topআন্তর্জাতিক

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ঠেকিয়েছে সৌদি, ওমান ও কাতার

টাইমস ২৪ ডটনেট: ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা ঠেকিয়েছে সৌদি আরব, ওমান ও কাতার। এ তিন দেশের কূটনৈতিক তৎপরতায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন বলে জানিয়েছেন সৌদির এক কর্মকর্তা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) তিনি বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেছেন, “গালফ অঞ্চলের তিন দেশ দীর্ঘ, চরম, শেষ মুহূর্তের কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বোঝাতে সমর্থ হয়েছেন ইরানকে ভালো মনমানসিকতা প্রদর্শনের জন্য যেন আরেকটি সুযোগ দেওয়া হয়।”দেশগুলো ট্রাম্পকে সতর্কতা দিয়েছে যদি তিনি ইরানে হামলা চালানোর নির্দেশ দেন তাহলে এ অঞ্চলে গুরুতর ধাক্কা আসবে।যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা ও এর জবাবে ইরানের পাল্টা হামলার শঙ্কায় কাতারের দোহায় অবস্থিত আল-উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু মার্কিন সেনাকে গতকাল বুধবার সরিয়ে নেওয়া হয়। একইসঙ্গে সৌদি ও কুয়েতে অবস্থিত দূতাবাসকে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়।জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। যা গত বৃহস্পতিবার সহিংস রূপ ধারণ করে। এরপর বুধবারও সহিংসতা অব্যাহত ছিল। এই বিক্ষোভ দমনে ওই দুইদিন ব্যাপক কঠোর অবস্থানে যায় দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।


ট্রাম্প হুমকি দিয়ে আসছিলেন যদি ইরান বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা শুরু করে তাহলে তারা সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করবেন। দিন যত যাচ্ছিল তার হুমকি তত বাড়ছিল। এতে করে হামলার শঙ্কাও তীব্র হয়েছিল। কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে ট্রাম্প এ পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন।বৃহস্পতিবার সকালে ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান তিনি জানতে পেরেছেন ইরান বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা বন্ধ করেছে। এছাড়া তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরও স্থগিত করেছে। তার এ বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছিল তিনি তার আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন।সৌদির ওই কর্মকর্তা বলেছেন, “গালফ দেশগুলোর লক্ষ্য ছিল এই অঞ্চলে অনিয়ন্ত্রণযোগ্য পরিস্থিতি সৃষ্টি আটকানো। আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে বলেছি ইরানের ওপর হামলা হলে এই অঞ্চলে একের পর এক ধাক্কার পথ উন্মুক্ত হবে।”
তিনি আরও বলেছেন, “এ অঞ্চলে আরও বোমা হামলা বন্ধ করতে এটি ছিল একটি নিদ্রাহীন রাত। যে আস্থা অর্জন করা গেছে এবং বর্তমানে যে ভালো পরিবেশ আছে সেটি পাকাপোক্ত করতে যোগাযোগ এখনো অব্যাহত আছে।”

সূত্র: এএফপি।

 

Related Articles

Back to top button