রোজার অন্তর্নিহিত আদর্শ এবং শক্তি

আশিফুল ইসলাম জিন্নাহ্ঃ ইসলাম আবির্ভাবের সময় থেকে আরবী হিজরী সনের রমজান মাসব্যাপী বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ সিয়াম সাধনা পালন করে আসছে।

# রমজানের সিয়াম সাধনা মুসলিম উম্মাহকে অন্য সকল ধর্মীয় সম্প্রদায় থেকে নৈতিক বলে এবং মানবিক চিন্তায় উন্নত বলে প্রতিপন্ন করে।

# ইসলাম সাম্যবাদী ধর্ম। রমজান মাসের রোজার অভিন্ন সাম্যবাদ বিশ্ব মুসলিম ভাতৃত্ববোধ এবং বন্ধনকে আরো সুদৃয় করে।

# রোজার মাধ্যমে সারা দিন অভুক্ত থেকে সন্ধ্যায় মাগরীব আজানের সাথে ইফতার খাওয়ার মাধ্যমে দরিদ্রদের অভাব-ক্ষুধার যন্ত্রণা সম্পর্কে ধনী, সামর্থ্যবানরা বাস্তব, সম্মুখ অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ পায়।

# বিভিন্ন গবেষকদের গবেষনায় রোজা মানুষের শরীরে বছরের বাকী এগার মাসের টক্সিন/বিষাক্ত জীবাণু নিষ্কিয় করে মানবদেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে বলে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

# রোজা মানব শরীরকে মরণঘাতী ক্যান্সারের জীবাণু কোষের বিরুদ্ধে লড়তে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন এবং সহায়তা করে।

# রোজা ভঙ্গের মাধ্যমে ইফতার গ্রহন ধনী-দরিদ্র, মালিক-কর্মচারী একসাথে মিলেমিশে কাজ করার, বসার এবং খাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ করে দেয়।

# ইসলাম এক অবিনশ্বর আল্লাহর উপর আস্থা, ধৈর্য্যে বিশ্বাসী এবং বিলাসীতা, অপচয়ের বিরুদ্ধে। রোজা সেই শিক্ষাকেই ধারন করে মুসলমানদের ধর্মে একনিষ্ঠতা এবং সহিষ্ণুতার দীক্ষা দেয়।

# রোজা মানুষের স্বাভাবিক আচরণকে আরো সংযমী, নমনীয় করার শিক্ষা-দীক্ষা দেয় এবং মানুষকে নানাবিদ খারাপ চিন্তা, কাজ থেকে বিরত রাখে।

# রমজান মাসের রোজা মুসলমানদের যুদ্ধ-বিগ্রহ থেকে বিরত থাকার অনুপ্রেরণা দান করে। এজন্য রমজান মাসে মুসলমানরা অস্ত্র বিরতি পালন করে থাকে।

# মুসলমানদের রোজার অভিজ্ঞতা থেকে সারা বিশ্বের অমুসলিম গবেষক, স্বাস্থ্যবিদরা ফাস্ট থিউরী/উপবাস ধারনা উদ্ভাবন, প্রচার করেছেন এবং তা ব্যাপক সাড়াও জাগিয়েছে।

asifultasin18@gmail.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *