topআন্তর্জাতিক

একনজরে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে প্রধান দল সমূহের অবস্থান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে মোট ১৭ হাজার ৮১৬জন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। এছাড়া দল সমর্থিত প্রার্থীরাও ২৬৫টি জাতীয় পরিষদ, ২৯৬টি পাঞ্জাব বিধানসভা, ১৩০টি সিন্ধু বিধানসভা, ১১৩টি খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি), এবং ৫১টি বেলুচিস্তান বিধানসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
এদিকে এ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে দেশটির ইতিহাসে সর্বকালের সর্ববৃহৎ অনিশ্চিত আর্থ-সামাজিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনের জন্য সকলের কাছে নতুন এক পরত্যাশা ছিল। যদিও বাস্তবে নির্বাচনের সময় নানান সন্ত্রাসী হামলার উল্লেখযোগ্য ঘটনা আবারও দেশটিতে সংকট ও অচলাবস্থার নতুন হিসেবের দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বেলুচিস্তান এবং কেপিতে সহিংস হামলা জনগণকে বেশ দুসচিন্তায় ফেলে দিয়েছে।
নির্বাচনের স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা এবং অবাধের বিষয়ে সকলের মনেই সন্দেহ ছিল। এমনকি ১১ ঘণ্টা দেশের মোবাইল এবং ইন্টারনেট পরিষেবাবন্ধ করে দেয়ায় সে সন্দেহ জনমনে আরও ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
এদিকে সরকারের এমন পদক্ষেপে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারি, জামায়াত-ই-ইসলামী পাকিস্তান (জেআইপি) এর আমির হাফিজ নাঈম উর রহমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মুস্তফা নওয়াজ খোখারসহ অন্যান্যরা ক্ষোভ জানিয়েছেন। এর আগে বৃহষপতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে শুরু হয়ে পাকিস্তানের ষোড়শ সাধারণ নির্বাচনে প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। পাকিস্তান ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ২৬৫টি আসন ছাড়াও প্রাদেশিক পরিষদের ৫৯০টি আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দেশজুড়ে ৯০ হাজার ৬৭৫টি ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিকেল ৫টায় শেষ হয় ভোটগ্রহণ।
এদিকে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন (ইসিপি) কোনো বিলম্ব না করেই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দিলেও ফল প্রকাশে দীর্ঘ বিলম্ব বিতর্কের জন্ম দেয় রাজনৈতিক দল ও জনগণের মধ্যে। তবে প্রার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে অস্থায়ী ফলাফল প্রকাশ শুরু করেছে কমিশন।

Related Articles

Back to top button