escort manavgat manavgat escort bayan belek escort manavgat escort manavgat escort sex hikaye seks hikaye alanya escort eryaman escort ensest hikaye
Escort Bayan Escort Sakarya Escort Sakarya Escort Sakarya Sakarya Escort Bayan Kayseri Bayan Escort Webmaster Forumu

৭৪-এ পা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: আজ ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন। ১৯৪৭ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তার জন্ম। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের প্রথম সন্তান। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে শিক্ষাজীবন থেকেই প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন তিনি। ১৯৬৫ সালে তিনি ঢাকার আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৬৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন বকশীবাজারের পূর্বতন ইন্টারমিডিয়েট গভর্নমেন্ট গার্লস কলেজ (বর্তমান বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে। কলেজে পড়ার সময় তিনি কলেজ ছাত্র সংসদের সহ-সভানেত্রী (ভিপি) পদে নির্বাচিত হন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে সেখান থেকে ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন শেখ হাসিনা।
১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তনের পর ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে দলীয় প্রধানের দায়িত্ব নেন শেখ হাসিনা। এর পর থেকে গত ৩৯ বছর ধরে নিজ রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও আপসহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশের অসাম্প্রদায়িক-গণতান্ত্রিক রাজনীতির মূল স্রোতধারার প্রধান নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি। কেবল তাই নয়, বিশ্বের সমস্যা ও সংকট নিরসনের পাশাপাশি শোষিত-নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে অসামান্য অবদান রাখায় তাকে বিশ্বনেতার মর্যাদাও দেওয়া হয়ে থাকে। সর্বশেষ বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ও রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন তিনি।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এবং অন্য রাজনৈতিক জোট ও দলগুলো স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৯০ সালে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে বিজয়ী হয়। ১৯৯৬ সালে তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিজয় অর্জন করে এবং নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় প্রধান বিরোধী দলের নেতা হিসেবে তার নেতৃত্বে অসাম্প্রদায়িক-গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে প্রথমে ১৪ দলীয় জোট এবং পরে মহাঐক্যজোট গড়ে ওঠে। ১৪ দল ও মহাঐক্যজোটের তীব্র আন্দোলনের মুখে অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ২২ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচন করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।
২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারি করে ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এলে একই বছরের ১৬ জুলাই চাঁদাবাজিসহ দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হন শেখ হাসিনা। সংসদ ভবন চত্বরের বিশেষ কারাগারে তিনি দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস বন্দি ছিলেন।

এক বর্ণাঢ্য সংগ্রামমুখর ও সফল জীবন শেখ হাসিনার। যদিও এই সাফল্যগাথা কুসুমাস্তীর্ণ নয়, বরং কণ্টকাকীর্ণ। মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস তিনি গৃহবন্দি থেকেছেন। সামরিক স্বৈরশাসনামলেও বেশ কয়েকবার তাকে কারা নির্যাতন ভোগ ও গৃহবন্দি থাকতে হয়েছে। বারবার তার জীবনের ওপর ঝুঁকি এসেছে। কমপক্ষে ২০ বার তাকে হত্যার অপচেষ্টা করা হয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও তিনি অসীম সাহসে তার লক্ষ্য অর্জনে থেকেছেন অবিচল।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এ পর্যন্ত চার মেয়াদে ক্ষমতাসীন হয়েছে। ১৯৯৬ সালে তার নেতৃত্বে দীর্ঘ ২১ বছর পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দলটি। ওই বছরের ১২ জুনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হয়ে ২৩ জুন সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। এরপর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক নির্বাচনে চার-তৃতীয়াংশ আসনে বিশাল বিজয় অর্জনের মাধ্যমে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গঠিত হয়। দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর ১২ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরপর দ্বিতীয় মেয়াদের মহাজোট সরকার গঠিত হয়। সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে ভূমিধস বিজয় অর্জনের পর ৭ জানুয়ারি টানা তৃতীয় মেয়াদে শপথ নেয় তার নেতৃত্বাধীন সরকার। এ নিয়ে মোট চারবার সরকারপ্রধানের দায়িত্বে এলেন শেখ হাসিনা। এ ছাড়া ১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৯১ সালের পঞ্চম এবং ২০০১ সালের অষ্টম সংসদে অর্থাৎ মোট তিন দফা বিরোধী দলের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

গণতন্ত্র এবং দেশের মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন-সংগ্রামে অসামান্য অবদান রাখার পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনায়ও ব্যাপক সাফল্যের পরিচয় দিয়েছেন তিনি। ১৯৯৬-২০০১ সালে তার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি ও গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি তার সরকারের অন্যতম সাফল্য। তার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার টানা ১১ বছরে দেশের বিশাল অগ্রগতি ও বিস্ময়কর উন্নতি অর্জনে সক্ষম হয়েছে। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি, একাত্তরের ঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য শেষ করা, সংবিধান সংশোধনের মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি ও সমুদ্রবক্ষে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ব্লু ইকোনমির নতুন দিগন্ত উন্মোচন, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে মহাকাশ জয়, সাবমেরিন যুগে বাংলাদেশের প্রবেশ, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন নতুন উড়াল সেতু, মহাসড়কগুলো ফোর লেনে উন্নীত করা, এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, মাথাপিছু আয় দুই হাজার ডলারে উন্নীত, গত দু’বছরে দেশের প্রবৃদ্ধি সর্বোচ্চ ৮ দশমিক ২ শতাংশে উন্নীতকরণ, দারিদ্র্যের হার কমিয়ে ২০ ভাগে নামিয়ে আনা, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২২ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাওয়া, ৯৪ ভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনা, যুগোপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়ন, সাক্ষরতার হার ৭৩ দশমিক ৯ শতাংশে উন্নীত করা, বছরের প্রথম দিন প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে নতুন বই পৌঁছে দেওয়া, মাদ্রাসা শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা ও স্বীকৃতি দান, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, প্রতিটি জেলায় একটি করে সরকারি/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ, নারী নীতি প্রণয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ, ফোর-জি মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার চালুসহ অসংখ্য ক্ষেত্রে কালোত্তীর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত ও মধ্যম আয়ের আধুনিক ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য পূরণে নিয়োজিত।

এই অঞ্চলে গণতন্ত্র, শান্তি ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং নারী শিক্ষার বিস্তার, শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস ও দারিদ্র্য বিমোচনের সংগ্রামে অসামান্য ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে দেশি-বিদেশি বেশ কিছু পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হয়েছেন শেখ হাসিনা। রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে ব্রিটিশ মিডিয়া চ্যালেন ফোর তাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাময়িকী ফোর্বস ‘লেডি অব ঢাকা’ উপাধিতে ভূষিত করেছে। দাতব্য সংগঠন ‘গ্লোবাল হোপ কোয়ালিশনের’ পরিচালনা পর্ষদ শেখ হাসিনাকে ‘স্পেশাল রিকগনিশন ফর আউটস্ট্যান্ডিং লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগে পরিবেশ সংরক্ষণে অসামান্য অবদানের জন্য ২০১৫ সালে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তিনি।

এ ছাড়া শেখ হাসিনা ভ্যাকসিন হিরো-২০১৯, সাউথ-সাউথ ভিশনারি পুরস্কার-২০১৪, শান্তি বৃক্ষ-২০১৪, জাতিসংঘ পুরস্কার-২০১৩ ও ২০১০, রোটারি শান্তি পুরস্কার-২০১৩, গোভি পুরস্কার-২০১২, সাউথ-সাউথ পুরস্কার-২০১১, ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার-২০১০, পার্ল এস. বার্ক পুরস্কার-২০০০, সিইআরইএস মেডেল-১৯৯৯, এম কে গান্ধী পুরস্কার-১৯৯৮, মাদার তেরেসা শান্তি পুরস্কার-১৯৯৮, ইউনেস্কোর ফেলিক্স হোফুয়েট-বোয়েগনি শান্তি পুরস্কার-১৯৯৮ প্রভৃতি পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হয়েছেন।

শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের পক্ষ থেকে তাকে আজ জন্মদিনের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হবে। আওয়ামী লীগের কর্মসূচিতে আরও রয়েছে আজ বাদ জোহর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ দেশের সব মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল; সকাল ১১টায় ঢাকেশ্বরী মন্দির, ৯টায় রাজধানীর মেরুল বাড্ডার আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহার, সকাল ৬টায় তেজগাঁও জকমালা রানীর গির্জা ও ১০টায় মিরপুর ব্যাপ্টিস চার্চে বিশেষ প্রার্থনা এবং বিকেল সাড়ে ৩টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউর দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল। ঢাকাসহ সারাদেশে দল ও সব সহযোগী সংগঠন স্বাস্থ্যবিধি মেনে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, বিশেষ প্রার্থনা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য সারাদেশের দল ও সহযোগী সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সংস্থার সব স্তরের নেতাকর্মী-সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

এ ছাড়া মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, কৃষক লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ, ছাত্রলীগ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ, মৎস্যজীবী লীগ, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, তাঁতী লীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর মেলা এবং আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরামসহ বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করবে।

ভারত ও চীনের শুভেচ্ছা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টিও প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছে। গণভবন সূত্র এ তথ্য জানায়।

জন্মদিন উপলক্ষে পাঠানো বার্তায় মোদি বলেন, শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। দু’দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন মোদি। ভারতের হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাশ গতকাল গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে মোদির বার্তা এবং তার পক্ষ থেকে ফুলের তোড়া পৌঁছে দেন।

এদিকে চীনের কমিউনিস্ট পার্টিও (সিপিসি) বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেছে। সিপিসি ইন্টারন্যাশনাল বিভাগের মিনিস্টার সং তাও স্বাক্ষরিত বার্তায় আগামী দিনে চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি ও আওয়ামী লীগের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

সূত্র: সমকাল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

beylikdüzü escort esenyurt escort büyükçekmece escort arnavutköy escort zeytinburnu escort sultangazi escort bahçeşehir escort kapalı escort silivri escort avcılar escort

izmir escort

antalya escort

izmir escort

antalya escort

escort Escorte escortait.com putas


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/times24/public_html/wp-includes/functions.php on line 4757

Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/times24/public_html/wp-content/plugins/really-simple-ssl/class-mixed-content-fixer.php on line 110