ভাসানটেক এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী বাবুল আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার ভাসানটেক থানাধীন একটি এলাকায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত বাবুল হোসেনকে আটক করা হয়েছে। অভিযানে তার হেফাজত থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
ভাষানটেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আসলাম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “যৌথ বাহিনীর অভিযানে একজনকে আটক করা হয়েছে এবং তার হেফাজত থেকে অবৈধ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলায় তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পূর্বের অপরাধ সংশ্লিষ্টতার তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।”
এজাহার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা যায়, গত ৭ জানুয়ারি ২০২৬ রাত সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর একটি আভিযানিক দল পুলিশের উপস্থিতিতে ভাসানটেক থানার আওতাধীন একটি আবাসিক ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে। তল্লাশি চালিয়ে খাটের নিচ থেকে ধারালো ছোরা, চাকু ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, আটক বাবুল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আতঙ্কের নাম হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার তৎপরতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি বিরাজ করছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আটক বাবুল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আতঙ্কের নাম হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ৫ আগস্টের পর জমি দখল, চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এছাড়াও বিগত সময়ে তিনি আওয়ামী লীগের কিছু নেতাদের সঙ্গে নিকট সখ্যতা রক্ষা করতেন।
এক স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করে বলেন,
“এলাকায় তার নাম শুনলেই মানুষ আতঙ্কিত থাকত। অনেকেই তার জমি দখল ও চাঁদাবাজির শিকার হয়েছেন।”
অন্য একজন বলেন, “বিগত সময়ে রাজনৈতিক কিছু ব্যক্তির সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল, তাই অনেক সময় সাধারণ মানুষ বিচার পাওয়ার সুযোগ পেত না।”
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র জানায়, এই অভিযানের মাধ্যমে এলাকায় অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।



