ময়মনসিংহ বিভাগ

এক নজরে ময়মনসিংহ বিভাগ

টাইমস ২৪ ডটনেট, ময়মনসিংহ অফিস: ময়মনসিংহ বিভাগ সৃষ্টি : সরকার বিগত ১৩ অক্টোবর, ২০১৫ খ্রি. তারিখে গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর এবং নেত্রকোণা জেলা সমন্বয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ সৃষ্টি করেছে।ময়মনসিংহ বিভাগ :
জেলার নাম জেলার আয়তন উপজেলার সংখ্যা পৌরসভার সংখ্যা ইউনিয়ন মোট গ্রামের সংখ্যা জনসংখ্যা মোট ভোটার
ময়মনসিংহ ৪৩৬৩.৪৮বর্গ কিঃ মিঃ ১৩টি ১০টি ১৪৬টি ২৬৯২টি ৫৩,১৩,১৬৩ জন ৩৫,৯৪,৪৯৩ জন
জামালপুর ২০৩১বর্গ কিঃ মিঃ ০৭টি ০৭টি ৬৭টি ১৩৬২টি ২৩,৮৪৮১০ জন ১৫,৯৭,২৫৫ জন
নেত্রকোণা ২৭৯৪বর্গ কিঃ মিঃ ১০টি ০৫টি ৮৬টি ২২৯৯টি ২২,০৭,০০০ জন ১৪,৬৬,১১৬ জন
শেরপুর ১৩৬৩.৭৬ বর্গ কিঃ মিঃ ০৫টি ০৫টি ৫২টি ৮৯৩টি ১৫,৪২,৬১০ জন ৯,৯২,১৯১ জন
সর্বমোট ১০৫৫২বর্গ কিঃমিঃ ৩৫টি ২৭টি ৩৫১টি ৭২৪৬ টি ১,১৪,৪৭,৫৮৩ জন ৭৭,১২,৩৫৯ জনময়মনসিংহ বিভাগের বর্তমান ভোটার সংখ্যা :
ক্র: নং জেলার নাম পুরুষ ভোটার মহিলা ভোটার মোট ভোটার
01. ময়মনসিংহ ১৮,১৫,৮৭০ ১৭,৭৮,৬১৬ ৩৫,৯৪,৪৯৩
02. জামালপুর ৭৮,৮,৭৬৯ ৮,০৮,৪৮৬ ১৫,৯৭,২৫৫
03. নেত্রকোণা ৭,৬৮,৬৮৮ ৭,৫৯,৭৩২ ১৫,২৮,৪২০
04. শেরপুর ৪,৯২,৬৪৫ ৪,৯৯,৫৪৬ ৯,৯২,১৯১
সর্বমোট ৩৮,৬৫,৯৭৯ জন ৩৮,৪৬,৩৮০ জন ৭৭,১২,৩৫৯ জনময়মনসিংহ বিভাগের ০৪ জেলার সংসদীয় আসন সংখ্যার তথ্যাদি :
ক্র: নং জেলার নাম সংসদীয় আসন সংখ্যা
01. ময়মনসিংহ ১১টি
02. জামালপুর ০৫টি
03. নেত্রকোণা ০৫টি
04. শেরপুর ০৩টি
সর্বমোট সংসদীয় আসন ২৪টি

ময়মনসিংহ বিভাগের দর্শনীয় স্হান :ময়মনসিংহ জেলাঃ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
আলেকজান্ডার ক্যাসেল
জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা
সার্কিট হাউস
রামগোপালপুর জমিদারবাড়ি
বিপিন পার্ক
বোটানিক্যাল গার্ডেন
ব্রক্ষপুত্র নদ
গৌরীপুর রাজবাড়ি
কেল্লা তাজপুর
নেত্রকোণা জেলাঃ
হয়রত শাহ সুলতান কমর উদ্দিন রুমী (রাঃ) এঁর মাজার শরীফ নেত্রকোণা সদর।
বিজয়পুর পাহাড়ে চিনামাটির নৈসর্গিক কাজ
টংক আন্দোলনের স্মৃতি সৌধ
রানীখং মিশন টিলাতে ক্যাথলিক গির্জা
বিরিশিরি কালচারাল একাডেমি
কমলা রানীর দীঘি
নইদ্যা ঠাকুরের ভিটা
রাশমনি স্মৃতি সৌধ,দূর্গাপুর
লেংগুরা, চেংটি, গোবিন্দপুরের পাহাড়ের নৈসর্গিক দৃশ্য, কলমাকান্দা
সাত শহীদের মাজার কলমাকান্দা
জামালপুর জেলাঃ
হয়রত শাহ জামাল (রাঃ) এঁর মাজার শরীফ, জামালপুর সদর
হয়রত শাহ কামাল (রাঃ) এঁর মাজার শরীফ,মেলান্দহ
দয়াময়ী মন্দির, জামালপুর শহর।
লাওচাপড়া পিকনিক স্পট, বকশীগঞ্জ
যমুনা ফার্টিলাইজার, তারাকান্দি, সরিষাবাড়ী
শেরপুর জেলাঃ
গজনী অবকাশ কেন্দ্র
মধুটিলা ইকো পার্ক
নয়াবাড়ির টিলা
রাজার পাহাড় থেকে বাবলাকোনা
পানি হাতা তারানি পাহাড়
অর্কিড পর্যটন কেন্দ্র
নাকুগাঁও স্হল বন্দর
ময়মনসিংহ বিভাগের ভিক্ষুক সংখ্যা, পুনর্বাসিত ভিক্ষুক সংখ্যা এবং 01 দিনের মূল বেতন বাবদ প্রাপ্ত অর্থ সংক্রান্ত তথ্য (জুন’18)
ক্র: নং জেলার নাম ভিক্ষুকের সংখ্যা (জন) পুনর্বাসিত ভিক্ষুকের সংখ্যা (জন) 01 (এক) দিনের মূল বেতন বাবদ প্রাপ্ত অর্থ (টাকা)
1 ময়মনসিংহ 10,733 673 1,31,03,282/-
2 নেত্রকোণা 4484 373 42,13,092/-
3 জামালপুর 3552 1566 56,31,563/-
4 শেরপুর 3895 667 63,00,000/-
মোট = 23,628 জন 3,279 জন 2,92,47,937/-(দুই কোটি বিরানব্বই লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার নয়শত সাঁইত্রিশ) টাকা ভিক্ষুক পুনর্বাসন কমিটি :- ক) জেলা কমিটি = 04টি, খ) উপজেলা কমিটি= 35টি, গ) ইউনিয়ন কমিটি= 302টি
ভিক্ষুক পুনর্বাসনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও পুনর্বাসন তহবিল হতে গত 06/03/2018 খ্রি. তারিখে নিম্নোক্ত বিভাজন অনুযায়ী 1 কোটি 95 লক্ষ টাকার বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছে
ক্র: নং জেলার নাম বরাদ্দকৃত টাকার পরিমাণ মন্তব্য
1 ময়মনসিংহ 70,00,000/-
2 নেত্রকোণা 35,00,000/-
3 জামালপুর 50,00,000/-
4 শেরপুর 40,00,000/-
মোট 1,95,00,000/-(এক কোটি 95 লক্ষ) টাকা ময়মনসিংহ বিভাগের 2017 ও 2018 সালের প্রতিরোধকৃত বাল্য বিবাহের সংখ্যা
ক্র: নং জেলার নাম 2017 সালের প্রতিরোধকৃত বাল্য বিবাহের সংখ্যা মন্তব্য
জানুয়ারি’17 – ডিসেম্বর’17 জানুয়ারি’18 – জুন’18
1 ময়মনসিংহ 113 – –
2 নেত্রকোণা 39 – –
3 জামালপুর 106 – –
4 শেরপুর 166 – –
মোট = 424 – -ডিজিটাল বাংলাদেশঃ মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম এর মাধ্যমে পাঠদান (ময়মনসিংহ বিভাগের তথ্যাদি)
ক্র: নং জেলার নাম মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম প্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা চালুকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা চালু নেই এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা
1 ময়মনসিংহ ৭৪৮টি 586 টি 2437 টি
2 জামালপুর ৪৪৪টি 287 টি 98 টি
3 নেত্রকোণা ২৪৯টি 172 টি 1279 টি
4 শেরপুর ২৬৬টি 163 টি 789 টি
মোট ১৭০৭ টি 1208 টি 4603 টিময়মনসিংহ বিভাগের সরকারি/বেসরকারি/রেজিষ্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা
ক্র : নং জেলার নাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মন্তব্য
স্কুলের সংখ্যা ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা
1 ময়মনসিংহ ২১৩৮ ৮,৫২,২০৩ –
2 নেত্রকোণা ১৩১৫ ৪,০৬,৬৯৬ –
3 জামালপুর ১১৫৯ ২,০৮,৯৩১ –
4 শেরপুর ৭৪২ ২,২৮,৪৬০ –
মোট ৫,৩৫৪ ১৬,৯৬,২৯০ -ময়মনসিংহ বিভাগের মিড ডে মিল ও টিফিন বক্স বিতরণ সংক্রান্ত তথ্যাদি (জুন/2018)
জেলার নাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা স্থানীয় উদ্যোগে সরবরাহকৃত টিফিন বক্স (এনজিও/ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান) বিদ্যালয়ে রান্না করে খাবার সরবরাহ করা হয় স্থানীয় উদ্যোগে সরবরাহকৃত খাবার/টিফিন(এনজিও/ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান) স্কুল ফিডিং প্রকল্পের আওতায় বিস্কুট সরবরাহ করা হয়
বিদ্যালয়ের সংখ্যা ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বিদ্যালয়ের সংখ্যা ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বিদ্যালয়ের সংখ্যা ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বিদ্যালয়ের সংখ্যা ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা
ময়মনসিংহ ২১৩৮ ১৭৯৮ ২৯৭৭৩২ ০১ ২০৭ ৪৬৬ ৬৪১৪৯ ১২২৩ ৩৩৩৪৫৫
নেত্রকোণা 1315 1315 147205 – – – – 172 34220
জামালপুর ১১৫৯ ১১৫৯ ২০৮৯৩১ ২১ ৫৪৭৮ ৬৯৬ ১২১৯৩৭ ৪৪২ ৮১৫১৬
শেরপুর ৭৪২ ৫৭৭ ১,১৯০৮০ ০২ ৪৯৬ – – ২২৩ ৪২৩৯০
মোট = ৫,৩৫৪ * ৪,৮৪৯ ৭,৭২,৯৪৮ ২৪ ৬,১৮১ ১,১৬২ ১,৮৬,০৮৬ ২,০৬০ ৪,৯১,৫৮১* বিভাগ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগেই অধিকাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টিফিন বক্স সরবরাহ করা হয়েছে।মোবাইল কোর্ট পরিচালনা সংক্রান্ত মাসিক প্রতিবেদন (জুন/2018)
জেলা উপজেলার সংখ্যা প্রমাপ মোবাইল কোর্টের সংখ্যা মামলার সংখ্যা আদায়কৃত জরিমানা (টাকায়) আসামীর সংখ্যা
বিবেচ্য মাস মে২০১৮ বিবেচ্য মাস মে২০১৮ বিবেচ্য মাস মে/২০১৮ বিবেচ্য মাস মে২০১৮
ময়মনসিংহ ১৩ ৬০ ৪৪ ৬০ ৮২ ২০৪ ৫,৭১,৬৫০/- ৬,৯৩,২০০/- ৮৭ ২৩৪
নেত্রকোণা ১০ ৪৫ ৪৪ ৬৩ ১০৩ 179 ১,৭৩,১০০/- 4,30,000/- ১১০ 187
জামালপুর ৭ ৩৫ ৩২ ৩4 ৬৫ 101 ৪,৭২,৯৫০/- 91,400/- ৬৫ 101
শেরপুর ৫ ৩০ ১৪ 26 ১৮ 70 ৫৯,৫০০/- 1,64,100/- ২২ 68
মোট ৩৫ ১৭০ ১৩৪ ১৮৩ ২৬৮ ৫৫৪ ১২,৭৭,২০০/- ১৩,৭৮,৭০০/- ২৮৪ ৫৯০ময়মনসিংহ বিভাগের উল্লেখযোগ্য অর্জনসমূহ :
জনবান্ধব উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস বিনির্মাণের জন্য গৃহীত 24 টি উদ্যোগ অধিকাংশ বাস্তবায়িত হয়েছে।
জনবান্ধব উপজেলা প্রশাসন বিনির্মাণের জন্য গৃহীত 39 টি পদক্ষেপসমূহ বাস্তবায়িত হচ্ছে।
মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত এবং ঝরে পড়া রোধকল্পে এ বিভাগের মোট 04 টি জেলায় 4849 টি বিদ্যালয়ে 7,72,948 টি টিফিন বক্সা বিতরণ করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ বিভাগের সকল উপজেলায় ভিক্ষুক জরিপ ও পুনর্বাসন তহবিল গঠন করা হয়েছে। এ বিভাগের চারটি জেলায় চূড়ান্তভাবে জরিপকৃত ভিক্ষুক সংখ্যা 22,704 জন; তন্মধ্যে 3,279 জনকে ইতোমধ্যে পুনর্বাসন করা হয়েছে। এ তহবিলে সরকারি কর্মচারীদের 01 দিনের বেতন হিসেবে 2,92,47,937/- (দুই কোটি বিরানব্বই লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার নয়শত সাঁয়ত্রিশ) টাকা জমা হয়েছে।
সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিরসনে জেলা পর্যায়ে 09 টি, উপজেলা পর্যায়ে 105 টি, পৌরসভা 75 টি এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে 765 টি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হয়েছে।
2016-17 সালে 664 টি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা হয়েছে। 2017 সালে ‍এ পর্যন্ত ময়মনসিংহের 113টি, নেত্রকোণার 39টি, জামালপুরের 106 টি এবং শেরপুরের 166 টি সহ মোট 424 টি বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করা হয়েছে। 2018 সনের মধ্যে অধিকাংশ উপজেলাকে বাল্য বিবাহমুক্ত করার কর্মপরিকল্পনা রয়েছে।
ভূমি বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকার কারণে জমি হস্তান্তর ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে জনগণকে প্রায়ই বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এ বিষয়টিকে সামনে রেখে ভূমি বিষয়ক প্রাথমিক ধারণা প্রদানের জন্য সকল উপজেলা ভূমি অফিসের উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রোথ সেন্টার, ইউনিয়ন পরিষদে ভূমি শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
আরওআর, নামজারি ও বিবিধ মামলার নথিসমূহ যথাযথভাবে সংরক্ষণের জন্য সকল উপজেলা ভূমি অফিসের রেকর্ডরুম সংস্কার করা হয়েছে এবং সাল ভিত্তিক সজ্জিতকরণ করা হয়েছ।
নামজারি ও বিবিধ মামলার নথিগুলো সালওয়ারি বিন্যস্ত করে কালার কোডিং এর মাধ্যমে উপজেলা ভূমি অফিসের রেকর্ডরুমে সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং হচ্ছে।
11তম শিক্ষা বোর্ড হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ গঠন করা হয়েছে।
নবসৃষ্ট ময়মনসিংহ বিভাগের বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কার্যালয়ের আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের জায়গা এবং অস্থায়ী ভবনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এবারই প্রথম এ বিভাগের 38তম বিসিএস প্রিলিমিনারী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ময়মনসিংহ বিভাগীয় কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

ময়মনসিংহ আঞ্চলিক স্কাউটস অফিস স্থাপন করা হয়েছে।
প্রত্যেক কর্মকর্তা/কর্মচারীর জন্য 60 ঘন্টা প্রশিক্ষণ নিশ্চিতকরণ।
বিভাগীয় শহরের বাস্তবায়ন অগ্রগতি :
ব্রহ্মপুত্র নদের অপর পাড়ে ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় অবস্থিত 08 টি মৌজায় 4366.88 একর ভূমিতে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত নতুন বিভাগীয় শহর‍ ও বিভাগীয় সদর দপ্তর প্রতিষ্ঠার জন্য নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর একটি ভূমি ব্যবহার মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী 17 আগষ্ট 2016 তারিখে 14টি নির্দেশনাসহ উক্ত ভূমি ব্যবহার মহাপরিকল্পনাটি অনুমোদন করেন।
ব্রহ্মপুত্র নদের উপর তিনটি নান্দনিক সেতু দ্বারা নতুন শহরটি পুরাতন শহরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। নতুন শহরের রাস্তাগুলোর প্রশস্থতা হবে 150 ফুট ও 100 ফুট। দাপ্তরিক, আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধূলা, বিনোদন ইত্যাদি ব্লকগুলো থাকবে আলাদা আলাদা। সুপরিসর একটি প্রাকৃতিক লেকের পাড়ে থাকবে আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার, বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার, মিউজিয়াম, হোটেল-মোটেলসহ নান্দনিক অনেক স্থাপনা।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে 4366.88 একর ভূমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিকার শাখার বিগত 08/12/2016 খ্রি. তারিখের 04.00.0000.721.06.001.15-126 নং স্মারকে বিভাগীয় কমিশনারকে সমুদয় ভূমি (4366.88 একর) অধিগ্রহণের জন্য প্রত্যাশী সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক, ময়মনসিংহ ভূমি অধিগ্রহণের প্রাথমিক কার্যক্রমও প্রায় চূড়ান্ত করেছে। প্রাথমিক হিসাবে ভূমি অধিগ্রহণ বাবদ ৩৩৯০,৬২,২৫,১৯১/- (তিন হাজার তিনশত নব্বই কোটি বাষট্টি লক্ষ পঁচিশ হাজার একশত একানব্বই) টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার, ময়মনসিংহ উক্ত অর্থ বরাদ্দের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব প্রেরণ করেছেন।
মাননীয় অর্থমন্ত্রী একটি ডিপিপি প্রণয়নপূর্বক অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব প্রেরণের জন্য মাননীয় জনপ্রশাসন মন্ত্রীকে অনুরোধ করেন। তৎপ্রেক্ষিতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে ভূমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন ব্যয় বাবদ 7677 কোটি টাকার ডিপিপি প্রণয়ন করা হয়েছে, যা বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মাননীয় জনপ্রশাসন মন্ত্রী মহোদয় বিগত 04/07/2017 খ্রি. তারিখে নবগঠিত ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় সদর দপ্তর ও নতুন বিভাগীয় শহর প্রতিষ্ঠাকল্পে ভূমি অধিগ্রহণ প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ভূমি অধিগ্রহণ বাবদ 3300 কোটি এবং অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ 3000 কোটি টাকা সহ মোট 6300 কোটি টাকা 2017-18 অর্থ বছরে বিশেষ মঞ্জুরী হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে বরাদ্দ প্রদানের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে আধা-সরকারি পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিগত 17/11/17 খ্রি. তারিখে অর্থ বরাদ্দের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে কে সানুগ্রহ নির্দেশনা প্রদান করেছেন। এখনো অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যায়নি।
প্রস্তাবিত ভূমি অধিগ্রহণের ফলে যে সকল ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তাদের জমি, বসতবাড়ী, গাছপালাসহ অন্যান্য যাবতীয় অবকাঠামোর উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে মর্মে স্থানীয় অধিবাসদের বিভিন্নভাবে জানানো হচ্ছে। অধিকন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় নির্দেশনানুযায়ী ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে নতুন শহরের বিভিন্ন স্থানে পুনর্বাসন করা হবে মর্মেও তাদেরকে অবহিত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রস্তাবিত শহরের অভ্যন্তরে ক্ষতিগ্রস্থদের বসতবাড়ীর নিকটবর্তী 52 টি এলাকা চিহ্নিত করেছেন। জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা নিয়ে প্রস্তাবিত এলাকার ভূমি অধিগ্রহণের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। ‍
নবগঠিত ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় সদর দপ্তরের জন্য নির্ধারিত 114.3775 একর ভূমি চিহ্নিত করা হয়েছে । বর্ণিত ভূমিতে বিভাগীয় সদর দপ্তর, অভ্যন্তরীণ রাস্তা নির্মাণ ও অন্যান্য স্থাপনার ডিজিটাল সার্ভে নক্সা প্রণয়নের জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী, ময়মনসিংহ গণপূর্ত বিভাগ, ময়মনসিংহকে অনুরোধ করা হয়েছে। ডিজিটাল সার্ভে নক্সা প্রণয়নের জন্য সরেজমিনে যেতে হয়। কিন্তু অধিগ্রহণের বিপক্ষে ক্ষতিগ্রস্থ স্থানীয় লোকজনের বিরোধিতার কারণে নির্বাহী প্রকৌশলী কর্তৃক সরেজমিনে পরিমাপ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে ডিজিটাল সার্ভে নক্সা প্রণয়ন বিলম্বিত হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলাপ আলোচনা অব্যাহত আছে।
গত 22/02/2018 তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুমদখল আইন, 2017 এর 4(1) ধারা অনুযায়ী নোটিশ জারি এবং সরেজমিনে যৌথ জরিপ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মোট এল.এ কেসের সংখ্যা 05 টি। তন্মধ্যে 01 টি এল.এ কেসের মাধ্যমে 2414 টি জারি হয়েছে। নোটিশ জারির শুরুতে স্থানীয় কিছু লোকের অসযোগিতা ও বাধা ছিল। সরকারি কাজে বাধা দেয়ার কারণে থানায় 02টি মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় লোকজন নোটিশ গ্রহণ করছেন।
অধিগ্রহণের জন্য প্রস্তাবিত এলাকায় আনুমানিক 300টি ভূমিহীন পরিবার আছে (জেলা প্রশাসকের তথ্যানুযায়ী)। পার্শবর্তী মৌজাসমূহে অবস্থিত খাস জমিতে গুচ্ছগ্রাম ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমিহীনদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় নির্দেশনা অনুযায়ী পর্যটন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সচিব, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নিকট পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।
বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি সহ 20/21 জন বিভাগীয় দপ্তর প্রধানের নিয়োগ/পদায়নের মাধ্যমে বিভাগীয় কার্যক্রম চলছে। অন্য 07 টি বিভাগীয় শহরকে ব্যয়বহুল শহর হিসেবে ঘোষণা করার হলেও নবসৃষ্ট ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরকে এখনো ব্যয়বহুল শহর হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি। ফলে কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ অন্য বিভাগীয় শহরের ন্যয় বর্ধিত হারে বাড়ি ভাড়া, ভ্রমণ ভাতা সহ অন্যান্য সুবিধা পাচ্ছেন। ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরকে ব্যয়বহুল শহর হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পরীক্ষাধীন আছে।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *