অভ্যন্তরীণ বিভাজনই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রধান অন্তরায়..!

এস.এম.নাহিদ (বিশেষ প্রতিনিধি) : ঢাকা-১৮ সংসদীয় আসনে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। দলীয় মনোনয়ন পেতে ইতিমধ্যে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে।পাশাপাশি নিজেদের অবস্থান জানান দিতেও ভিতরে ভিতরে গণসংযোগের মাধ্যমে কমবেশি ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। তবে আওয়ামীলীগ ঢাকা উত্তরের মহানগর কমিটি,থানা কমিটি ও ওয়ার্ড কমিটির নেতৃবৃন্দদের একে অপরের সাথে সমন্বয়হীনতায় মনোনয়ন হারাতে পারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ড এবং ঢাকা মহানগর উত্তরা, তুরাগ, বিমানবন্দর, উত্তরখান, দক্ষিণখান ও খিলক্ষেত থানা এলাকা নিয়ে ঢাকা-১৮ সংসদীয় আসন। এই আসনের সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের ইন্তেকালের পর আসনটি শুন্য হয়। ফলে সাংবিধানিক নিয়মানুসারে,এই আসনটিতে আগামী নব্বই দিনের মধ্যেই উপনির্বাচনের আয়োজন করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। আর এরই ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে ঢাকা -১৮ আসনের উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের ব্যানারে বর্তমানে তেইশোর্ধ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী।আওয়ামীলী,যুবলীগ,থানা কমিটি এবং ওয়ার্ড কমিটির জনপ্রতিনিধি সহ ব্যাবসায়ী ব্যাক্তিরাও বসে নেই ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন পাবার আশায়। তবে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ধারণা, ঢাকা-১৮ একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। প্রধানমন্ত্রীর হাতকে আরও শক্তিশালী করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে একজন সৎ, দেশপ্রেমিক, শিক্ষিত, দায়িত্বশীল এবং সর্বগ্রহণযোগ্য ব্যাক্তির কোন বিকল্প নেই এই আসনে। তাই সেই দিক বিবেচনা করে এখনই সমস্ত মতভেদ ভূলে সবাই সুশৃঙ্খলভাবে একত্রিত না হলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ অজানা নেতৃত্বের আশংকা রয়ে যায় জনমনে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *