হাজীক্যাম্পে টিসিবির পেঁয়াজ নিয়ে চলছে বড় ধরনের জালিয়াতি

শামীম চৌধুরী, টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: পেঁয়াজ একটা রন্ধনশিল মসলা। এই পেঁয়াজ ছাড়া যেনো রান্নার স্বাদ অপূর্ণ থাকে। কিন্তু সেই পেঁয়াজ নিয়ে যখন এক শ্রেনির মহল সিন্ডিকেট করে এবং দামের চেয়েও অধিক দামে বাজারে (২৬০ টাকা প্রতি কেজি) বিক্রয় করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পায়তার করছে,ঠিক সে সময় সরকারি উদ্যোগে পাকিস্তান থেকে( পাকিস্তাি পেঁয়াজ ৮২ টন পেঁয়াজ,নেপাল থেকে ৬২ টন পেঁয়াজ) আমদানি করলে তখন সরকারি ভাবে টিসিবির লাইসেন্স ধারি ডিলারদের মাধ্যমে ঢাকা শহরে মানুষে চেঁয়াজের চাহিদা পুরনের জন্য প্রত্যেক লাইসেন্স ধারি ডিলারদের ১০০০ কেজি পেঁয়াজ জনসাধরনে মাঝে ৪৫ টাকা দরে টিসিবির মাধ্যমে জনগনের মাঝে বিতরনে উদ্যোগ নিয়েছি। এদিকে রাজধানির আশকোনা হাজ্বী ক্যাম্প আওতাধি এলাকায় লাইসেন্সধারি ডিলারদের মাধ্যমে পেঁয়াজ বিতরনের সুযোগ করে দেয় সরকার কিন্তু ডিলারও ১০০০ কেজি পেঁয়াজ বিতরনের নিয়োম থাকলেও সেখানে অনে বড় অনিয়োম দেখা যায়। সুত্রে জানা যায় সাধারন মানুষ নেয্য মূল্যে পেঁয়াজ কেনার আশায় সকাল থেকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ি থাকতে দেখা যায়। এদিকে গত ৩ ডিসেম্বর সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, ট্রাক সেল টিসিবির পেঁয়াজের ট্রাক হাজী ক্যাম্প এসে পৌছা বেলা ২ টার পরে এবং ট্রাকে দেখা যায় ২৬ বস্তা পেঁয়াজ এবং প্রতিবস্তায় ৩০ কেজি পেঁয়াজ(৭৮০কেজি)। এ বিষয়ে ট্রাক সেল পেঁয়াজ বিক্রেতার রিপনের কাছে ১০০০ কেজি পেঁয়াজ থাকার কথা কিন্তু বাকি ২২০ কেজি পেঁয়াজ কম থাকার কারন জানতে চাইলে তারা সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তর দেয় না।
এদিকে আরো তথ্য পাওয়া যায় ট্রাক সেল পেঁয়াজ বিক্রেতা পেঁয়াজ বিক্রি করেন মুখ চিনে চিনে (তার পরিচত ব্যক্তি, পুলিশ, ব্যাটেলিয়ান সদস্য) এবং তার পরিচিতদের কাছে ২/৩ কেজি করে পেঁয়াজ বিক্রয় করছে,আর দীর্ঘ লাইন ধরে সকাল থেকে অপেক্ষামান ব্যক্তিরা পাচ্ছে না এই ৪৫ টাকা দরের এই পেঁয়াজ যার মূল্য বাজারে প্রতি কেজি ২৬০ টাকা। দীর্ঘ সময় ধরে কর্ম ব্যস্থ মানুষেরা বলেন আমার সকাল থোকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি শুধু পেঁয়াজ নেয়ার জন্য অথচো এখানেও যে বড় ধরনে দূর্নীতি, জালিয়াতি চলছে তা দেখার কেউ নাই। এদিকে পেঁয়াজ বিতরনের সময় কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা যাতে না ঘটে সে কারনে আইনশৃঙ্কলা বাহিনির উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তখন কোন আইন শৃঙ্কলা বাহিনির সদস্যদের দেখা যায়নি,সে সময় সাংবাদিকরা সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানার ওসিকে মুঠো ফোনে কল করলে টিসিবির ট্রাক সেল পেঁয়াজ বিক্রয় এলাকায় তিনি আইন শৃঙ্কলা বাহিনির সদস্যদের পাঠান। এদিকে বেলা ২টায় পেঁয়াজে ট্রাক আসলে সন্ধা সাড়ে ৫ টার মধ্যে পেঁয়াজ শেষ হয়ে গেলে প্রায় ২০০ অপেক্ষামান মানুষ পেঁয়াজ না পেয়ে ব্যার্থ হয়ে গালা-গালি দিতে দিতে ফিরে যায়। এভাবেই যদি সাধারন মানুষের সাথে জালিয়াতি করে টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রিয় ডিলার সদস্যরা তাহলে সাধারন মানুষ কোথা যেয়ে সহযোগিতা পাবে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *