নারায়ণগঞ্জ সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এম টি ইপিআই নাজিম উদ্দিনের অনিয়ম দুর্নীতি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নারায়ণগঞ্জ সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এম টি (ইপিআই) নাজিম উদ্দিন
২০২১ সাল থেকে কর্মরত আছেন, তিনি আসার পর থেকে এই অফিসে অনিয়ম ঘুষ বানিজ্য শুরু হয়। এম টি (ইপিআই) নাজিম উদ্দিন বিগত দিনে নিজেকে আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠনের ছাত্রলীগে নেতা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছেন, সূত্র থেকে জানা যায়, গত ৮ মার্চে ২০২৫ইং তারিখে নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ডাক্তার ইসরাত জাহানকে সভাপতি করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়। পরবর্তী ১০কর্ম দিবসে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া ছিলো। অফিস সূত্রে জানা যায় নাজিম উদ্দিন প্রভাব বিস্তার করে ঘটনা দামাচাপা দেন। তদন্ত কমিটি করার পরও নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেইনি কর্তৃপক্ষ। তার অনিয়মের কিছু চিত্র তুলে হলো স্বাস্থ্য সহকারী ও সহকারী স্বাস্থ্যসহকারীদের সুবিধাজনক ওয়ার্ডে পোষ্টিং এর মাধ্যমে অর্থ গ্রহন, প্রতি ৪ মাস অন্তর ষ্টেশনারী, কলম, সাবান, কাগজ ইত্যাদি বাবদ বিল প্রায় ৩ বছর যাবৎ না দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন, সম্প্রতি টাইফয়েড টিকাদান এর ওয়ার্ড প্রতি বাজেট বরাদ্দ ছিলো ২৩০০০টাকা, নারায়ণগঞ্জ সদর স্বাস্থ্য অফিস এম টি (ইপিআই) নাজিম উদ্দিন দিয়েছে ১৩০০০টাকা, প্রতি ওয়ার্ডে দশ থেকে বারো হাজার টাকা কম দিয়ে বাকী টাকা আত্মসাৎ করেছেন, ২১টি ওয়ার্ডে এবং ৭টি ইউনিয়নের মাইকিং, পরিবহন, দৈনিক সম্মানি ভাতা, স্বাস্থ্য সহকারীদের কয়েক লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। টিসিভি প্রোগ্রামের রেজিষ্ট্রেশন বিল, মাইক্রোপ্লান বিল, মাইকিং বিল, এছারা স্বেচ্ছা সেবকদের বিল থেকে টাকা কম দিয়ে এখানেও টাকা আত্মসাৎ করেন, যে কোন সরকারি বিল HA ও AHI গণ প্রাপ্ত হলে সেখান থেকে ৩০০/৪০০/৫০০ কেটে রাখেন বা কম দিয়ে থাকেন,
AHI, HA দের স্বাক্ষর নকল করে বিভিন্ন বিলের টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে জানা যায়, প্রতি বছরের শিশু ড্রপ আউট রেজিষ্ট্রেশন বাবদ বিলে অর্থ আত্মসাৎ করেন এম টি (ইপিআই) নাজিম উদ্দিন একাধিক এনজিও কাছে টাকার বিনিময়ে জরায়ুমুখের ক্যান্সার না হওয়ার ভ্যাকসিন বিক্রি করেন, অফিসের এম টি ইপিআই কার্ড বাহিরে বিক্রি করেন। সিভিল সার্জন প্রমোশন দেওয়ার পরও শাহনাজ পারভিনকে বাদ দিয়ে সোনারগাঁও পোস্টিং ডেপুটেশনে থাকা আব্দুল আজিজকে বক্তাবলি ইউনিয়নে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে পোস্টিং দেয়। আলিরটেক ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ডের স্বাস্থ্য সহকারি সুমাইয়া আক্তারকে হুমকি দেওয়ার কথা শুনা যায়। ইতিপূর্বে পাঠানতলীএফডব্লিউসি কেন্দ্রে ৮০টা পেন্টা চাহিদা দেওয়ার পরও নাজিম উদ্দিনে পছন্দে লোক এই কেন্দ্রে না থাকায় ২০টি এবং নস্ট পেন্টাও সরবরাহ করে ছিলেন, কুতুবপুরে ৫০টি পেন্টা চাহিদা দেওয়ার পর পছন্দের ব্যক্তিকে ১২০টি পেন্টা দিয়েছিলেন। নাজিম উদ্দিন সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫জনের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলছেন বলেও অভিযোগ উঠছে।
এসকল অনিয়ম করে অবৈধ ভাবে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় আলিশান ফ্ল্যাট, মুন্সিগঞ্জে কয়েক বিঘা জমি ক্রয় করেছেন। এর আগে মুন্সিগঞ্জ আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে অফিসে সবাইকে ভয় দেখাতেন। অভিযোগের বিষয়ে নাজিম উদ্দিন বলেন আমার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ করা হয়েছে সব মিথ্যা বলে মোবাইলের লাইন কেটে দেন।



