহ ভক্ত হয়ে, দাওয়াতে শুধু আল্লাহর ইবাদত বন্দেগীর
কাজ করতো। বলা যায় সাহিত্য সংস্কৃতি নৃত্য ইত্যাদিতে অসম্ভব পারদর্শী এবং প্রতিভা শালী হয়েও, সব চর্চা বাদ দিয়ে দেয়। তবে ইসলামিক লেখা লিখতো। এটা অব্যাহত রেখেছিলো। সুরাইয়া বেগম অকাল মৃত্যু বরণ করেছে! গত ১৬.০৬.২০২৭ ইং রাত ৭টায় মারা গিয়েছে! ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মহান আল্লাহ ওকেও যেন জান্নাত দেন। আমীন। কবি আল মুজাহিদী যখন ইত্তেফাকের সাহিত্য পাতা দেখতেন। আর রুকনুজ্জামান খান দাদাভাই শিশুদের নিয়ে কাজ করতেন তখনো কুরিয়ার সার্ভিস হয় নাই এবং আমি অজপাড়া গ্রামে থাকতাম। ওই গ্রামে কারেন্ট বিদ্যুৎ ছিলোনা, সন্ধ্যা লাগা মাত্র, হারিকেন এবং ল্যাম্প জ্বালাতে হতো। টেলিফোন মোবাইলের প্রশ্নই নাই। সেই রকম গ্রামে থেকেও ডাকে কবিতা পাঠালে, কবি আল মুজাহিদী ভাই, উনি ছাপাতেন। আমার সাহিত্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সাহিত্য সংস্কৃতি প্রেমিক বোন, মিনি তার দিক থেকে, সম্ভব মতো আমার পাশে থেকে সহযোগিতা করতো। হারিকেনও জ্বালিয়ে দিতো। ডাকবাক্সেও কবিতার খাম দিয়ে দিয়েছে মাঝে মধ্যে। আর কবি আল মুজাহিদী তিনি ব্যক্তি পারসন নয়, তিনি লেখার মান দেখতেন।এ কথাটি আমার নয়, উনিই আমাকে বলেছিলেন সাক্ষাৎ কালে। উনার মতন নিট এন্ড ক্লিন পারসোনের জন্য কবিতা লেখার ইচ্ছা হতো এবং অনেক কবিতা ইনশাল্লাহ লিখেছি। জনকণ্ঠে ছিলেন প্রায়াতঃ গুলশান আক্তার আপা অসম্ভব সুন্দরী। অপ্রাপ্তবয়সে গুলশান আপাও মারা গিয়েছেন! অপরাজিতার পাতা দেখতেন। ছড়াকার এখলাছ উদ্দিন জনকণ্ঠে এবং সুস্থই আছেন কবি নাসির আহমেদ, ইনাদের অপূর্ব ব্যবহারে এবং সহযোগিতায়, জনকন্ঠেও লেখা ছপা এবং কবিতা ছাপা হতো। দেখা হলেও মন প্রাণ জুড়িয়ে যেতো। ইনাদের অপূর্ব ব্যবহারে আমি লেখার প্রতি উৎসাহিত হয়েছি। ইনকিলাবে ছিলেন আব্দুল হাই সিকদার, উনি এখন আছেন অন্য পত্রিকায়, আতিক হিলাল ভাই, প্রমুখ ইনকিলাবেও প্রতিবেদন ছড়া এবং কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। তখনো সাক্ষাৎ চেনা জানা কারো সাথেই ছিলো না। ডাকে পাঠালেই ঐতিহ্যবাহী ইনকিলাব পত্রিকায় ছড়া এবং কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। এই পত্রিকাতেই আমার জীবনের প্রথম একটি ছড়া প্রকাশিত হয়েছিল। পরবর্তীতেও হয়েছে এবং অনান্য পত্রিকায় বেশ কিছু লেখা ছাপা হয়েছে। ঢাকাতে প্রথম ছাপা হয় ইনক্লাব পত্রিকায়। সেই ছড়া লেখাটা নিয়ে আমার প্রাথমিক পর্যায়ে পত্রপত্রিকায় লেখালেখি শুরুর বাস্তব চিত্র অথবা বাস্তব একটা ঘটনা আছে। আমার মেজ ভাসুরের মেজ ছেলে, হঠাৎ আমার কাছে ছুটে এলো, রৌদ্রের মধ্যে বাড়ির পাশের রাস্তায় আমি তখন ধানের খড় কাদল দিয়ে নাড়া দিচ্ছিলাম। আমার হাত থেকে খড়নারা কাদল (বাঁশের আগায় নির্মিত) টান দিয়ে কেড়ে নিয়ে, এক টুকরো কাগজ এবং একটি কলম ধরিয়ে দিল হাতে। মুখে বলল লেখেন তো। তখন ছিলো এখনকার মতন আমের কাল। আর আমি ছিলাম বিরাট ভয়াবহ জঙ্গল এবং বিরাট আম বাগান আলা আমবাগান সংশ্লিষ্ট বাড়ির মেয়ে। অথচ ওই বাড়িতে কোন প্রকারের জঙ্গল বা গাছগাছালি এবং আম বাগান ছিলো না। আমারও বয়স খুব বেশি ছিলোনা। তাই কেন লিখতে বলছে সেটাও বুঝতে পারি নাই। জানতেও চাই নাই। ছড়া লিখেছিলাম একটি ‘মায়ের মন’ নামক। রিভাইস না দিতেই লেখা মাত্র, হাতের থেকে টান মেরে কাগজটি কেড়ে নিয়ে, তখন বলল, এই লেখাটি আর দেখতে হবে না। এই অবস্থায় আমি একটি পত্রিকায় পাঠাবো। কোন কপি না রেখে। যদি প্রকাশ হয় তাহলে আপনার ভাগ্য ভালো হবে, আমার হাত থেকে বেঁচে যাবেন। আর যদি প্রকাশ না হয়, জীবনে আর লিখতে পারবেন না। কারণ লিখতে দেখলে, কাগজ-কলম হাতে নিয়েছেন জানলে, ওই হাত আমি ভেঙে মচকিয়ে নয়, একদম গুড়া মেরে কেটে দেবো! আর যদি ছাপা হয়, অন্যরা কিছু বললে, আমার কিছু করার নাই। তবে আমি কথা দিচ্ছি, আমি আপনার কিছু বলবো না। বাঁধা দেবো না। এই নিষ্ঠুর ব্যবহারে আমি কোন জবাব দেই নাই। তখন অত বোঝার শক্তিও ছিলো না। ওই কথার অর্থ আমার কোন পর্যায়ে নিয়ে যাবে অতটা অনুভব করতে পারি নাই এবং সেই অনুভূতি মানসিকতা ছাড়াও হয়তো সময়ও ছিলো না। কারণ খড় শুকিয়ে কমপ্লিট না করতে পারলে, এবং সময়মতো না গুছিয়ে নিলে, বৃষ্টিতে ভিজে গেলে, তাহলেও তো আমার সমস্যা হতো তাই আমি অত বোঝার চেষ্টার ফুরসত পাই নাই। কিন্তু কথাটা মনে পড়ছিলো। ফালার মতন বুকের গভীরে, হৃদয় আত্মার ভিতরে বিঁধে গিয়েছিলো! যে কারণেই আজও মনে আছে! লেখার তারিখ মনে নাই তবে ৫-৭ দিনের মাথায় ছড়াটি প্রকাশিত হয়েছিল ইনক্লাব পত্রিকায়, ২০.০৪.১৯ ৯২ ইং সালে। লেখাটি নিয়ে চলে গেলে কোনরূপ বাদ প্রতিবাদ ছাড়া, কাউকে না বলে, সাউন্ড ছাড়া চোরের মতন আমি পূর্বের কাজে আবার মন দিলাম। লিখতে পারবো না, হাত কেটে দেবে, প্রায় আমার বয়সী তার ভয়ংকর ওই ভাবমূর্তি নির্মম নিষ্ঠুর চেহারা ওই দর্শন স্মৃতিতে আমি কান্দি নাই! চোখের জল যা অজান্তে নেমেছিল, সেটা লিখতে পারবো না এই দুঃখ-বেদনায় যদিও আমি এখনকার মতন অত বুঝি নাই! সে এখনো বেঁচে আছে এবং একটি মাদ্রাসার শিক্ষক। আর লেখাটি কার হাত দিয়ে, প্রথম ওই লেখাটি ইনক্লাবে প্রকাশিত হয়েছিলো, সেটাও জানি না। পত্রিকার সাথে ঠিকানা থাকে, সেই ঠিকানাতেই পূর্বে লেখা পাঠাতে হতো, সেই সিস্টেমেই পাঠিয়েছিল। কিন্তু কার হাতে পড়েছিল কার হাত দিয়ে প্রকাশ হয়েছিল সেটা জানি না। আমাকে না জেনে না চিনে লেখা ছাপিয়ে সহযোগিতা করার প্রমুখ জনের মধ্যে, আরেকজন বেগম পত্রিকার সম্পাদক নুরজাহান বেগম। আমি তাকেও ভুলতে পারিনা। ওই একটি গান আছে দিন যায় কথা থাকে, তেমন মনে আছে। মনে থাকবে। বুকের পারদে স্বর্ণ অক্ষরে লেখা থাকবে। বেগম পত্রিকায় বেশ কিছু লেখা প্রকাশিত হয়েছে। আমার ছবিও বেগম প্রতিকার প্রচ্ছদে ছাপা হয়েছে। সাদাকালো মাসিক বেগম ছিলো, সাইজ অন্যরকম বড় ধরননের। পরবর্তীতে নুরজাহান আপার উৎসাহে উপদেশে আমি, বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ’ র কুষ্টিয়া জেলা শাখা খুলেছিলাম। বাংলাদেশ লেখিকা সংঘের কুষ্টিয়া জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি ও শতাব্দী সাংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্রেরও কুষ্টিয়া জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি ছিলাম। ইতিমধ্যে কুষ্টিয়ার বেশ কিছু পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেছি। দৈনিক আল আমিনেও সাংবাদিকতা করেছি কুষ্টিয়া প্রতিনিধি হিসেবে। মুফদি আহমেদ, নঈম নওরোজ এবং মরহুম পাশা ভাই এই পত্রিকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। নিঃসন্দেহে তিনারা তিনাদের জায়গা থেকে আমাকে সহযোগিতা করেছেন। সাংবাদিকতা করলে আরেক পত্রিকায় করা যায় না কিন্তু লেখা যায়। আমি মেয়ে মানুষ আমার প্রতিদ্বন্দী কম ছিল এবং সেক্রিফাইস পেয়েছি। তখন পত্রিকাও কম ছিলো। ছিলনা অনলাইন পত্রিকা। ওই একই জন আমার পরিচয় দিয়ে কুষ্টিয়াতে পত্রিকা অফিসে ঢুকেও সম্পাদকদের নিষেধ করেছে, তাদের পত্রিকায় আমার লেখা না ছাপানোর জন্য এবং আমাকে সাংবাদিক হিসেবে কাজ করতে না দেওয়ার জন্য। সেইসব সম্পাদকরা শুনেন নাই। তবে আমাকে বলেছেন। আমি কোনদিন এর বাদ প্রতিবাদ করি নাই। দাবড়াতে চাইলে দৌড়াতে হয়। এই সময় আমার কখনো ছিলো না, এখনো নাই। তাই কেউ আমার ভুল বুঝলেও সেটা সংশোধন করা হয় নাই। শত্রু বলেও মনে করি নাই, এখনও করি না। বরং আমি মনেই করি এত রকম বাধা বিঘ্ন ছিলো বলেই লিখতে এনার্জি পেয়েছি! মানসিক জেদ কাজ করে হয়তোবা। হয়তোবা তাই সুখ খুঁজি নাই, লেখা ছাড়া বাইরের কোন কিছুতেই। কলম কাগজ লেখার কালী এর মধ্যেই সুখ পেয়েছি। এখনো পাই। পার্থক্য হচ্ছে, এখন এত সুযোগ থেকেও, ইলেকট্রিক ইন্টারনেট ফেসবুক মেসেঞ্জার whatsapp ইমু প্রভৃতি সুযোগ সুবিধা, পত্রপত্রিকায় লেখা পাঠানোর সহজ ব্যবস্থা, যোগাযোগের সহজ মাধ্যম থাকা সত্ত্বেও পাঠানোর জন্য এবং যোগাযোগ করার জন্য তখনকার মতন এখন আর মন মানসিকতা নাই। মেট্রোরেল আরো কত কি, এতএত সহজে যাতায়াত চলাচলের ব্যবস্থা, বাধাও আর কেউ দেয় না এবং রাজধানী ঢাকাতেই বসবাস করি তবু পত্রপত্রিকা অফিসে যাই না। লেখাও দেই না। তবে লিখি। অন্তত ৬ শত গ্রন্থ হবে। ছড়া কবিতা ছোট গল্প বড় গল্প প্রতিবেদন ছাড়াও, যা গান লিখেছি গুনলে গানই ৬-৭ হাজার তো ইনশাল্লাহ হবেই। নেশা মানুষের কত কিছু দেখায়, শেখায়, বাড়ি দেয় গাড়ি দেয় নারী দেয় ইত্যাদি দেয়! আমাকে দিয়েছে লিখতে। লেখাটা আমার পেশা নয় নেশা। অসম্ভব পরিশ্রম করতে পারতাম। সারাদিন রোদ্দুরে পুরে পুরে কৃষি এবং গৃহস্থলি কাজ। সারারাত লিখা! ঘুম আসলেও কখন ঘুমিয়েছি আমি জানিনা, জানতে পারিনাই! হারিকেন তো নিভিয়ে দিতো! চাঁদ পূর্ণিমার কয়েক দিন সহযোগিতা করতো টাইমলি। আমার ভাষা সৈনিক বাবা আমাকে দুই সাইজের দুইটি হারিকেন এবং কেরোসিন কিনে দিয়েছিলেন। তবে তিনি একটা সময়ে কোন ব্লাক মেলে, লেখার প্রতি আমাকে উৎসাহিত করতেন না! বরং নিষেধ করতেন! যিনি আমাকে লেখাপড়া শিখিয়েছেন, মায়ের সঙ্গে গোলমাল করে কারণ মা কাজ করাতেন। কিন্তু বাবা লেখাপড়া ছাড়া আমার থেকে কিছুই চাইতেন না। সেই বাবা সেই তিনিই নিষেধ করেছেন লেখাপড়ার মধ্যে থাকতে! এটা আমাকে গোপনে গোপনে কাঁদিয়েছে! তবে তবে বাবা লাস্ট তার মারা যাওয়ার পূর্বে, সম্পূর্ণ আমার সাহিত্য ভালোবেসে ছিলেন। কিন্তু তিনি সেটা বিকাশ ঘটাতে প্রকাশ করতে পারেন নাই। হঠাৎ স্টক করে মারা গিয়েছেন। এখন বুঝি সাহিত্য করা বাবার নিষেধের অর্থ, তখন বুঝি নাই, একদম পুরাপুরি এখন বুঝি। প্রয়াত কবি জাহিদুল হকের গানের মুখ, দিন যায় কথা থাকে, শিরোনাম বানিয়ে আজ দেখলাম। তিনিও মারা গেছেন তার স্মৃতিও মনে পড়ছে। যখন উনি বাংলাদেশ বেতারে বহাল, তখন আমিও গীতিকার হয়নি বাংলাদেশ বেতার বাংলাদেশ টেলিভিশনে। তবে গীতিকার হওয়ার মুহূর্তে উনার নাম এবং গীতিকার মুন্সি ওয়াদুদ, রফিকুজ্জামান, মনিরুজ্জামান ইনাদের নাম শুনতাম। ইনাদের গান শুনতাম। বাংলাদেশ বেতার এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনে উনাদের অনেক প্রভাব ছিলো। বোধ হয় উনারা আমার গীতিকার হিসেবে তালিকা করার বিচারকও ছিলেন। আল্লাহ উনাদের ভালো রাখুন। উনাদের মধ্যে জিনারা মারা গিয়েছেন, তাদের বেহেশ্ত নসিব কামনা করছি। আমাকে সব সময় সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চায় মহান আল্লাহ সহযোগিতা করেছেন। পাশে থেকেছেন। তাই আমি বিশ্বজ্ঞানী, বিশ্ব নেতা, আমার সবকিছুর মালিক আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া এবং কৃতজ্ঞ। এখনো আমি সামনের বাকি কাজগুলো কমপ্লিট করতেও মহান আল্লাহরই সম্পূর্ণ সহযোগিতা পেতে চাই। একদম হৃদয় আত্মায় চাই আল্লাহই আমার বাকি পথটুকু চলতে, কাজগুলো করতে সমর্থন করুন। মঞ্জুর করুন। আমিন।
২০.৬.২০২৬ ইং, দুপুর ২টা, শনিবার।



