ঢাকা-১৮ উপনির্বাচন: দক্ষ এবং ক্লিন ইমেজেই জনগনের আস্থা

এস.এম.নাহিদ, বিশেষ প্রতিনিধি, টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা : ঢাকা-১৮ উপনির্বাচন আসন্ন।আর এই একটি আসন থেকে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ৫৬ জন। তার মধ্যে ৪ জন নারী এবং ৫২ জন পুরুষ। ইতিমধ্যে ব্যাতিক্রমী ২/১ জন ছাড়া বাকি সবাই মনোনয়ন পেতে গ্রুপিং লবিং নিয়েই ব্যাস্ত সময় পার করছেন।পাশাপাশি সাধারণ মানুষও পড়েছেন বেকায়দায়। কাকে রেখে কার ডাকে সাড়া দেবেন, কার পিছে থাকবেন, এমন দোদুল্যমান অবস্থা এখন ঢাকা-১৮ আসনের অধিকাংশ বাসিন্দাদের। এলাকার কেউ কেউ আবার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলেও শংকা প্রকাশ করেছেন। তবে সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে কোন অদক্ষ কিংবা বিতর্কিত ব্যাক্তিদের নির্বাচনে অংশ নেবার কোন সুযোগ থাকছেনা এবারকার ঢাকা-১৮ উপনির্বাচনে।জনমত জরিপেও দিন দিন ক্লিন ইমেজধারী ব্যাক্তিদের গ্রহণযোগ্যতা বেড়েই চলেছে।

২০০১ সালের বাংলাদেশ আদমশুমারিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি লক্ষ করার পর বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ২০০৮ জনসংখ্যার পরিবর্তন প্রতিফলিত করার জন্য জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ করে ঢাকা-১৮ নির্বাচনী আসন সৃষ্টি করে। ২০০৮ সালে পুনর্নির্ধারণের ফলে ঢাকা মহানগর এলাকায় ৭টি নতুন আসন যোগ করা হয়, যার ফলে রাজধানীতে আসন সংখ্যা ১৩টি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে এখন ২০টি-তে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে ১৯১নং আসন এটি। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ড এবং ঢাকা মহানগর উত্তরা, তুরাগ, বিমানবন্দর, উত্তরখান, দক্ষিণখান ও খিলক্ষেত থানা এলাকা নিয়ে ঢাকা-১৮ সংসদীয় আসন।

আর এই আসন ছিল সাবেক স্বরাষ্ট্র ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী প্রয়াত এড.সাহারা খাতুন এমপি’র শক্ত ঘাটি।এই আসনের জনগনের কাছে তিনি ছিলেন সকলের প্রিয় আপা ও শ্রদ্ধাভাজন ব্যাক্তি।এড.সাহারা খাতুনের অকাল প্রয়াণে এলাকার জনগণ হারিয়েছেন তাদের প্রিয় এক অভিভাবককে।আসন্ন উপনির্বাচনে এখন অনেক মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্য থেকে তাই তারই ছোট বোন নাজমা আক্তারকে চুড়ান্ত মনোনয়নের সম্মতি দিয়ে প্রয়াত সাহারা খাতুনের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পেতে চান ঢাকা-১৮ নির্বাচনী আসনের সর্বস্তরের জনগণ।
লায়ন্স ক্লাব,উত্তরা ক্লাব সহ ঢাকা উত্তরের বিভিন্ন মাদ্রাসা মসজিদ ও এতিমখানার আজীবন দাতা সদস্য লায়ন নাজমা আক্তার একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতির ধারক ও বাহক।বংগবন্ধুর আদর্শিত বংগকন্যা শেখ হাসিনার স্নেহভাজন এবং সত্য সততা ও ক্লিন ইমেজ সম্পন্ন এই মহিয়ষী নারী।বিগত সংসদ নির্বাচনে বড় বোন সাহারা খাতুনের পক্ষে নির্বাচনী ক্যাম্পেইন পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ দায়ীত্ব পালন করেন। স্কুল জীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতি দিয়ে শুরু হয় তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার।শিক্ষা জীবনে অর্জন করেন বিএ(সন্মান) ডিগ্রি।সংসার জীবনে পদার্পণ করে সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের নিমিত্তে রাজনীতির মাঠে খুব একটা সময় দিতে না পারলেও বিচরণ করেছেন আওয়ামী পরিবারের সকল স্তরে। জোষ্ঠ্যদের স্নেহ ভালবাসায় তিনি কুড়িয়েছেন আস্থা ও সন্মান। পাশাপাশি আওয়ামী পরিবারের কাছেও তিনি ছিলেন একজন আস্থাবান ব্যাক্তি হিসেবে।নাজমা আক্তার বর্তমানে চার চারটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়ীত্ব পালন করছেন।সন্তানদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে তাই এখন তিনি বড় বোন প্রয়াত সাহারা খাতুনের সকল অসম্পূর্ণ কাজগুলো ঢাকা-১৮ আসনের জনগণকে সাথে নিয়ে নিরলস ভাবে সম্পন্ন করতে চান।এমনকি এইসবের বাইরেও যদি প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা কোন দায়িত্ব পালনে নির্দেশ দেন সেটিও তিনি সংশ্লিষ্ট মহলকে সাথে নিয়ে সততা ও নিষ্ঠা দিয়ে অক্ষরে অক্ষরে পালন করবেন।


এতিম অসহায় ও দুস্থদের সেবায় নিবেদিত সকলের প্রিয় নাজমা আক্তার একটি পরিচ্ছন্ন রাজনীতির ধারক ও বাহক।আসন্ন ঢাকা-১৮ উপনির্বাচনে নাজমা আক্তারও তাই হতে পারে একজন সৎ স্বচ্ছ ও নেতৃত্বের পূর্ণতায় কাণায় কাণায় পরিপূর্ণ প্রয়াত সাহারা খাতুনের মত নিরহংকারী নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি।
আর্ত মানবতায় নিবেদিত লায়ন্স ক্লাবের আজীবন সদস্য নাজমা আক্তার মানুষের পাশে থেকে তাদের উন্নয়নের জন্য কাজ করার লক্ষ্যেই রাজনীতিতে আসার অন্যতম ও প্রধান কারণ।পাশাপাশি বিশিষ্ট নেত্রী সাহারা খাতুনের স্নেহধন্য ছোট বোন নাজমা আক্তার তার বোনের অসমাপ্ত সমাজসেবামূলক কাজ যেমন, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা, মসজিদ মাদ্রাসার উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য লক্ষ্য নিয়ে ঢাকা ১৮ আসন উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে মানুষের পাশে থাকতে চান।প্রয়াত সাহারা খাতুনের হাত ধরে উত্তর এলাকাবাসী পেয়েছে এক আধুনিক শহর। রাস্তাঘাট, মসজিদ- মাদ্রাসা, পুরো শহর ব্যবস্থায় এসেছে আধুনিকতার ছোঁয়া।


সাহারা খাতুনের অকাল প্রয়াণে অনেক সমাজ সেবামূলক কাজে তিনি অসমাপ্ত রেখে গিয়েছেন। তাই তার সকল উন্নয়ন মূলক কাজ যেগুলো অসমাপ্ত রয়ে গিয়েছে সে গুলোকে সামনে এগিয়ে নিতে ৪টি গ্রুপ অব কোম্পানির চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সমাজসেবক নাজমা আক্তার নৌকার কান্ডারী হিসেবে কাজ করে
রাস্তাঘাট, স্কুল- কলেজ এবং মসজিদ-মাদরাসা উন্নয়ন ও বেকারত্ব ঘুচিয়ে মানুষের কর্মসংস্থান সুযোগ তৈরী করার মাধ্যমে বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে তিনি সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান।
এতিম অসহায় ও দুস্থদের সেবায় নিবেদিত সকলের প্রিয় নাজমা আক্তারও তাই হতে পারে একজন সৎ স্বচ্ছ ও নেতৃত্বের পূর্ণতায় কাণায় কাণায় পরিপূর্ণ প্রয়াত সাহারা খাতুনের মত নিরহংকারী নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

etiler escort taksim escort beşiktaş escort escort beylikdüzü