topআন্তর্জাতিক

ইরানে হামলা ও খামেনিকে হত্যা, বিক্ষোভে উত্তাল ঢাকা

টাইমস ২৪ ডটনেট : যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করে ফুঁসে উঠেছে বাংলাদেশের তৌহিদী জনতা ও সাধারণ মানুষ। গতকাল রোববার রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেইটসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক বিক্ষোভ ও শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ: আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলা এবং দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণ। গতকাল রোববার বিকালে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে হাজার-হাজার ছাত্র-জনতা ও ধর্মপ্রাণ মুসলমান উপস্থিত হন।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, ইরান একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। যারা ইসলামের উত্থান সহ্য করতে পারে না, তারা ইসরাইলকে ব্যবহার করে ইরানকে ধ্বংসের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। অতীতে ইরানের পার্লামেন্টে হামলা, অর্থনৈতিক অবরোধসহ নানা ষড়যন্ত্রের পরও দেশটির অগ্রযাত্রা থামানো যায়নি। তিনি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ড এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যার তীব্র নিন্দা জানান।
জাতিসংঘের ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত জাতিসংঘ যদি প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর পক্ষাবলম্বন করে, তবে বিশ্ববাসীর মধ্যে এর প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তিনি জাতিসংঘ ও ওআইসিকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ: ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে খেলাফত মজলিস। এদিন বাদ যোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে দলটির ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। এ সময় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে যে হামলা চালিয়েছে তা শান্তিকামী সকল মানুষের হৃদয়ে আঘাত দিয়েছে। এই হামলার মধ্য দিয়ে অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের সন্ত্রাসী রূপের আবারও বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের ওপর হামলা আমরা মেনে নিতে পারি না। ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলমান থাকা অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলা আন্তর্জাতিক রীতিনীতির পরিপন্থি। এমনকি ট্রাম্প প্রশাসন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনও লঙ্ঘন করেছে। একটি স্বাধীন দেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তিকে হত্যা করা আন্তর্জাতিক কোনো রীতিতেই পড়ে না। এ হামলায় ইরানের একটি স্কুলের শতাধিক শিশুকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল মানবতাবিরোধী চরম অপরাধ সংঘটিত করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
যৌথ অভিযানকে মানবতাবিরোধী বলছে সিপিবি: ইরানে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন, মধ্যপ্রাচ্যব্যাপী যুদ্ধ ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে বিক্ষোভ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল শেষে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করেন সিপিবির নেতা-কর্মীরা। সমাবেশে সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের দস্যুতা গোটা পৃথিবীকে নতুন করে এক মহাযুদ্ধের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। ইরানে সামরিক হামলা, রাজনৈতিক নেতাদের হত্যা, স্কুলে বোমা হামলা চালিয়ে নির্বিচার শিশু হত্যা, এমনকি ইরানের সরকারবিরোধী আন্দোলনরত বামপন্থী ও অপরাপর বিরোধী শক্তির অবস্থানসমূহে বোমা হামলা পরিচালনা করে মার্কিন ও ইসরায়েল গোটা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন ছড়িয়ে দিয়েছে। কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, ইরানে নতুন করে এই সামরিক অভিযান একটি মানবতাবিরোধী, ইরানের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী আগ্রাসন এই বর্বরতা-প্রতিবাদ থেকে বিরত থাকা বা দ্ব্যর্থতা প্রদর্শনের কোনো সুযোগ নেই। তিনি পৃথিবীর শান্তিকামী মানুষের পাশাপাশি বাংলাদেশের মুক্তিকামী জনতার প্রতি এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সংহতি আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, এককেন্দ্রিক বিশ্বে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্য গোটা পৃথিবীকে এমনভাবে গ্রাস করেছে যে বিভিন্ন জাতি ও রাষ্ট্রের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের ধারণা অর্থহীন হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তার বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে শর্তহীন মার্কিন আনুগত্যের প্রমাণ দিয়েছে। সদ্য ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারও অল্প সময়ের মধ্যেই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ তোষণ ও তাদের আজ্ঞা পালনে যে নিষ্ঠা প্রদর্শন করেছে, তাতে দেশের মানুষ ইতিমধ্যে ভীতসন্ত্রস্ত। দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রাম তীব্রতর করা এবং আন্তর্জাতিকতাবাদী সংহতি আন্দোলন জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।
আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহতের ঘটনায় এবি পার্টির শোক ও নিন্দা: ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হওয়ায় আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) গভীর শোক ও নিন্দা জানিয়েছে। রোববার এক যৌথ শোকবাণীতে এ নিন্দা জানান চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। যৌথ শোকবাণীতে বলেন, একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের শীর্ষ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতার ওপর এ ধরনের সামরিক হামলা আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন এবং এটি বিশ্বশান্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি। নেতৃদ্বয় বলেন, কোনো আগ্রাসন নয়, অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, সংযম ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে এগিয়ে আসতে হবে।
ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ মিছিল: ইরানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার প্রতিবাদে রাজধানীর উত্তরায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। এদিন সংগঠনটির সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরের নেতৃত্বে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি উত্তরার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। বিক্ষোভকারীরা ইরানের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এবং মধ্যপ্রাচ্যে আগ্রাসন বন্ধের দাবি তুলে বিভিন্ন স্লোগান দেন। উত্তরার সড়কগুলো প্রকম্পিত হয়েছে তাকবির স্লোগানে। এ ছাড়াও ছিল ‘ইরানে হামলা কেন, জাতিসংঘ জবাব দে’, ‘ইসরায়েলি আগ্রাসন, মেনে নেয়া হবে না’, ‘মার্কিন আগ্রাসন, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও, ইসরায়েলি আগ্রাসন’ প্রভৃতি স্লোগান।
বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাসদ: ইরানে মার্কিন-ইসরায়েল সামরিক হামলা ও আগ্রাসনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ। সমাবেশ থেকে অবিলম্বে ইরান, ফিলিস্তিনসহ সব সামরিক আগ্রাসন বন্ধ, কূটনৈতিক সমাধানের পথে অগ্রসর হওয়া এবং জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। এদিন বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ। বাসদের সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য নিখিল দাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন বাসদের সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য প্রকৌশলী শম্পা বসু।
সমাবেশে বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, ইরানের ওপর এই বর্বর হামলা কেবল একটি আঞ্চলিক সামরিক ঘটনা নয়; এটি সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর আধিপত্যবাদী রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। বিশ্ব পুঁজিবাদ যখন অর্থনৈতিক মন্দা, বাজার সংকোচন ও অভ্যন্তরীণ সংকটে বিপর্যস্ত, তখন তার স্বাভাবিক প্রবণতা হলো নতুন বাজার দখল, সম্পদ লুণ্ঠন ও কৌশলগত ভূখণ্ড দখলের মাধ্যমে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা। মধ্যপ্রাচ্য সেই সম্পদ লুণ্ঠন ও ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কেন্দ্রবিন্দু। ইরানকে দখল করার মধ্য দিয়ে নৌবাণিজ্য তথা তেল পরিবহনের বড় রুট হরমুজ প্রণালীর উপর সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্য-কর্তৃত্ব কায়েমের অভিপ্রায়ে এই আগ্রাসন চালানো হয়েছে। মার্কিনীরা কিছুদিন আগে ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদ লুণ্ঠনে উদ্দেশ্যে প্রেসিডেন্ট মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অন্তরীণ করে রেখেছে। ইতিপূর্বে পানামা খালের নিয়ন্ত্রণের জন্য সেদেশের প্রেসিডেন্ট নরিয়েগাকেও অপহরণ করে নিয়েছিল। সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, ইরানে চলমান উত্তেজনা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সম্ভাবনাকে উসকে দিচ্ছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, সাম্রাজ্যবাদী প্রতিদ্বন্দ্বিতা যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়, তখন তার পরিণতি হয় ভয়াবহ বৈশ্বিক সংঘাত। এই বাস্তবতায় নিরপেক্ষতা বা নীরবতা কোনো সমাধান নয়; বরং তা আগ্রাসনের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার সামিল। দেশে দেশে শ্রমজীবী মানুষ, প্রগতিশীল শক্তি ও যুদ্ধবিরোধী সংগঠনগুলোর ঐক্যবদ্ধ গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ শেষে একটি মিছিল তোপখানা রোড, পুরানা পল্টন, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা হয়ে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। এদিন বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলের সামরিক হামলা আয়াতুল্লাহ খোমেনি সহ অসংখ্য লোককে হত্যার প্রতিবাদে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড শাহীন আহমেদ সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কমরেড ডাঃ এম এ সামাদ বলেন, ইরানের উপর বিনা উস্কানিতে সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনি সহ অসংখ্য সামরিক বেসামরিক শিশু নারী পুরুষ হত্যা করেছে ও ভয়াবহ বিমান হামলায় ধংশ করছে নগর বন্দর স্থাপনা সভ্যতা। সমস্ত আন্তর্জাতিক সভ্য রীতিনীতি ও জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আমেরিকা ও ইসরাইলের সাম্রাজ্যবাদী শাসকগোষ্ঠীর বিন্দুমাত্র সে অধিকার নেই ইরানের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের উপর নির্লজ্জ ও নগ্ন হস্তক্ষেপ করা। তিনি আরও বলেন, সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা সারাবিশ্বে আজ নতুন করে যুদ্ধোন্মাদনা তৈরি করছে। ভেনেজুয়েলার উপর নগ্ন হামলা ও কিউবার উপর আগ্রাসনের ক্রমাগত হুমকির ধারাবাহিকতায় ইরানের উপর এ হামলা করা হলো, যার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বকে নতুন করে ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে আমরা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানান।

Related Articles

Back to top button