আইন-অপরাধ

শরীরে স্প্লিন্টারের যন্ত্রণা বয়ে বেড়াচ্ছেন ওরা

টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: হলি আর্টিজানে হামলার রাতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গ্রেনেডে শরীরে স্প্লিন্টারবিদ্ধ হন তত্কালীন র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক (বর্তমানে বিজিবির রাজশাহী ক্যাম্পের সেক্টর কমান্ডার) কর্নেল তুহিন মোহাম্মদ মাসুদ ও গুলশান জোনের এডিসি (বর্তমানে উপকমিশনার) আব্দুল আহাদ। শরীরে স্প্লিন্টারের যন্ত্রণা এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন তারা। ঐ রাতে কূটনৈতিক এলাকার ঐ রেস্টুরেন্টে হামলার খবর খুব দ্রুতই পৌঁছে যায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে। সোয়া ৯টার মধ্যেই পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি। তবে শুরুতে ঘটনা কতটা গুরুতর সেটি বোঝা যাচ্ছিল না।
র‌্যাব-১ এর অধিনায়কের দায়িত্বে থাকা কর্নেল তুহিন মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, তখন তারাবির নামাজ পড়ছিলাম। এ সময় আমি ডিজির কাছ থেকে একটা কল রিসিভ করি। এরপরই ঘটনাস্থলে চলে যাই। তখন ডিএমপির একটি টিম একটু ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল এবং দেখার চেষ্টা করছিল যে তাদের সঙ্গে কোনোভাবে যোগাযোগ করা যায় কি না। তখনি তারা (সন্ত্রাসীরা) গ্রেনেড হামলা করে। বিস্ফোরণের পরপরই আমি দেখলাম আমার দুই পাশে দুইজন পড়ে গেলেন। এর মধ্যে একজন এসি রবিউল এবং অপরজন ওসি সালাহউদ্দিন। মাসুদ বলেন, বিস্ফোরণের পরপরই সবাই পেছন দিকে সরে আসে। ঐ বিস্ফোরণে আরো প্রায় ২০ জনের মতো আহত হয়েছিল। আমার মনে হলো পায়ের মধ্যে গরম কিছু একটা আঘাত করেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্লিডিং শুরু হলো। তখন বুঝতে পারলাম যে আমারও কিছু একটা ক্ষতি হয়েছে, ‘নিজের পায়ে নিজেই ব্যান্ডেজ করে নিই’।
অপরদিকে পুলিশের গুলশান জোনের উপকমিশনার (এডিসি) আব্দুল আহাদ সেই বীভত্সতার সাক্ষী হয়ে এখনো শরীরে যন্ত্রণা নিয়ে বেড়াচ্ছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঐ রাতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গ্রেনেডে তিনিও আহত হন। স্প্লিন্টারে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন তিনি। স্প্লিন্টারের ক্ষত স্থানে অপারেশন জরুরি। খুব শিগিগরই অপারেশন করাবেন বলে জানান তিনি।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *