বাজার অস্থিতিশীল করলে ব্যবস্থা নিবে বাংলাদেশ সরকার

টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: অবশেষে নিত্যপণ্যের বাজারে করোনাভাইরাসের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বাজারে খাদ্যপণ্যের ঘাটতি দেখা দিতে পারে-এক শ্রেণির ব্যবসায়ী কৌশলে এমন গুজব ছড়িয়ে পণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। আর এসব কারসাজি করেই ৪ দিনের ব্যবধানে প্রতি বস্তা চালে (৫০ কেজি) সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। সব ধরনের মাংসের দামও বেড়েছে ৫০-৬০ টাকা। এ ছাড়া মসুর ডাল, শুকনা মরিচ, আদা, হলুদ, মুগ ডাল, আটা-ময়দা ও গুঁড়া দুধের দামও বাড়ছে। আতঙ্কে ভোক্তাদের মধ্যে বেশি করে খাদ্যপণ্য ক্রয়ের প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। এর ফলে মধ্য ও নিম্নবিত্তের মানুষ পড়েছে বিপাকে।
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, অন্য বছরের তুলনায় এবার ২৫-৩০ শতাংশ পণ্য বেশি মজুদ আছে। তাই আতঙ্কিত না হয়ে স্বাভাবিক ক্রয় করলে কোনো সংকট হবে না। খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, করোনার কারণে খাদ্য সংকট হবে না, পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে। কোনো ব্যবসায়ী, মিলার করোনাকে পুঁজি করে যদি বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে, তাহলে সরকার চুপ করে বসে থাকবে না। বাজার মনিটরিং জোরদার করতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরকে চিঠি পাঠিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

etiler escort taksim escort beşiktaş escort escort beylikdüzü