সীমিত আয় কিন্তু ব্যয় কর্মের চাহিদা অনুপাতে

সৈয়দা রাশিদা বারী: সীমিত আই ইনকাম হলেও ব্যায় কিন্তু সীমিত নয়, ব্যায় কর্মের চাহিদা অনুসারে তার প্রয়োজন মিটিয়েই ছাড়ে। যেমন শরীরের প্রাথমিক প্রয়োজনীয় চাহিদা অনুসারে, শরীরচর্চা সম্বন্ধে বললে, শরীরচর্চার বহু ধরণ, তুলে ধরতে হয়। মোটকথা যাকে বলে শুদ্ধ ভাষায় ব্যায়াম। এটাই শরীরের মাপকাঠির ধরন বসন ভূষণ এবং ভরণপোষণ। ব্যায়ামের বহুৎ ধরণ তবে যোগব্যায়াম এবং ঘরেই জগিং করা সর্বোত্তম পদ্ধতি। লোক দেখানো নামাজ পড়া আর বাইরের জগিং সাবমিট করা। রাস্তায় দৌড় ঝাপ ঝুলুম স্লিপিং ইত্যাদি করা একই অর্থ। যেহেতু এটা ঘরেই খুব ইজিলি স্বল্প সীমিত জায়গায়ও করা যায়। শরীর চর্চার যে ধাপ, যে অর্থ যে বিশ্লেষণ, বিয়োজন, আয়োজন, প্রয়োজন রাস্তায় যে জন্য করতে যাওয়া হয়, ঘরেও এমন কি শুয়ে বসে দাঁড়িয়েও সেই একই কাজ, একই গুণ একই উপকার উপকরণ ১শত ভাগ সাবমিট সাব্যস্ত বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এটা জায়গায় স্পেসের কথা, তারপর সময়ের স্পেসের কথা? আল্লাহর ডাকা তার মানে ইবাদত বন্দেগী করা, এটা সব ধর্মের জন্য হতে পারে যেহেতু সৃষ্টিকর্তার প্রতি উপাসনা প্রত্যেক মানুষের মূল শিকড়, সর্ব প্রধান এবং প্রথম দায়িত্বের কাজ। ব্যায়ামের মধ্যে যদি সেই সাবজেক্টও সংশ্লিষ্ট থাকে তাহলে তো আর সময় নষ্ট করার প্রশ্ন, সময় অপচয়ের কষ্টটা বা ক্ষতিটা থাকে না। তাই জন্য আমরা কিন্তু সব কাজের মধ্যেই আল্লাহর স্রষ্টার ঈশ্বরের ভগবানের ডাকার রাখার ইবাদতের সংশ্লিষ্টতা রাখতে পারি। একমাত্র লেখকরা লিখতে গেলে এটা হয় না। যায় না কেননা মন অন্তর তথ্য কালেকশন ইত্যাদি মিলিয়ে লেখার মধ্যেই কোমরে পয়সা গুঁজে নিরাপদে রাখার মত মাথায় তথ্য অনুপাতে বাক্য শব্দ বর্ণ গুজে রাখা লাগে। যেন ফাঁকফোকরে বেরিয়ে না যায় হারিয়ে না যায়! তাছাড়া সব কিছু আল্লাহর ডাকতে ডাকতে করা সম্ভব। যেহেতু লিখতে লিখতে সেটা করা যায় না তাই লেখকরা কি করতে হয়? কলম হাতে নিয়ে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করে, ভিক্ষা চেয়ে নিতে হয় সাহিত্য সাধনায় অতপরিতভাবে সংশ্লিষ্ট থাকা ঐ সময়টা। কিন্তু ফাঁকে ফাঁকে তো অবশ্যই কলম বন্ধ করে আল্লাহর ধ্যানে, গুণ জ্ঞানে লিপ্ত না থাকলে লেখাও হয় না। তাই ওটা করতে হয়। ওটা করা অজান্তে এবং নিজের শরীর ও মনের প্রয়োজনেই আর মেধা সঞ্চালন, লেখায় মেধা সার্ভিস এর প্রয়োজনে, ওটা করা অটোমেটিক হয়ে যায়। ওটা না করলে লেখাও হয় না। লেখার মানসিক স্প্রিং হারিয়ে যায়। সব অকেজো নিথম্ব নিথম অচল বিচল বিকল হয়ে যায়। যার ফলে ওইটা প্রকৃতির ডাক, প্রাকৃতিক টান যেমন দৈনন্দিন চাহিদা, প্রয়োজন টয়লেট করা, গোসল করা, বিছানায় ঘুমাতে যাওয়া, খাওয়া ইত্যাদির মত অটোমেটিক হয়ে যায়। দৈনন্দিন চাহিদা না মিটিয়ে অবশিষ্ট রাখলে জীবনের সব থেমে যায়। দৈনন্দিন কাজ গুলো কেউ কারো শাসন বারণ জুলুম করে করাতে হয় না। ওটা ব্যক্তির আপন গরজে তার নিজস্ব ক্ষুধা, চাহিদা, নাস্তা জল খাবার, তৃষ্ণায় জল পান করার মত, বেঁচে থাকার শর্তে, ভালো থাকার প্রয়োজনে, সবকিছুর উন্নয়ন উন্নতির স্বার্থে ও লক্ষে করা হয়ে যায়। যদি ব্যক্তি পাগল ভারসাম্য হারা হয় তবে তার কথা আলাদা। সুস্থ ধারার মানুষের দৈনন্দিন চাহিদাগুলো মিটাবার জন্য মোটেই চাপ সৃষ্টির প্রয়োজন পড়ে না। কেউ যদি এই বিষয়ে চাপ প্রয়োগ করে তবে সেই ব্যক্তি ভারসামহীন পাগল!!! অনেক আধ্যাত্মিক অলি সুফি সাধক পন্ডিত বিশেষজ্ঞ জ্ঞানী গুণী ঋষি মনীষীর মত আমারও তো সেটাই মনে হয়। তবে আমার আজকের সাবজেক্ট শরীর মন সুস্থ রাখার পদ্ধতি জগিং। বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ এবং এখনই লিখতে মন চাচ্ছে। খুব বলতে ইচ্ছা হচ্ছে। তারপরও আজ পারছিনা। এই বিষয়ে আমি বলবো লিখবো জানাবো তবে আমার হাতের একটা পত্রিকা বিষয়ক অর্থাৎ পত্রিকার কাজটা ছেড়ে নেই। যেহেতু পত্রিকা ছাড়া এটা একটা লিমিট টাইমের জিনিস বা বিষয়। নির্ধারিত একটা তারিখের মধ্যে প্রকাশিত সম্পন্ন করতে হয়। জগিংয়ের উপকরণ গুলো স্তর বাই স্তর সাজাতে গেলে অর্থাৎ লিখতে বসলে, ওইটা উদ্ধার মিসটেক হবে। জীবনে একটা পেতে চাইলে তো একটা হারাতেই হয়। তাই আপাতত মাথার ভিতরে এই বিষয়টা ঘুর পাক খাইলেও, কাজ করলেও, দৌড় ঝাঁপ দিয়ে মাথার ভেতর থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলেও, এ বিষয়ে লেখার কলমের ক্যাপ বন্ধ করছি, তাকে ধামা চাপা দিয়ে আটকিয়ে বন্দী রাখার মতো বন্দী করে। দেখুন সময় বাঁচাতে এটা করলেও, এর ভিতরে আবার আমার রান্না করে তো খেতেও হবে। সেটাও তো সময়ের প্রশ্ন তাই না? হ্যাঁ হ্যাঁ এর নামই দৈনন্দিন চাহিদা, যাপিত জীবনের মূলধন, মূল্যবান মৌলিক কাজ। বিদায় ঐতিহ্যবাহী আগস্ট। বেদনা বিধুর আনন্দ মধুর, ঘন বরষনে, জানালাম তোমাকে রক্তিম শুভেচ্ছায় এক প্রেমের বলয়ে অপূর্ব বিদায়।
৩১. ৮.২০২৫ ইং, বেলা ১১টা, রবিবার।