গণভোট ২০২৬ হ্যাঁ ভোটের অর্থ, না বুঝলে হবে ব্যর্থ

সৈয়দা রাশিদা বারী : এবার ২০২৬ এর গণভোট, হ্যাঁ ভোটের নির্বাচনী ইশতেহার তথা অর্থ জানতে চাইলে হোয়াটসঅ্যাপে কেউ একজন যা আমাকে পাঠিয়েছে, তা নিম্নে দেওয়া হল, যা মাত্র ১০ টা পয়েন্ট। আরো নতুন কিছু পয়েন্ট যোগ হলে ভালো হতো। জনগণ স্বাচ্ছন্দ বোধ করত।
১. হ্যাঁ মানে স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশ। ২. হ্যাঁ মানে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনা। ৩. হ্যাঁ মানে ওয়াজ মাহফিলে বাধা দেওয়া বন্ধ। আচ্ছা স্বৈরাচারিতা না করলে স্বৈরাচার আর হবে না নতুন কোন। স্বৈরাচার না থাকলে জনগণের অধিকার ক্ষুন্ন হওয়ার প্রশ্ন থাকেনা তাই অধিকার একাই ঠিক থাকে। ওয়াজ মাহফিলে কেউ বাধা দেয়, এটা মানুষের গণভোট দেওয়ার মতো ততো জানা নাই। কারণ আল্লাহর কাজে বাংলাদেশে কেউ বাধা দেয় নাকি, অলি আউলিয়ার মাজার ভাঙলেও? বরং গোটা কয়েক তুচ্ছ নিম্ন শ্রেণীর মানুষের … গাজাখোর নেশাখোরের দোষ দিয়ে, ঐতিহ্যবাহী অলি আউলিয়ার পবিত্র মাজার শরিফ ভাঙ্গা ও লুটপাট করা হয়েছে!! এইটা চরম অন্যায় কাজ! তাই হ্যাঁ মানে মাজার না ভাঙ্গা এটা একটা পয়েন্ট আসতে পারতো যদিও মন্দির বা অন্য ধর্মের উপাসনালয়ও ভাঙ্গা হয়েছে। ভিনদেশীরা এই দেশ থেকে চলে যাওয়ার সময় ভেড়ামারা পাকশীর সাড়ার বা হার্ডডিস্ক ব্রিজ ভেঙে দিয়ে গেছে! কিন্তু কোন ধর্মীয় কিছু ভাঙ্গে নাই। পীর পয়গম্বর অলি আউলিয়ার মাজার শরিফ ভেঙে দিয়ে গেছে এ নজির নাই। খ্রিষ্টান এই দেশ শাসন করেছে এরও আগে ২০০বছর প্রায়ই! মানে সেটা ছিলো বিধর্মী ইংরেজ শাসন। ৪৭ সালের দেশভাগ তাদেরই চলে যাওয়ার মাধ্যমে হয়। বিধর্মী ইংরেজও এই নির্মম সাংঘাতিক অনৈতিক কাজ করে নাই! একটা কিছু বলার আগে চিন্তা করে বলতে হয়। আর একক স্বাদ সাধ আহ্লাদ চিন্তা চেতনা ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল অনুযায়ী সিদ্ধান্ত বড়ো নয়। সার্বিক পর্যায়ের সুযোগ সুবিধা দৃষ্টি আকর্ষণ সব মিলিয়ে গ্রহণযোগ্যতায় বড়।
একটা দেশ শুধু এক জাতির মুভমেন্ট এক জাতির মানুষের প্রয়োজনের জন্য নয়। আচ্ছা বেশ ৪. হ্যাঁ মানে পাথর ইট মেরে মানুষ হত্যা বন্ধ। ৫. হ্যাঁ মানে দেশের সম্পদ লুটপাট বন্ধ। এইগুলো তো নিরাপত্তা বাহিনীর কাজ। নিরাপত্তা বাহিনীর ক্ষমতা শক্তিশালী জোরদার থাকলে এগুলো হয় না। ওরা তো দেশের হালচাল অর্ডার ওপর নড়েচড়ে। একলা কিছুই করে না তাই এগুলো নতুন কোন সিদ্ধান্ত বা আইন নয়। এগুলো আইনের ভেতর আছে পূর্ব থেকেই। যেহেতু এগুলো অন্যায় কাজ। লোকে বলছে এগুলো নতুন কোন আইন নয়। এগুলো যে আইনের ভিতর পড়ে সে আইন বল বদ না থাকলেও বহাল আছে। অলরেডি আছে। তবু হচ্ছে না কারণ অর্থ দাঁড়ায় সরকারের শাসন মানছে না তাই। এইগুলো আলাদা আইন হলে, পুলিশ বাহিনী কি কাজ করে এবং করবে? তাদের কাজ কি? পুলিশের মানতেছে না তাই এই বিভ্রান্তি গুলো হয়েছে এবং হচ্ছে! বরং এখানে ইশতেহার আনা দরকার ছিলো, যেটা এখনো পর্যন্ত কেউ আনে নাই! এবং যেটা দেশের সবচেয়ে বড় ভয়ংকর কাজ। এবং উপশম করা গুরুত্বপূর্ণ। যেটা অভিহিত ও ইন্ডিকেট হয়েছে হচ্ছে সবচেয়ে নেককারজনক মন্দ কাজ বলে। যদি ইশতেহারে বলা হতো, হ্যাঁ মানে নারী ধর্ষণ বন্ধ হবে! মায়ের জাতির নিরাপত্তা ১০০ ভাগ থাকবে। পুরুষের অন্যায়ের জন্য নারী ধর্ষণ করা যাবে না। এই ইশতেহার এখানে আনা সবার জন্য গ্রহণযোগ্য থাকতো। যেটা আর কি ফরজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদি বলা হতো হ্যাঁ মানে শিশু নাবালিকা ধর্ষণ বন্ধ হবে। শিশু নাবালক বলাৎকার করা বন্ধ হবে। আরবি শিক্ষার নামে, মাদ্রাসায় আল্লাহকে ইসলামকে ইবাদত বন্দেগীর শিক্ষাকে অবমাননা করা বন্ধ হবে। ৬. হ্যাঁ মানে দুর্নীতি দুঃশাসনের অবসান। ৭. হ্যাঁ মানে নিরপরাধের রক্ত ঝরানো বন্ধ। খুব ভালো তবে এটা তো ঘুরেফিরে একই কথা। এটা নতুন কিছু নয়। প্রশাসনের কাজ এটা। প্রশাসন আপাতত ফেল হচ্ছে কারণ প্রশাসনের দায়িত্ব সম্পূর্ণ পালন করলে এটা হয় না। আর তাছাড়া এটা তো রাজনৈতিক উত্থান পতন বা কান্ড কর্মকাণ্ড থেকেই হয়। এটা সাধারণ কাম কাজে আয় রোজগার খেটে খাওয়া মানুষ করে না। এগুলো তো জুলুম অন্যায় অত্যাচার করা থেকে হয়। সবই ঘুরে ফিরে একই কথা। বরং এখানে নারীর সুযোগ-সুবিধার কিছু নীতিমালা আনা অর্থাৎ এড করা যেতো। সেটা হতো দেওয়া নতুন ইস্তেহার মানুষকে উপহার দেওয়া। পুরুষের যেমন সুযোগ-সুবিধার নীতিমালা আছে। নারীও তো মানুষ। শিশু ও নারীর উপরের জুলুম অত্যাচার অনৈতিকতা থামানোর জন্য এখানে কিছু এই অসহায়দের উপরের অন্যায় সুধরানোর বন্দোবস্ত তুলে ধরা যেত। তাছাড়া বৃদ্ধা মায়ের উপরে নির্যাতন থামানোর নীতিমালা আবিষ্কার করা যেত। সেটা একটা নতুনত্ব হত। একের অধিক স্ত্রী রাখা যাবে না একটাও পরিবেশ ভালো রাখার এবং পরিবেশ ও প্রকৃতিবান্ধব, প্রকৃতি পরিবেশ রক্ষণশীল সমাজ সংস্কারের এটাও তো একটা সুন্দর শান্তিময় নীতিমালা হয়। এতে শান্তিময় শৃঙ্খলায় মানুষ কমে পরিবেশ বাঁচে। সুযোগ-সুবিধা ভালো কাজে অংশগ্রহণ নারী পুরুষের সমান থাকা দরকার। দেশ সমাজ রাষ্ট্র সমান তালে উন্নয়ন উন্নতির দিকে এগিয়ে নিতে, সৃজনশীল করার জন্য। পৃথিবীর বুকে শান্তিময় কল্যাণকর মঙ্গলজনক সার্বিক পর্যায়ের সম্মানিত স্থান করে নেওয়ার জন্য। ইশতেহার মানে কি? এক একজনের নির্বাচনী ইশতেহার এক একটা থাকে! মানুষের সামনে লিখিত সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ঘোষণানামা। এক এক জন নির্বাচনী ইশতেহারে শপথ ওয়াদা বদ্ধ হয়ে মানুষকে আশার স্বপ্ন দেখায়! ভালো থাকার জন্য উৎসাহিত করে। মানুষ প্রত্যাশায় লিপ্ত হয়। ভালো রাখতে ভালো থাকতে পথ দেওয়ার স্বপ্নে হিন্দলিত উৎসাহিত করে। ৮. হ্যাঁ মানে গুম খুন নির্যাতন বন্ধ। ৯. হ্যাঁ মানে শিক্ষা ও চিকিৎসায় সমতা। ১০. হ্যাঁ মানে বেকার যুবকের মুখে হাসি!!! বাহ!!! বেকার যুবকের মুখে হাসি? তো যুবতীর কি হবে?! তার বুঝি হাসি লাগবেনা!? কেন বেকার মানুষের মুখে হাসি এটা দিলেই তো হতো। যুবক যুবতী নারী-পুরুষ অ্যাড থাকতো। জনগণ কিন্তু এর অর্থ বুঝতে হেঁচকি খেয়েছে।বিভ্রান্তি হয়েছে। বিশ্লেষণে এই দোষ গুলো ধরেছে! সময় থাকতে দোষ ধরলে অন্যায় হবে কেন? যেহেতু দোষ শুধানোর পথ আছে। তাই আমি বনগ্রামের প্রত্যাশা অনুযায়ী লিখলাম! হ্যাঁ এর অর্থ জনগণের কাছে পরিশুদ্ধ হয়নি কেননা এটা নাকি একই কথা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বাক্য নতুনভাবে সাজানো হয়েছে অর্থ নতুন হয়নি। একই কথা নানান ভাবে বলা হয়েছে! নতুন কিছু সংযোজন করা, নারীর সুযোগ সুবিধা সংযোজন করা যেত ইত্যাদি। নির্বাচনী ইশতেহারে আসলে সার্বিক পর্যায়ের মানুষের নিরাপত্তা দেওয়াটাই আসল, এক নাম্বার ইশতেহার বলে জনগণ মনে করে। তাছাড়া রাজনৈতিকরা মানুষকে বিভেদ করে, করতে পারে না। কারণ একটা দেশে শুধু একই জাতি থাকে না। একই জাতির বসবাস থাকলে সেই দেশটার কোন ভ্যালু থাকে না। সেটা হয় পাড়া দেশ না। যেমন মিয়ে পারা, হিন্দু পাড়া, জালে পাড়া, মুচিপাড়া, খুলু পাড়া, মেম্বার পাড়া, চেয়ারম্যান পাড়া প্রভৃতি ইত্যাদি এমন হয়। দেশের সুশাসন চালু থাকা মানে সব ঠিক থাকা। নিরাপত্তা থাকা। দেশে মসজিদ-মন্দির গির্জা মাজার মঠ সবই থাকে। সবই থাকবে। কিন্তু জাতি হিসেবে যার যেটা ধর্ম সে সেটা করবে। কেউ কারো ধর্মের বাধা হয়ে দাঁড়াবে না, সেটার নাম দেশ।
এছাড়া নির্বাচনে যারা আসেন, এবং আসতে চান, তাদের প্রয়োজন শুধু ভালো কাজ করার। দেশের ও দশের উন্নয়ন উন্নতি ভালো কাজ করে দেখানোর। ধ্বংস করা নয়। মাইনাস করা নয় যোগ করা। যার আমলে যে যা করবে সব থাকবে। শুধু ভালো কাজ করে, কে কার থেকে বেশি দেশের উন্নয়ন করবে কনটেস্ট এটাতে হবে। আলোচনা সমালোচনা মারামারি এসব না। এসব করলে সময় মাত্র পাঁচটা বছর। এই সময় কোন পথ দিয়ে বেরিয়ে যাই?! তো পাল্লা দিয়ে সৃজনশীল ভালো কাজ করবে কখন? নারী-পুরুষের ভালো রাখবে নিরাপত্তা দেবে, এটা দেখানোর পাল্লা যে যত ভালোভাবে পারে। তত জনগণের এবং তার লাভ।কোন গিত গীবত গাওয়ার জন্য সময় পার করা না। জনগণের মাথায় বুদ্ধি আছে, ভুলভাল একটা কিছু বললেই জনগণ সেটা মেনে নেবে তা নয়। হয়তো ভয়ে চুপ থাকবে প্রতিবাদ না জানিয়ে! তো এটা আবার দেশে মানুষের ভালো থাকা হলো নাকি? কাণ নিয়ে গেল চিলে, বললেই জনগণ চিলের পিছনে দৌড়াবে না। কানে হাত দিয়ে ঠিকই দেখবে কান চিলে আদৌ নিয়েছে? না মাথার সাথেই আছে? চক্ষু কানা জ্ঞানকানা দলকানার কথা আলাদা। তারা তো শুধু নিজ দলের ভালোই দেখে। খারাপটাও ভালো দেখে। মন্দটা তুলে ধরে না এভাবে তারাই তো দলের মাথা খায়! মেয়াদ কাল শেষ হলে বা পতন হলে সেটা বোঝা যায়। ক্ষমতা বহাল থাকতে বোঝা যায় না। আলোচনা সমালোচনা করেনা শুধু প্রশংসা করে। নিজের প্রশংসা নিজে করলে কি হবে? এটাই কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য দলের ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়। নিজের দোষ গুণ বের করার জন্য আলোচক সমালোচক দলের মধ্যে থাকা ভালো। যেহেতু গণতান্ত্রিক উন্নয়নে জনগণ তো দেখে এবং বুঝে। এই দেখা এবং বুঝার সাথেই স্থায়িত্ব সম্মানের সম্পর্ক। স্থায়িত্ব ভালোবাসার সম্পর্ক! জুলুম করে ক্ষমতার জোরে ভালো থাকা থাকা আর জনগণের কাছে সাধারণভাবে ভালো থাকা এক নয়। কাজেই মুখ দিয়ে কথা ফাটিয়ে নয়। কাজ করে দেখিয়ে প্রমাণ করতে হবে। আমি বলছিলা, জনগণ বলছে এমন কথা। সম্মানিত তারেক জিয়াকে উদ্দেশ্য করে না। এবং কোন দলনেতা ক্যান্ডিডেটদের উদ্দেশ্য করে না। জনগণ বলছে রাজনীতিতে যারাই আসছে তাদের সবাইকে। কারণ জনগণ দেশের নেতার নেতৃত্ব ক্যারিয়ার প্রধানের পরবর্তী কষ্ট দেখতে চাই না। বলছে যারা রাজনীতিতে আসতে চাইছে, ব্যবসা কাজ কাম ফেলে, জনগণের সেবা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে, তারা অন্তত যোগ্যতা নিয়েই আসবেন। জনগণ রাজনীতি করতে আসা নেতা নেত্রী তাদের সবাইকে বলছে। জনগণের শান্তি দিয়ে বোঝাতে হবে প্রমাণ করতে হবে ভালো রাখা কারে বলে। কোন সরকার কেমন ভালো রেখেছে সেটাই দেখাতে হবে। চেচামেচি করে নয়। প্রতিশোধ নিয়ে নয়। রক্তাক্তর বদলা, রক্তাক্ত নয়। কিল থাপ্পড় খাওয়ার বিনিময়ে পাল্টা কিল ঘুসি থাপ্পড় দেওয়া নয়। কর্মকাণ্ডে কার পিছনে ফেলে কে কত বেশি ভালো কাজ করবে সেটা দেখাতে হবে রীতিমতো অর্জন দিয়ে। বিয়োজন বিসর্জন দিয়ে। তা না অশান্তি বিভ্রান্তি এগুলো সাধারণ মানুষ বোঝে। এইগুলো করতে যেয়ে মূল্যবান সময় পাঁচটি বছর শেষ হয়ে যায়। ফলে কোন উন্নতি উন্নয়ন করা হয় না। মানবিক মানসিক চ্যালেঞ্জ হোক, দেশের বুকে ভালো কাজ করে ভালো রাখার। সাধারণ মানুষদের ভালো থাকার ব্যবস্থা প্রতিদান দেওয়ার। প্রতিহিংসা প্রতিশোধের আগুন দাউদাউ করে জ্বললে প্রতিদান দেওয়া হয় না বরং এতে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ শান্তি পায় না। বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে কেউ কখনো শান্তি পায় না। তাই শত্রুতামূলক কারো পিছনে লাগার থেকে বরং ভালো কাজ করলে, প্রশংসা স্থায়ী হয়। কিছু লন্ডভন্ড না করে আরো কিছু ভালো কর্মকাণ্ড অ্যাড সংযুক্ত করলে, আরো কিছু সৃজনশীল প্রতিষ্ঠান করলে, মানুষের কর্মসংস্থান হয়ে আর্থিক কষ্ট, চিকিৎসা কষ্ট, অভাব অনটন দূর হয়ে, মানুষ ভালো থাকবে। সরকার প্রধানের উপর মানুষ সন্তুষ্ট হবে। এমন অর্জন যে সরকার করবে, নিঃসন্দেহে সেই সরকারও চিরদিন ভালো থাকবে। একবার দুইবার মেয়াদে থাকলেও সম্মানে থাকবে। বেশিদিন কামড়ে পড়ে ঝুলে থাকার কি দরকার। মেয়াদ হারিয়ে সাধারণ মানুষ হয়ে গেলেও সম্মানে বাঁচবে সেটাই তো ভালো। এদেশ থেকে তার কখনো পালাতে হবে না। আল্লাহ আমার দেশের সেই রকম দেশ বন্ধু মানব প্রেমিক, মানব কান্ডারী গুনোশীল দিয়ে, দেশ পরিচালনা করতে দিন। ক্ষমতা না থাকলেও আমরা তার সাথে দেখা সাক্ষাত করবো। সান্নিধ্য নেবো। সালাম শুভেচ্ছা বিনিময় করবো। বুদ্ধি পরামর্শ পাবো।ভালো জানবো, ভালোবাসবো। তার থেকে শান্তির কথা শুনবো। কোন বাধা থাকবে না তার কাছে যেতে। এমন পরিবেশ পরিস্থিতি আমার দেশে দাও আল্লাহ। হ্যাঁ জনগণের এই চাওয়া কবুল করো তুমি দয়াময় মালিক শাই আমাদের প্রভু। ভালো দেশ প্রেমিক নেতা পাওয়ার তুমিই ভরসা। তাই মানুষের চাওয়া কবুল করো। আমিন।
৩১.১.২০২৬ ইং, দুপুর ২টা, শনিবার।



