জাতীয় গৃহায়ন মিরপুর -২, আ’ লীগের দোসর সার্ভেয়ার আব্দুর রহমানের ‘দুর্নীতির সাম্রাজ্য’: প্লট কেলেঙ্কারি, প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের যুগসাজেসে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন

টাইমস ২৪ ডটনেট : জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ মিরপুর -২, ঢাকা বিভাগ-১ এর সার্ভেয়ার আব্দুর রহমান ও তার স্ত্রী বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন বলে একাধিক অভিযোগে জানা গেছে । দুর্নীতি- অপকর্মের হোতা সার্ভেয়ার আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশনসহ (দুদুক) আরো অনেক জায়গায় লিখিত আকারে অভিযোগ দাখিল করেছেন ভুক্তভোগীরা। কিন্তু তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করার পরও সংশ্লিষ্ট বিভাগের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা কোন প্রকার ব্যবস্থা নেননি । কারণ উপ বিভাগীয় প্রকৌশলীও কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে একের পর এক দুর্নীতি এবং অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন আব্দুর রহমান । আওয়ামীলীগ সরকারের দোসর মিরপুর থানার ছাত্র জনতার হত্যার মামলার আসামি শেখ সোহেলের সমস্ত অবৈধ কর্মকান্ড ও ঠিকাদারি কাজ বর্তমানে দেখা শোনা করিতেছেন আব্দুর রহমান। উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শেখ সোহেলের তাবেদারি করে থাকেন । এখনও জাতীয় গৃহায়নের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করিয়ে দিয়ে শেখ সোহেলের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বড় বিল্ডিং নির্মাণ করে বিক্রি করিয়ে দিচ্ছেন রহমান। এছাড়াও বর্তমানে মিরপুরের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদেরকে ম্যানেজ করে তার দুর্নীতি ও অপকর্মের কর্মকাণ্ড দিদারসে চালিয়ে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে এত অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ কেন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না এর রহস্য কি ? টাকার বিনিময়ে প্লট কেলেঙ্কারি এবং নিয়মিত ঘুষ গ্রহণের গুরুতর অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা । দুর্নীতির ছোঁয়ায় জর্জরিত এই কর্মকর্তা শুধু সরকারি নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েই ক্ষান্ত হননি, বরং সাধারণ মানুষের স্বপ্নের প্লট নিয়ে এক ধরনের ভয়াবহ বাণিজ্য খুলে বসেছেন বলেই দাবি ভুক্তভোগীদের। দুর্নীতিবাজ ও অপকর্মের হোতা সার্ভেয়ার আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে গত বছরের ২ জুলাই এবং ১১ জুলাই পৃথকভাবে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানের বরাবর ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের মন্ত্রণালয়ের সচিবের বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। এছাড়াও চলতি বছরের ৬ মে, রমিজ উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ রাকিব হোসেন লিখিত আকারে একটি অভিযোগ দাখিল করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবের বরাবর। ওই অভিযোগ গুলোর পরিপ্রেক্ষিতে আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে এইসব তথ্য পাওয়া গিয়েছে।
দুর্নীতির হাত রূপনগর থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত
তথ্যানুসন্ধানে উঠে এসেছে, আব্দুর রহমান মানিকগঞ্জ জেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। অথচ তিনি ঢাকার অভিজাত এলাকা রূপনগর আবাসিকের ১২ নম্বর রোডের জাপানীর নির্মিত বাড়িতে একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কিনে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন কিন্তু তিনি বলেন ফ্ল্যাটি তার স্ত্রীর নামে। তার নামে কিংবা স্ত্রী, সন্তান বা আত্মীয়-স্বজনের নামে মানিকগঞ্জের নিজ গ্রামে রয়েছে একাধিক জমিজমা। এই সম্পদ কীভাবে অর্জিত হলো—তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও নানা প্রশ্ন উঠেছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, তার সরকারি চাকরির বেতন দিয়ে এত সম্পদ অর্জনের সুযোগ নেই। কিন্তু তিনি একের পর এক ফ্ল্যাট, জমি ও সম্পত্তি কিনে চলেছেন। সবকিছুতেই তার নাম প্রকাশ না করে অন্যদের মাধ্যমে সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করে রাখছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী অভিযোগে জানা গেছে,
প্লট বরাদ্দে ভয়ভীতি ও প্রতারণার কৌশল
সেকশন ৮(এ)–এর আওতায় যেসব মানুষ জাতীয় গৃহায়ন থেকে প্লট পেয়েছেন, তারা যদি সার্ভেয়ার আব্দুর রহমানের সঙ্গে দেখা করেন, তাহলে তিনি কৌশলে তাদের জানিয়ে দেন যে, “আপনার প্লট বেদখল হয়ে গেছে” অথবা “আপনার জায়গায় অন্য কেউ বিল্ডিং তুলেছে”। এভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে বা জটিলতা সৃষ্টি করে তিনি প্রাপ্য প্লটধারীদের নিরুৎসাহিত করেন।
এরপর কৌশলে বলেন, “আপনি প্লটটি বিক্রি করে দেন, এখন আর কিছু করার নেই।” অনেকেই এই জালিয়াতির শিকার হয়ে তাদের প্রাপ্য জমি এক কোটি থেকে দেড় কোটি টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হন। পরে আব্দুর রহমান সেই একই প্লট অন্যত্র দুই-আড়াই কোটি টাকায় বিক্রি করে দেন তার সুবিধাভোগী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে।
ঘুষের চক্র: প্রতি ছাদে ১ লাখ টাকা !
ভুক্তভোগীরা জানান, গৃহায়ন প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ পাওয়ার পরও তা বুঝে নিতে গেলে আব্দুর রহমানের পা ধরতে হয়। শুধু প্লট বুঝিয়ে দিতেই তাকে দিতে হয় মোটা অঙ্কের ঘুষ। নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতি ছাদের জন্য এক লাখ টাকা দাবি করেন তিনি। “আনঅফিশিয়াল ফি”। এ অর্থ সরাসরি চলে যায় আব্দুর রহমানের হাত ধরে তার সিন্ডিকেটে। কখনও কখনও “ইনস্পেকশন চার্জ” বা “ছাড়পত্র বাবদ ফি” নামেও অর্থ আদায় করা হয়। কেউ টাকা দিতে না চাইলে ফাইল আটকে রাখা, প্রতিবেদন না দেয়া, কিংবা নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে হয়রানি করা হয়।
একজন ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগী জানান, “আমি আমার প্লটে ফ্ল্যাট নির্মাণ করতে গেলে প্রতিটি ছাদের জন্য এক লাখ টাকা করে দিতে হয়েছে। এ যেন একপ্রকার খোলা চাঁদাবাজি!”
ফাঁকা জায়গা বিক্রি: সরকারি জমি নয়, যেন ব্যক্তিমালিকানার বাজার !
সরকারি ফাঁকা জায়গাগুলোও ছাড় পাননি আব্দুর রহমান। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ফাঁকা জায়গাগুলো ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেন। অথচ এসব জমি কারো বিক্রি করার কথা নয়, কারণ সেগুলো সরকারের মালিকানাধীন।
একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “সরকারি খালি জায়গাগুলোকে সে এমনভাবে দেখায় যেন ওর নিজের জমি। দরদাম ঠিক করে বিক্রি করে দেয়। কয়েকটি ক্ষেত্রে তো এক জায়গার মালিককে অন্য জায়গায় পাঠিয়ে দিয়েছে টাকা খেয়ে।”
ভুয়া কাগজ ও দালাল সিন্ডিকেটের সহায়তায় দখলবাজি
আব্দুর রহমানের হয়ে কাজ করছে একটি শক্তিশালী দালাল চক্র। এর মধ্যে ‘জালাল’ নামের এক ব্যক্তি রয়েছে, যে সরাসরি আব্দুর রহমানের হয়ে প্লট কেনাবেচার কাজ করে। জালাল সম্প্রতি সেকশন-৮ , ব্লক- ক এলাকার ৯ নম্বর রোডের ৭ ও ২ নম্বর প্লট, এবং ৬ নম্বর রোডের ১৯ ও ২১ নম্বর প্লট বিক্রি করেছে। এইসব প্লটের মূল্য কোটি টাকার ওপরে হলেও সেগুলো কম দামে হাতবদল হয়েছে এবং প্লট বরাদ্দের যথাযথ আইন-কানুন অনুসরণ করা হয়নি।
একজন অভ্যন্তরীণ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “একজন সার্ভেয়ারের এত সম্পদ, এত প্লট, এত ক্ষমতা—সবই প্রশ্নবিদ্ধ। দুর্নীতি দমন কমিশন বা অন্যান্য সংস্থার উচিত তাকে তদন্তের আওতায় আনা।”
জাতীয় গৃহায়নের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ ?
আব্দুর রহমানের এই কর্মকাণ্ডে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। যেখানে সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একটি প্লট পাওয়ার আশায় আবেদন করে যাচ্ছে, সেখানে একজন কর্মকর্তা নিজে দালালদের মাধ্যমে প্লট বিক্রি করছেন। এতে করে সৎ এবং প্রকৃত আবেদনকারীরা চরমভাবে বঞ্চিত হচ্ছেন।
জনগণের প্রশ্ন: সার্ভেয়ার আব্দুর রহমান কি হাউজিং ব্যবসায়ী?
সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত একজন মাঝারি পর্যায়ের সার্ভেয়ারের কি এত আর্থিক সামর্থ্য থাকার কথা? মানিকগঞ্জের বাড়ি থেকে শুরু করে রূপনগরের অভিজাত ফ্ল্যাট, কোটি টাকার সম্পদ এবং প্রতিনিয়ত বিলাসবহুল জীবনযাপন—এসবই এই প্রশ্নকে সামনে নিয়ে আসছে: “সরকার কি তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেবে?”
দুর্নীতি দমন কমিশনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন
এই অবস্থায় জনগণ, ভুক্তভোগী এবং স্বচ্ছতা প্রত্যাশীরা চাচ্ছেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যেন এই ব্যক্তির সম্পদের উৎস এবং দুর্নীতির পথ খতিয়ে দেখে। বিশেষ করে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, সম্পত্তি রেজিস্ট্রি দলিল, গত ১৫ বছরের সম্পদ বিবরণী এবং ঘুষ গ্রহণের অভিযোগগুলো তদন্তের আওতায় আনা জরুরি।
জাতীয় গৃহায়ন যেমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জনসেবা প্রতিষ্ঠান, তেমনি এর অভ্যন্তরে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা থাকলে তা গোটা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেয়। আব্দুর রহমানের মতো দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সঠিক তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে জনগণের আস্থা ফিরে আসবে না। সময় এসেছে প্রশাসন, গণমাধ্যম এবং সাধারণ মানুষ একত্রে রুখে দাঁড়ানোর—সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে। অভিযোগের মাধ্যমে আরো জানা গেছে,
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ মিরপুর-০২, ঢাকার সার্ভেয়ার আব্দুর রহমান, ও তার পরিবারের সদ্যগণ অবৈধভাবে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।
চলতি বছরের ৬মে লিখিত অভিযোগ করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবের বরাবরে মোহাম্মদ রাকিব হোসেন । অভিযোগে বলা হয়েছে, আব্দুর রহমান, সার্ভেয়ার, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ মিরপুর-০২, ঢাকার কর্মরত আছেন। তার বর্তমান বাসা নং-১৮, রোড-১২, রূপনগর আবাসিক এলাকা, থানা-রূপনগর, ঢাকায় কর্মরত আছেন। ঐ বাসায় বর্তমানে বসবাস করিতেছেন। তিনি জাতীয় গৃহায়নের মিরপুর এলাকার দীর্ঘ দিন যাবৎ সার্ভেয়ার থাকার সুবাদে অবৈধ ভাবে জাতীয় গৃহায়নের প্লটগুলো অবৈধভাবে ভুয়া প্রতিবেদন দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। তিনি ও উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের প্রভাব খাটিয়ে গোটা মিরপুর এলাকার জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সম্পত্তি অবৈধভাবে ভূমিদস্যুদের সঙ্গে আতায়াত করে তাদের দখলে দিয়ে অবৈধ ভাবে কোটি কোটি টাকা মালিক বনে গেছেন। তিনি ও তার স্ত্রী বর্তমানে যে বাসায় বসবাস করেন সেটি তার স্ত্রীর নামে রয়েছে। এছাড়াও সাভারে তেতুলঝড় এলাকায় তার স্ত্রী নামে ২২০ শতাংশ জমি ক্রয় করেছেন। এছাড়াও মানিক গঞ্জের সদরে তার স্ত্রীর নামে ৩টি বাড়ী করেছেন। এছাড়াও ঢাকা শহরে আরও বাড়ী, প্লট, ও ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন তার স্ত্রীর এবং অন্যান্যদের নামে। তার অবৈধ সম্পদ সাংবাদিকগণ অনুসন্ধান করতে গেলে তিনি মিরপুর শীর্ষ সন্ত্রাসী দ্বারা সাংবাদিকদের বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দিয়েই যাচ্ছেন। তিনি তার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে অবৈধ ভাবে জাতীয় গৃহায়নের সম্পত্তি ভুমিদস্যুদের নিকট দখল করিয়ে দেওয়ার কার্যক্রম এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি একজন বড় দুর্নীতিবাজ ও ভূমিদস্যুদের একমাএ শুভাকাঙ্ক্ষী ও সরকারি সম্পদ দখল কারী। তার নিকট রয়েছে কয়েক ডজন ভুমিদস্যু ও সন্ত্রাসী বাহিনী। যা দিয়ে তিনি গোটা মিরপুরকে দখলে রেখেছেন। জাতীয় গৃহায়নের সমস্ত অবৈধ কাজ তিনি সন্ত্রাসীর মাধ্যমে ভয়ভীতি দেখিয়ে সম্পূর্ণ করেন। মিরপুর থানার ছাত্রজনতার হত্যার মামলার আসামী শেখ সোহেলের সমস্ত অবৈধ কর্মকান্ড ও ঠিকাদারীর কাজ বর্তমানে দেখাশুনা করিতেছেন আব্দুর রহমান। আব্দুর রহমান সাবেক উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী শেখ সোহেল এর তাবেদারী করে থাকেন। এখনও জাতীয় গৃহায়নের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করিয়ে দিয়ে শেখ সোহেল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বড় বিল্ডিং নিমার্ণ করে বিক্রি করিয়ে দিচ্ছেন। এর মল্ কারিগর আব্দুর রহমান। আব্দর রহমানকে আইনের আওয়তায় আনলে আওয়ামীলীগ এর দোসর শেখ সোহেল সহ সমস্ত আওয়ামীলীগ এর দোসরদের অর্থের উৎস সন্ধান পাওয়া যাবে। বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করলে আরও অজান তথ্য ও অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া যাবে। তাই সঠিকভাবে তদন্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, চেয়ারম্যান এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদেরকে অনুরোধ জানাচ্ছি।
উপরোক্ত বিষয়ে বিশেষভাবে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করিবেন।



