কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক সেন্ট জনস চার্চে আগুন (ভিডিও)

টাইমস ২৪ ডটনেট, আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে শেতাঙ্গ পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি হত্যার প্রতিবাদে ঐতিহাসিক সেন্ট জনস চার্চে আগুন দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাসভবন হোয়াইট হাউস থেকে তিনশ গজ দূরে অবস্থিত এই চার্চটি।ওয়াশিংটন ডিসির এক বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত নির্মাণ সৌকর্য হিসেবে বিবেচনা করা হয় চার্চটিকে।দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, রোববার রাতে বিক্ষোভের একপর্যায়ে হোয়াইট হাউসের কাছেই অবস্থিত ঐতিহাসিক সেন্ট জনস চার্চে আগুন ধরিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা।
ওয়াশিংটন ডিসিরি লাফায়েট স্কয়ার থেকে এক হাজারের বেশি বিক্ষোভকারী মিছিল নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাসভবন হোয়াইট হাউসের সামনে জড়ো হন।সন্ধ্যা নামার পর তারা রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। তারা আমেরিকান পতাকা ও বেশ কয়েকটি গাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেন। এসময় তাদের থামানোর চেষ্টা করে পুলিশ। সেই সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের তুমুল সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ। এসময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের কয়েক দফা সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে রূপ নেয় হোয়াইট হাউস এলাকা। সংঘর্ষের একপর্যায়ে হোয়াইট হাউজের পাশেই ঐতিহাসিক সেন্ট জনস চার্চে কয়েক দফা আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। চার্চে আগুন ধরিয়ে দেয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঘটনাস্থলে যাতে পৌঁছাতে পারে সেজন্যে পুলিশ টিয়ারগ্যাস মেরে বিক্ষোভকারীদের হটিয়ে দেয়।
এরপর বিক্ষোভকারীরা আমেরিকান ফেডারেশন অব লেবার অ্যান্ড কংগ্রেস অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল অর্গানাইজেশনের অফিসে হামলা করেন। অফিসের জানালা-দরজার কাচ ভেঙে ফেলা হয় এবং ভেতরের লবিতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া ওয়াশিংটন মনুমেন্টের সামনে আগুন ধরিয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা।
প্রসঙ্গত ২৫ মে শেতাঙ্গ পুলিশের হাতে জর্জ ফ্লয়েড নামে এক কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এরপর থেকে এ আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্র হয়ে ওঠে। এরপর থেকে টানা ৬ দিন ধরে বিক্ষোভ চলছে।

সূত্র: এপি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

etiler escort taksim escort beşiktaş escort escort beylikdüzü