আন্তর্জাতিকলীড

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ: শীর্ষ রুশ জেনারেল নিহত

টাইমস২৪ ডটনেট: রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে চলছে তুমুল লড়াই। ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর হামলায় রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর এক শীর্ষ জেনারেল নিহত হয়েছেন। নিহত ওই রুশ সেনা কর্মকর্তার নাম মেজর জেনারেল আন্দ্রেই সুখভেতস্কি। ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় মারিউপল শহর অবরুদ্ধ করে রেখেছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী। একইসঙ্গে শহরটিতে বোমা হামলা অব্যাহত রেখেছে রুশ সেনারা। এছাড়া শহরটিতে বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার পাশাপাশি খাবার সরবরাহও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পূর্ব ইউরোপের এই দেশটির আরও বহু শহরে চলছে রুশ হামলা। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় চেরনিহিভ শহরে বৃহস্পতিবার রুশ বাহিনীর হামলায় নিহত হয়েছেন ৩৩ জন।
মারিউপল শহরের মেয়র ভাদিম বয়চেঙ্কো বলেছেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মারিউপল অবরুদ্ধ করে রেখেছে রুশ সামরিক বাহিনী। একইসঙ্গে অবরুদ্ধ করার পাশাপাশি বিদ্যুৎ, পানি, খাবার ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে তারা। তিনি আরও বলেছেন, গত ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে শহরটি অবরুদ্ধ করে রাখার পাশাপাশি অব্যাহত ভাবে হামলা চালানো হচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসিদের হাতে রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর লেনিনগ্রাদ অবরোধের কথা উল্লেখ করে ভাদিম বয়চেঙ্কো এক বিবৃতিতে বলেন, ‘লেনিনগ্রাদের মতো করে এখানে তারা অবরোধ আরোপের চেষ্টা করছে।’
নাৎসিদের হাতে রুশ শহর লেনিনগ্রাদ অবরোধের কারণে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। মারিউপল শহরের মেয়র আরও বলেন, ‘(বিচ্ছিন্ন করার পর) তারা আমাদের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ মেরামত করতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। রুশ সৈন্যরা আমাদের রেল সংযোগও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে যেন আমরা নারী, শিশু এবং বয়স্ক নাগরিকদের সরিয়ে নিতে না পারি।’
মারিউপলের সিটি কাউন্সিল জানিয়েছে, রাশিয়া ক্রমাগত এবং ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামোতে গোলাবর্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় পণ্য বা সেবা সরবরাহে এবং লোকজনকে সরিয়ে নিতে বাধা দিচ্ছে। তারা বলছে, বিদ্যুৎ ও ফোন সংযোগ অনেকাংশে বিচ্ছিন্ন। আহতদের কোথায় নিয়ে যেতে হবে সেটি চিকিৎকদের পক্ষে জানা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাড়ি-ঘর ও দোকানপাট খাদ্য এবং পানির সংকটের মুখে পড়েছে।
সিটি কাউন্সিল আরও জানিয়েছে, জাতি হিসেবে আমাদেরকে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। এটি ইউক্রেনের মানুষের বিরুদ্ধে গণহত্যা।’ চার লাখেরও বেশি বাসিন্দার মারিউপল শহরটি দখল করা রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ এই শহরটি আজভ সাগরে ইউক্রেনের কৌশলগত বন্দর এবং ডনবাস অঞ্চলে রুশ-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোর কাছেই অবস্থিত।
এদিকে উত্তরাঞ্চলীয় চেরনিহিভ শহরে বৃহস্পতিবার রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর হামলায় ৩৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৮ জন। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ থেকে ১২০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত চেরনিহিভ শহরে উত্তর দিক থেকে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে রুশ সেনারা।
অপরদিকে, ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর হামলায় রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর এক শীর্ষ জেনারেল নিহত হয়েছেন। নিহত ওই রুশ সেনা কর্মকর্তার নাম মেজর জেনারেল আন্দ্রেই সুখভেতস্কি। গত মঙ্গলবার ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর হামলায় তিনি নিহত হন।
ইউক্রেনে চলমান রুশ সামরিক অভিযানের সপ্তাহখানেকের মাথায় রুশ জেনারেলের মৃত্যুর তথ্য সামনে এলো। ৪৭ বছর বয়সী মেজর জেনারেল আন্দ্রেই সুখভেতস্কির মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে ক্রেমলিন সমর্থিত রুশ সংবাদমাধ্যম প্রাভদা জানিয়েছে, তিনি ‘ইউক্রেনে একটি বিশেষ অভিযানের সময়’ নিহত হয়েছেন।
এদিকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত বছর রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল মিলিটারি ডিস্ট্রিক্টের ৪১তম কম্বাইন্ড আর্মস আর্মির ডেপুটি কমান্ডার হিসেবে মেজর জেনারেল আন্দ্রেই সুখভেতস্কিকে নিয়োগ করেছিলেন। এছাড়াও জেনারেল সুখভেতস্কি ৭ম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের প্রধান হিসেবেও দায়িত্বপালন করছিলেন।
অবশ্য রাশিয়ার বাইরে জেনারেল সুখভেতস্কির এটিই প্রথম কোনো অভিযান ছিল না। তাস বলছে, মেজর জেনারেল আন্দ্রেই সুখভেতস্কি সিরিয়ায় কাজ করেছেন এবং সাহসিকতার জন্য রুশ প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে দুই দফায় পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
ইউক্রেনের অবকাঠামো বিষয়ক সাবেক মন্ত্রী ভলোদিমির অমেলিয়ান বৃহস্পতিবার ফক্স নিউজকে বলেন, সত্য হচ্ছে, আমরা তাকে (মেজর জেনারেল আন্দ্রেই সুখভেতস্কি) হত্যা করেছি। ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন শুরুর পর দেশটির সাবেক এই মন্ত্রী হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছেন এবং কিয়েভের মিলিশিয়াদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন।
অবশ্য জ্যেষ্ঠ এক মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালাতে গিয়ে রাশিয়ার অন্যতম শীর্ষ এই সামরিক কর্মকর্তার নিহত হওয়ার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু একাধিক প্রতিবেদনে রাশিয়ার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ভিকন্টাক্টে’-র একটি পোস্টের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে। ওই পোস্টে সের্গেই চিপিলেভ নামে রুশ সামরিক কর্মকর্তাদের এক সদস্য জেনারেল সুখভেতস্কির নিহত হওয়ার তথ্য উল্লেখ করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
ইংরেজি ভাষার রুশ সংবাদমাধ্যম প্রাভডা.আরইউ-তে প্রকাশিত একটি অনুবাদে বলা হয়েছে, সের্গেই চিপিলেভ লিখেছেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলছি, ইউক্রেনের ভূখণ্ডে বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় আমাদের বন্ধু মেজর জেনারেল আন্দ্রেই সুখভেতস্কি মারা গেছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। আমরা তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’
এদিকে জেনারেল সুখভেতস্কির নিহত হওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) সাবেক কর্মকর্তা এবং স্টেশন চিফ ড্যান হফম্যান বলেন, ‘এটি যদি সত্যি হয়ে থাকে, তবে এটি বিরাট বড় খবর।’
উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোরে ইউক্রেনে ঢুকে হামলা শুরু করে রাশিয়ান সৈন্যরা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে ইউক্রেনে এই হামলা শুরু করে। একসঙ্গে তিন দিক দিয়ে হওয়া এই হামলায় ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পড়েছে বৃষ্টির মতো। সর্বাত্মক হামলা শুরুর পর এই এক সপ্তাহেই পূর্ব ইউরোপের এই দেশটির বহু শহর কার্যত ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। সামরিক অবকাঠামোর বাইরে রাশিয়ার হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে আবাসিক ভবন, স্কুল ও হাসপাতাল। আর তাই জীবন বাঁচাতে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন ১০ লাখেরও বেশি ইউক্রেনীয়।
ইউক্রেনে রুশ এই সামরিক উপস্থিতিকে মস্কো হামলা বা যুদ্ধ না বলে শুরু থেকে ‘বিশেষ অভিযান’ বলে দাবি করে আসছে। যদিও রুশ সেনারা ইউক্রেনের সামরিক-বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে, ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলীয় একটি শহরে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর হামলায় ৩৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৮ জন। পূর্ব ইউরোপের এই দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় চেরনিহিভ শহরে বৃহস্পতিবার রুশ বাহিনী স্কুলসহ বহুতল আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টে হামলা চালালে প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে। চেরনিহিভ শহরটি ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ থেকে ১২০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। উত্তর দিক থেকে এই শহরটিতে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে রুশ সামরিক বাহিনী।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোরে ইউক্রেনে ঢুকে হামলা শুরু করে রাশিয়ান সৈন্যরা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে ইউক্রেনে এই হামলা শুরু করে। একসঙ্গে তিন দিক দিয়ে হওয়া এই হামলায় ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পড়েছে বৃষ্টির মতো।
সর্বাত্মক হামলা শুরুর পর এই এক সপ্তাহেই পূর্ব ইউরোপের এই দেশটির বহু শহর কার্যত ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। সামরিক অবকাঠামোর বাইরে রাশিয়ার হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে আবাসিক ভবন, স্কুল ও হাসপাতাল। আর তাই জীবন বাঁচাতে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন ১০ লাখেরও বেশি ইউক্রেনীয়। চেরহিনিভ শহরের ডেপুটি মেয়র রেজিনা গুসাক জানিয়েছেন, শহরে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী বোমা হামলা করেছে। এদিকে চেরহিনিভ শহরে রুশ হামলার বেশ কিছু ছবি সামনে এনেছে ইউক্রেনের জরুরি বিষয়ক দফতর। রুশ হামলায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ অ্যাপার্টমেন্টগুলো থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী বেরিয়ে আসছে এবং ভবনের ধ্বংসাবশেষ চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। এছাড়া উদ্ধারকারীদেরকে স্ট্রেচারে করে হামলায় নিহতদের মৃতদেহও বহন করতে দেখা যায়।
চেরনিহিভ অঞ্চলের গর্ভনর ব্যাচেস্লাভ চাউস টেলিগ্রামে বলেন, ‘রুশ যুদ্ধবিমান চেরনিহিভের স্টারায়া পদুসিকভা এলাকায় দু’টি স্কুলে এবং সেখানকার বাড়ি-ঘরে হামলা চালিয়েছে। উদ্ধারকারীরা ওই এলাকায় কাজ করছেন।’ এক সপ্তাহের বেশি সময় আগে রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ চালালেও মস্কো বরারবরই দাবি করছে যে, তারা বেসামরিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে না। যদিও রুশ এই দাবির বিপরীতে ব্যাপক প্রমাণ রয়েছে।
এদিকে, ইউক্রেনের জেপোরোজিয়া পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র দখলে নিয়েছে রাশিয়া। তীব্র লড়াইয়ের পর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দখলে নেয় রুশ সেনারা। ইউক্রেনের এই পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পুরো ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বড়। এর আগে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ভবনে রাশিয়ার বোমা হামলায় সেখানে আগুন ধরে যায়।
রাশিয়ার দখলে যাওয়ার পর কর্মীরা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। তারা আরও জানিয়েছে, পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্মীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং বিদ্যুৎ ইউনিটগুলোর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন। এর আগে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ভবনে রাশিয়ার বোমা হামলায় সেখানে আগুন ধরে যায় বলে জানিয়েছিল ইউক্রেনের কর্মকর্তারা। সেসময় এই পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশপাশে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের সৈন্যদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষেরও খবর সামনে আসে।
আগুন লাগার পর আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছিল, তারা ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন এবং জানতে পেরেছেন যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির অপরিহার্য অংশগুলো এখনও চলমান আছে।
এদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন লাগার খবরে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী জেনিফার গ্রানহোম টুইটারে লেখেন, ইউক্রেনের জেপোরোজিয়া পারমাণবিক কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে তিনি ইউক্রেনের জ্বালানিমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। জেনিফার বলেন, তিনি মার্কিন নিউক্লিয়ার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিমকে সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
গ্রানহোম বলেন, পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে রাশিয়ার সামরিক অভিযান অত্যন্ত বেপরোয়া পদক্ষেপ এবং এটি শেষ হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, মার্কিন পারমাণবিক নিয়ন্ত্রণ কমিশন এবং হোয়াইট হাউসের সঙ্গে পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। অবশ্য আগুনের ঘটনায় ওই পারমাণবিক কেন্দ্রে বিকিরণের মাত্রা বাড়েনি বলেও জানান তিনি।
এছাড়াও মহাকাশ থেকে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড সার্ভিস ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন ইলন মাস্ক। ইউক্রেনের কিছু কিছু অঞ্চলে ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে না বলে খবর রয়েছে। স্টারলিঙ্ক ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য যে অ্যান্টেনা প্রয়োজন হয় সে অ্যান্টেটা কোনোকিচুর আড়ালে রাখার পরামর্শ দেন। একইসঙ্গে তিনি এ পরামর্শও দিয়েছেন যে, খুব প্রয়োজন না হলে কেউ যেন এ ইন্টারনেট ব্যবহার না করেন আর করলেও অ্যান্টেটা যতটা সম্ভব দূরে রাখতে হবে। ইন্টারনেট নিরাপত্তা সংক্রান্ত একজন গবেষক কয়েকদিন আগেই সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, যেসব ডিভাইস স্যাটেলাইট সিগন্যাল গ্রহণ করে সেগুলো রাশিয়ার বিমানহামলার লক্ষ্য হতে পারে।

 

 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button