বাংলাদেশ

‎টাকা দিলেই আনফিট গাড়ি হয়ে যায় ফিট,   এ যেন সর্ষের  মধ্যেই ভূত

স্টাফ রিপোর্টার
‎রাজধানীর তুরাগ বি আর টিএ মেট্রোসার্কেল ৩ এ টাকা দিলেই আনফিট গাড়ি হয়ে যায় ফিট বলে অভিযোগ উঠেছে।

‎দীর্ঘদিন ধরে এই বাণিজ্যের সাথে জড়িত ইন্সপেক্টর কায়সার আলম সহ একাধিক কমকর্তা। “খোকন” নামে একজন গাড়ি চালক অভিযোগ করে  বলেন, প্রাইভেট গাড়ি গুলোতে ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা, বাস ট্রাক ২০ হাজার থেকে শুরু করে ৫০,০০০ হাজার  টাকার  পর্যন্ত দরদাম হয়।টাকা মিললেই পাবে কাঙ্ক্ষিত ফিটনেস। আর টাকা না দিলে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে গাড়ি চালকদের। এক কথায় তাদের হাতে জিম্মি আমরা।



‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক  ট্রাফিক  পুলিশের কমকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সড়কে কিভাবে আমরা শৃঙ্খলা আনবো। পিছন থেকে ভেঙে গেছে এই বাস ট্রাক গুলো ফিটনেস দিচ্ছে বি আর টিএ।সড়কের ভাঙ্গাচুরা গাড়ি আমরা সব সময় আটক করি কিন্তু আটক করার পর দেখি তাদের সকল কাগজপএ ঠিক আছে। কিভাবে তারা এই সকল গাড়ির ফিটনেস দিচ্ছে।

‎১২  মে বিকেলে  ঢাকা মেট্রো ট ১৫ ৮১ ৪৪  একটি ট্রাকের ফিটনেস  সিডিউল পেপারে চার রকম সমস্যা মার্ক করে ফিটনেস বন্ধ করে দেয় ইন্সপেক্টর কায়সার। কিন্তু ২ ঘন্টাপর ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে সেই সমস্যাকৃত গাড়িটি ফিটনেস করে দেয় ইন্সপেক্টর কায়সার। যার সকল তথ্য রয়েছে প্রতিবেদকের হাতে।

‎সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঘন্টার পর ঘন্টা সাধারণ মানুষ দাড়িয়ে থেকেও পাচ্ছে না ফিটনেস অন্যদিকে সিডিউল ছাড়াই দালালের মাধ্যমে হচ্ছে ফিটনেস।

‎রহিম নামে একজন চালক বলেন, গতকাল আমি একটি গাড়ির ফিটনেস নিতে গিয়ে ছিলাম। আমার সাথে ইন্সপেক্টর কথাই বলেনি, আমি কথা বলতে চাইলে আমার কথার কোন গুরুত্ব দেয়নি তিনি পরবর্তীতে আমি এক দালালের মাধ্যমে ৩,০০০ হাজার টাকা দিয়ে ফিটনেস করে নেই।

‎সাধারণ মানুষ আঙুল তুলছে বি আর টিএ কমকর্তাদের উপরে। তারা বলছেন সঠিক নজরদারি না থাকার কারণেই এই সমস্যায় ভূকছেন তারা। এই বিষয় বি আর টিএ কোন কমকর্তার বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি।

Related Articles

Back to top button