ঢাকা-১৮ উপনির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ওয়ালী আল-কাদির শুভ

টাইমস ২৪ ডটনেট, ঢাকা: ঢাকা-১৮ উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মোহাম্মদ ওয়ালী আল-কাদির শুভ। তিনি প্রয়াত এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের স্নেহধন্য সহচর ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে উঠে আসা আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ একজন কর্মী। তাঁর পিতা ফরিদপুর জেলার কৃতি সন্তান ভাষা সৈনিক ও সাংবাদিক মরহুম আমিনুল ইসলাম। তাঁরা মাতা মিসেস মাজেদা ইসলাম দক্ষিণবঙ্গের জমিদার পরিবার কাউনিয়া মিয়া পরিবারের সন্তান যা ‘কাউনিয়া প্যালেস’ হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত। এই পরিবারের সন্তান শাহজাদা আব্দুল মালেক খান ছিলেন বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রীসভার বাণিজ্য মন্ত্রী। তাঁর মামা ফারুক মেসবাহ উদ্দিন খান বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি।

মোহাম্মদ ওয়ালী আল-কাদির শুভ উত্তরা নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আমি ছাত্রলীগ থেকে উঠে আসা আওয়ামী লীগের একজন কর্মী। ১৯৯১ সালে নবম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে ৫ম সংসদ নির্বাচনে নৌকার পক্ষে নিবাচর্নী কাজ করেছি, ১৯৯৫-১৯৯৬ সালে ঢাকা কলেজে অধ্যায়নকালে অসহযোগ আন্দোলনে ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে রাজপথে পিকেটিংসহ দূর্বার আন্দোলনের তৃণমুল কর্মী হিসেবে কাজ করেছি। ১৯৯৫-১৯৯৭ পর্যন্ত ঢাকা মহানগর উত্তরের নির্বাহী সদস্য হিসেবে দয়িত্ব পালন করেছি এবং প্রয়াত এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের স্নেহধন্য সহচর হিসেবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী সর্ব প্রকার সহযোগিতা করে পাশে থেকেছি।

মোহাম্মদ ওয়ালী আল-কাদির শুভ মনোনয়ন নিয়ে তাঁর ফেইসবুক আইডিতে লিখেন, “ভয়” শব্দটি আমার ডিকশনারীতে নেই। আমি আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পাইনা। ২০১৮ সালের নির্বাচনে ষড়যন্ত্র-কারীদের রক্ত-চক্ষু উপেক্ষা করে সমস্ত প্রচারণা ও কর্মী বাহিনীর ব্যয়ভার বহন করেছি পর্দার আড়ালে থেকে। সাহারা আম্মার গণসংযোগের গাড়ি বহর দিয়েছি। তাঁর নিরাপত্তার জন্য আধুনিক সিকিউরিটি ফোর্সের ব্যবস্থা করেছি। শেষের ১৫ দিন নিজের কাজকর্ম ফেলে সস্ত্রীক নির্ঘুম ছায়াসঙ্গী হিসেবে থেকেছি। এগুলো ঢাকা-১৮ বাসী দেখেছে এবং জানে। সেই সময় থেকে দেশের কল্যাণে জীবন বাজি রেখেই দলের জন্য মাঠে নেমেছি। প্রয়োজনে প্রানপ্রিয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য জীবন উৎসর্গ করতে রাজি আছি। ঢাকা-১৮ তে সব ষড়যন্ত্রের পায়তারা প্রতিহত করে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করবো। আমি ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা কর্মী, ঢাকা ১৮ আসনের ছাএলীগ সংগঠিত করতে কর্মী সভা ও মতবিনিময় করছি। ব্যানার ফেস্টুন ও পোস্টার লাগিয়ে জনসমর্থন বা দলের মনোনয়ন পাওয়া যায় না। ঢাকা-১৮ এর সীমানা এখন পোস্টার ফেস্টুনে বর্ধিত হয়ে দখিন সিটি কপোরেশন পর্যন্ত ঢুকে গেছে। লজ্জা পেয়েছি শোকের মাসে প্রচারণার বাড়াবাড়ি দেখে। সাহারা আম্মার কাছে কোনদিনও কোন সুবিধা বা কোন চাওয়া পাওয়া ছিলনা। পদ পদবী দিতে চেয়েছেন, সেটাও নেইনি। আমি দেশের ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই, সেই জন্যে একটি প্ল্যাটফর্ম দরকার। এজন্য আমি মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি। প্রানপ্রিয় নেত্রীর সদয় বিবেচনার অপেক্ষায় আছি।

সূত্র: উত্তরা নিউজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

etiler escort taksim escort beşiktaş escort escort beylikdüzü