বাংলাদেশ

গর্জনিয়ায় পুলিশের অভিযানে স্মরণকালের বৃহৎ ইয়াবা চালান উদ্ধার।। অধরা মাদক সম্রাট সোহেল

এস.এম.হুমায়ুন কবির,কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি: কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নে মাদকবিরোধী অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে পুলিশ। রামু থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়ার নির্দেশে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুলিশ ইন্সপেক্টর আনিসুর রহমানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এক দুঃসাহসিক অভিযানে এক লক্ষ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

জানা যায়, ১৩ মে বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গর্জনিয়া ইউনিয়নের সিকদার পাড়া (পশ্চিম পাড়া) এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। সাব ইন্সপেক্টর জুয়েল চৌধুরীর নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেন সহকারী সাব ইন্সপেক্টর মনিরসহ সঙ্গীয় ফোর্স। অভিযানে এলাকার নুরুল আমিনের পুত্র, স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘বাইকার সোহেল’-এর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধারকৃত ইয়াবার পরিমাণ প্রায় এক লক্ষ পিস, যার বাজার মূল্য কয়েক কোটি টাকা। অভিযানের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে মাদককারবারি সোহেল ও তার সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ ছিল এলাকাবাসী। নবাগত কর্মকর্তা পুলিশ ইন্সপেক্টর আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের এমন সাহসী পদক্ষেপে তারা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তার নির্দেশনায় ধারাবাহিকভাবে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী এসআই জুয়েল চৌধুরীর পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতারও প্রশংসা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তারা মনে করছেন, পুলিশের এমন তৎপরতা অব্যাহত থাকলে সীমান্তঘেঁষা এলাকায় মাদককারবার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে।
এ বিষয়ে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির নবাগত ইনচার্জ আনিসুর রহমান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
রামু থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, মাদক চোরাকারবারি সিন্ডিকেটে শুধু সোহেল একা জড়িত নয়, তাদের রয়েছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট। এসব মাদক চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।

Related Articles

Back to top button