অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রণয় ভার্মা

সুকুমার সরকার: ইউনূস জমানা অতীত।এরপরেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সুসম্পর্ক। ছাত্র জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পতন ঘটে সাত মাস বয়সী শেখ হাসিনা সরকারের। ৮ আগস্ট ক্ষমতায় বসেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের পছন্দের নোবেল বিজয়ী ড, মুহাম্মদ ইউনূস। শুরু হয় ভারত বিরোধীতা। অপরদিকে ইউনূস নিজ উদ্যোগে চিন ও পাকিস্তানের সঙ্গে জোরালো সম্পর্ক গড়তে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন। অতি উৎসাহী কিছু ছাত্র নেতা চরম ভারত বিদ্বেষী বক্তব্য রেখে অতীতের সম্পর্ককে তলানিতে নামিয়ে আনেন, যা কখনো এমনটা ঘটেনি। কম যাননি ইউনূস সাহেবও। চিনে গিয়ে ভারতের সেভেন সিস্টারকে নিয়ে মনগড়া বক্তব্য রেখে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক বিষিয়ে তোলেন।
এই অবস্থার উওরণ ঘটে গেল ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর। বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দুজন শীর্ষ প্রতিনিধি। ফিরে আসে অতীতের ভারত বাংলাদেশের সুসম্পর্ক।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা তারেক সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বৈঠক করছেন। এর আগে বিদেশ মন্ত্রী, বিদেশ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সেরে আজ ঢাকায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে প্রণয় ভার্মা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
আজ রবিরার দুপুরে অর্থমন্ত্রীর অফিস রুমে তারা সাক্ষাতে মিলিত হন। পরে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেছেন, আমাদের মধ্যে পাস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন ইস্যু রয়েছে সেসব নিয়ে কথা হয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেসব বড় প্রকল্প রয়েছে তার অগ্রগতি নিয়েও কথা হয়েছে। বিশেষ করে প্রকল্পগুলোতে যেসব সমস্যা রয়েছে সেসব কি করে সমাধান করা যায় তা নিয়েও কথা হয়েছে।
প্রণয় ভার্মা বলেন, স্থলবন্দর ব্যবহার করে পণ্য আমদানিতে থাকা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করবে ভারত।
অর্থনৈতিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের জন্য প্রতিশ্রুত এলওসির অর্থ ছাড়েও ইতিবাচক সাড়া
দিয়েছেন তিনি।



